৮৪১ কিলোমিটার গতিতে ছুটিয়েছিলেন জেট কার, দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ১০ মাস পরে জায়গা গিনেস বুকে

Mysepik Webdesk: প্রতি ঘণ্টায় ৮৪১ কিলোমিটার বেগে তিনি ছুটিয়েছিলেন তাঁর জেট কারকে। তাঁকে আজ মরণোত্তর বিশ্বের দ্রুততম গাড়ি চালানোর রেকর্ডটি প্রদান করা হয়েছে। তিনি আমেরিকার জনপ্রিয় জেট কার রেসার জেসি কম্বস। ওরেগনের অ্যালভার্ড মরুভূমিতে ল্যান্ড স্পিড রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্যে নেমেছিলেন জেসি। কিন্তু সেই রেসই হয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবনের শেষ রেস। ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট, জেট কার ছোটাতে গিয়ে মারা গিয়েছিলেন জেসি কম্বস।

আরও পড়ুন: ভারতে ৫০০ টাকার জুয়া খেলা অবৈধ, ম্যাচ ফিক্সিং কেন অপরাধ নয়? প্রশ্ন আইসিসি-র

বৃহস্পতিবার গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর এই রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছে। ৩৯ বছর বয়সি জেসি চল্লিশ বছর আগেকার অ্যালভার্ডের প্রান্তরে স্বদেশীয় কিটি ও’নিলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিলেন। ১৯৭৬ সালে কিটি তাঁর তিন চাকার জেট কার ৮২৩ কিলোমিটার বেগে ছুটিয়ে রেকর্ড গতি স্থাপন করেছিল।

আরও পড়ুন: অনায়াস জয় জুভেন্টাসের, গোল করলেন রোনাল্ডো

জেসির রেসিং পার্টনার টেরি ম্যাডেন ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, “শেষপর্যন্ত জেসি জিতেছে, যার জন্য তিনি নিজের জীবন দিয়েছিলেন। কোনও রেকর্ড তার আত্মার চেয়ে বড় হতে পারে। এই লক্ষ্যটি তিনি সবসময় অর্জন করতে চেয়েছিলেন। আমি আমার সঙ্গীর জন্য গর্বিত।”

View this post on Instagram

#rememberthetime I was woke up Monday by a reporter from the London Times telling me that @guinnessworldrecords would be releasing today that @thejessicombs had officially broke her world landspeed record. I really don’t know how I feel about this at all as no record could ever be worth her not being here, but it was a goal that she really wanted – and as hard as it is for me to even look at the car without crying. I’m so proud of her. She woke up that morning to an alarm saying “lets make history” and we had an absolutely amazing day. On the morning run she broke her previous top speeds and we went back to the trailer and had a long heart to heart – she had a few things that were bothering us safety wise and I told her I would support her no matter what she decided to do. That afternoon we booked a house in Lake Tahoe for the next night, and she decided she was going to run that one last afternoon run to back up her record and then walk away from it for good and let her back up driver go for the overall world record instead of her. That was to be the last time she ever got in that car. It has torn me apart that all I had todo is say let’s go and we would have left before that run, she asked my opinion and I told her Togo for it if it was what she wanted. That conversation has torn me apart everyday since the accident. . On her final record run- the front wheel assembly failed and as she decelerated just past the end of the run, it came apart and went up into the electronics/mechanical bay behind her seat and caused the accident. There was nothing that she could do and she did everything perfect. I don’t know that this is anyone’s business and it has been hard for me to talk about, but I have been asked about several false narratives lately that she had done something wrong and I can’t live with anyone saying that anymore. I was in the safety vehicle beside her as she was slowing down when the accident happened, I watched the accident live as well as the onboard footage that was recovered. I can 100% tell you beyond any doubt that she did everything exactly as she was supposed to. . #missyababe #myjessi #landspeed #jessicombs #worldrecord #guinness

A post shared by Terry L. Madden (@terry_madden) on

Facebook Twitter Print Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *