‘মাই বুডঢা’ সম্বোধন করে মহেশ ভাটের সঙ্গে রিয়ার ঘনিষ্ঠ ছবি! নেটিজেনদের রোষের মুখে রিয়া

Mahesh Bhatt

Mysepik Webdesk: সুশান্ত সিং রাজপুত ছয় দিন হল সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন। এই অপূরণীয় ক্ষতি মানতে পারছেন না বলিউডের সঙ্গে সঙ্গে দেশবাসীও। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে গোটা দেশবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। এভাবে তার চলে যাওয়ায় নানান রকমের প্রশ্ন উঠছে মানুষের মনে।

আরও পড়ুন: ‘সুশান্তের বান্দ্রার ফ্ল্যাটটা নাকি ভৌতিক’, মুম্বই পুলিশের জেরায় জানালেন রিয়া!

তবে সুশান্তের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যুর পর বারবার আঙুল উঠছে বঙ্গতনয়া রিয়া চক্রবর্তীর (Rhea Chakraborty) দিকেই। মুম্বই পুলিশও তদন্ত শুরু করেই সবার আগে জেরা করলেন রিয়া চক্রবর্তীকে। টানা ১১ ঘন্টা জেরা করা হয়েছে রিয়াকে।

দোষারোপ পালা কিন্তু থামছে না। এদিকে সুশান্তের মৃত্যুর পর বলিউডের হেভিওয়েট প্রযোজক-পরিচালকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল জিয়া খানের মা রবিয়া রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নানান প্রশ্ন তুলেছিলেন। রিয়া অন্যের কোথায় জীবন চালনা করছিলেন এবং সঠিক সময়ে সুশান্তের পাশে দাঁড়ায়নি, তা নিয়ে বঙ্গতনয়াকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন। এখানেই শেষ নয়, কাজের লোভে ঠাকুরদার বয়সী একজন লোককে জীবনে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন বলেও রিয়াকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: সুশান্তের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলকে ‘স্মৃতিতে’ তকমা

অন্যদিকে, ‘জলেবি’র কো-রাইটার সুহরিতা সেনগুপ্ত আগেই স্বীকার করেছিলেন মহেশ ভাটই রিয়াকে সুশান্তের থেকে সরে আসতে বলেছিলেন।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ‘ভাটসাব’-এর ৭০ বছরের জন্মদিনে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন রিয়া। রিয়ার বুকের কাছে মহেশের মাথা, চোখ বন্ধ। মুখে মিষ্টি হাসি, দুজনেরই। ক্যাপশনে লেখা, “শুভ জন্মদিন মাই বুডঢা। তুমি আমায় ভালবাসায় জড়িয়েছ, ভালবাসা কী তা তুমিই শিখিয়েছ… সারাজীবনের জন্য আমার বন্ধ হয়ে যাওয়া পাখা মেলতে শিখেছি তোমারই কারণে। তুমি সেই আগুন যে আগুন প্রতিটি আত্মাকে উদ্দীপ্ত করে। আই লাভ ইউ”।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেরাচ্ছে রিয়া আর মহেশ ভাটের সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি। ফলে সুশান্তের মৃত্যুর পর নতুন করে নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়েছে রিয়া। কিন্তু সম্প্রতি ওই ছবি নিয়ে ব্যাপক ট্রোল শুরু হতেই নিজের প্রোফাইল থেকে ছবিগুলি ডিলিট করে দেন রিয়া।

Facebook Twitter Print Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *