বাজারে আসতে চলেছে নতুন প্রযুক্তি ৫জি

5G

তথ্যপ্রযুক্তি যত উন্নতি হয়ে চলেছে তত নতুন নতুন টেকনোলজি বাজারে আসতে চলেছে। আজ একটা একেবারে নতুন প্রযুক্তির কথা বলবো যার নাম হলো ৫জি। এত দিন ধরে আমরা মোবাইলের ডাটা স্পীড এর ক্ষেত্রে ২জি ৩জি ৪জি শুনেছি। আজ আমরা জানব ৫জি সম্মন্ধে। ৫জি পরিষেবার ক্ষেত্রে মোবাইল এর ডাটা ট্রান্সফার এর স্পীড বাকি গুলোর থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে ফলে মোবাইল এর ইন্টারনেট এর স্পীড অনেক বেশি হয়। ৫জি স্পীড পেতে গেলে অবশ্যই আপনার মোবাইলটি ৫জি ব্যাবহার করার উপযোগী হতে হবে এবং মোবাইলের পরিষেবার নেটওয়ার্ক ও ৫জি যে পরিবর্তন করতে হবে।

Read more

কলা খেলে ওজন বাড়ে না কমে?

Banana

কলা কমবেশি সবারই পছন্দের একটি ফল। অনেকের ধারণা কলা খেলে ওজন বাড়ে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, এটি খেলে ওজন কমে। কলা নিয়ে কোন তথ্যটি সঠিক তা নিয়ে অনেকেই দ্বন্দ্বে ভোগেন।  অন্য ফলের চেয়ে কলায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। যেমন- এক কাপ পরিমাণে কাটা আপেলে ৬০ ক্যালোরি থাকে। অন্যদিকে ওই পরিমাণ কলায় ১৩০ ক্যালোরি পাওয়া যায় । যারা ওজন কমাতে চান ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খাওয়া তাদের জন্য ক্ষতিকর।  তবে এটা মনে রাখা দরকার, কলায় শর্করা ছাড়া আরও অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি ও সি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এছাড়া কলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে।  তা ছাড়া ফাইবার সমৃদ্ধ কলা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। তখন অন্য খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমে যায়। এতে ওজন বাড়ার আশঙ্কাও কমে। ডায়েটেশিয়ানদের মতে, যারা কলা খেতে পছন্দ করেন তারা বিভিন্ন খাবারের পরিবর্তে খাদ্য তালিকায় কলা রাখতে পারেন। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করবে।  কলা খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়- ১. পটাশিয়াম এবং খনিজের ভালো উৎস হওয়ায় কলা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।  ২. যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে তারা বিছানায় যাওয়ার আগে কলা খেতে পারেন। এতে থাকা পটাশিয়াম উৎকন্ঠা কমিয়ে মন শান্ত করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীরেও প্রশান্তি আনে। ফলে সহজেই ঘুম আসে। ৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকায় কলা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ডায়রিয়া রোগীদের জন্যও এটি উপকারী।  ৪. কলায় যদিও শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে তারপরও ডায়াবেটিস রোগীর কলা খেলে কোনো সমস্যা হয় না। কারণ এতে থাকা ফাইবার শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

Read more

পাওয়ার পয়েন্ট এর কপিরাইট টেক্সট মোছার উপায়

Power point

পড়াশোনার কাজে, অফিসের প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কাজে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট এর জুড়ি মেলা ভার। আমরা লক্ষ করলে দেখতে পাই যে এই সফটওয়ার এ কিছু আগে থেকে বানানো টেমপ্লেট রয়েছে যেগুলো ব্যাবহার করে আমরা খুব সহজেই প্রেসেন্টেশন বানাতে পারি। তবে লক্ষ করলে দেখা যাবে যে কিছু কিছু টেমপ্লেট এর নিচে কপিরাইট এর লেখা দেখা যায়। আসুন জেনে নেই কিভাবে সেগুলো আমরা আমাদের প্রেসেন্টেশন থেকে সরিয়ে ফেলবো। প্যানেল এর উপরের দিক থেকে ভিউ তে ক্লিক করবো, এরপর যেতে হবে স্লাইড মাস্টার অপশন এ। স্লাইড মাস্টার এর নিচে ডান দিকে কপি রইট অপশন টা এডিট করা যাবে বা মুছে ফেলা যাবে। এরপর ওপরের দিকে ক্লোজ মাস্টার অপশন এ ক্লিক করতে হবে। সবশেষে পাওয়ার পয়েন্ট এর ফুটার এ থাকা কপিরাইট টেক্সট ডিলিট করা যাবে।

Read more

কখনো কি স্বাভাবিক হয় রোদে পোড়া ত্বকের রং?

Sunlight

আমাদের ত্বকের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে রোদ। ত্বকের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁজের জন্য রোদই দায়ী। তবে কড়া রোদের কারণে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকেও যে বাঁচা যায়, সেটা হয়তো অনেকেরই অজানা। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে ত্বকের নিচে অবস্থিত টিস্যু বা কলা নিজে থেকেই পুনর্নির্মাণ হতে থাকে। এই পথ অবলম্বন করতে গিয়ে কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়ে আমাদের অনেকের জানা নেই। এ বিষয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞের কথা হচ্ছে, পুরো বছর ধরে প্রতিদিনই কমপক্ষে ১৫ প্রোটেকশন ফ্যাক্টর (এসপিএফ) ক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন বা ময়শ্চারাইজার শরীরের খোলা অংশে মাখতে হবে। আর এটি মেখে রাখতে হবে রোদে কোনো কাজ করতে গিয়ে রোদের সংস্পর্শে আসার সময়।শীতের রোদের সংস্পর্শে আসার সময়ও এই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।  নিয়ম মেনে রোদকে আড়াল করে চলতে পারলে দু-এক বছরের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতো কোমল ও স্থিতিস্থাপকতা ফিরে পায়। সানস্ক্রিনের মাত্রার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।আমাদের জন্য সানস্ক্রিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৫ হওয়ার দরকারই। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় এগুলো দেখে নিতে হবে। ওষুধ ও কসমেটিক্সের দোকানে এগুলো পাওয়া যায়।   তবে দীর্ঘ দিন ধরে যাদের ত্বক রোদে পুড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে এই পথ অনুসরণ করে ফল পেতে একটু বেশি সময় লাগবে। এ ছাড়া যাদের বয়স ইতোমধ্যে ৫০ পার করেছে তাদের ক্ষেত্রে ফল পেতে আরো বেশি সময় লাগবে। কারণ বয়েস কালে ত্বক এমনিতেই স্থিতিস্থাপকতা হারাতে থাকে।

Read more

ওজন কমবে কাঁচা রসুন ও মধুর মিশ্রণে

Honey

সবার কতই না চেষ্টা থাকে ওজন কমাতে । সঠিক খাদ্যাভাস ও ব্যায়াম করা জরুরি ওজন কমানোর জন্য । অনেক কৌশল অনুসরণ করেও ওজন কমানো যায়। রসুন এবং মধুর পুষ্টি গুণের কথা  সবারই জানা আছে। কিন্তু অনেকের জানা নেই এ দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি জলিও ওজন কমানোর জন্য কতটা উপকারী। বহুযুগ থেকেই এ দুটি  উপাদান ঠাণ্ডা-কাশি, কোলেস্টেরল,উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়। দুইয়ের মিশ্রণে একসঙ্গে ব্যবহার করলে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারিতা পাওয়া যায়। মিশ্রণটি তৈরির পদ্ধতি :  ৩ থেকে ৪ টি রসুনের কোয়া নিয়ে ছোট ছোট করে কাটেতে হবে। এক চামচ মধু নিয়ে কাপে ঢালুন। এখন রসুনগুলো এতে দিয়ে ভালো ভাবে মেশাতে হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মিশ্রণটি খেতে হবে। চাইলে মিশ্রণটি তৈরি করে ফ্রিজে রেখে খেতে পারবেন। তবে সেটা তিন দিনের বেশি না রাখাই ভালো।   এটা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী। খালি পেটে মিশ্রণটি খেলে শুধু ওজনই কমবে না, হজমশক্তি ও বাড়বে। সেই সঙ্গে শরীর পরিষ্কারও হবে। এছাড়া এ মিশ্রণটি খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে সেগুলি হল- ১. নিয়মিত এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল কমবে। ২. ঠান্ডা-কাশি কমবে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ৪ লিভার সুস্থ থাকবে।

Read more

আলঝেইমার রোগের প্রথম উপসর্গ

Alzheimer

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে স্মৃতি ভুলে যাওয়া বা আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হন। এ রোগের কোনো প্রতিকার নেই। তবে প্রথম অবস্থায়  এ রোগের ভয়াবহতা কমানো যায়। আলঝেইমার হলে কিছু প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- ১. এই রোগের প্রাথম লক্ষণই হলো  কাজকর্ম ভুলে যাওয়া। হতে পারে  কারও নাম, ফোন নাম্বার, তারিখ,সময়। আবার একই জিনিস বারবার জানতে চাইলেও বুঝতে হবে সেই মানুষের আলঝেইমারের ঝুঁকি বাড়ছে। যদিও বয়স বাড়ার সঙ্গে  অনেকের স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে থাকে। তবে আলঝেইমারে আক্রান্তরা দিনের অনেক ছোটখাটো কাজও মনে রাখতে পারেন না।  ২. আলঝেইমারের লক্ষণ দেখা দিলে সেই মানুষের মধ্যে  কাজের পরিকল্পনা ও তাকে কার্যকর করার অক্ষমতা দেখা দেয়।  ৩. স্মৃতিশক্তি ধিরে ধিরে কমতে থাকলে অনেকে দিন, মাস,এবং সময়ের কথাও মনে রাখতে পারে না। আচমকা তারা মনে করতে পারে না তারা কোথায় আছে, কি করছে।  ৪. আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার আগে অনেকের দেখতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে তারা রঙ চিনতে পারে না। গাড়ি চালাতেও তাদের সমস্যা হয়।তারা সময় ও স্থানের মধ্যে সংযোগ করতে পারে না। ৫.অনেকেই জিনিসপত্র কোথায় রাখেন তা ভুলে যান। এরপর ভুল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে। ৬.  অনেকের বিচার-বিবেচনা কাজ করে না আলঝেইমার হলে। বিনা বিবেচনায় তারা ভুলভাল সিদ্ধান্ত নেন। ৭. আলঝেইমারের লক্ষণ দেখা দিলে অনেকের মধ্যে ভয়, উদ্বিগ্নতা, অবিশ্বাস ইত্যাদি কাজ করে। অন্যের সঙ্গে  তারা তর্কেও লিপ্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলঝেইমারের ফলে ধীরে ধীরে তাদের নিজের কাজ করার সামর্থ্য কমে যায়। এই কারণে প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। 

Read more
1 2