তাপসীর পর হুমা কুরেশিও বিদ্যুতের বিল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন

Huma Qureshi

Mysepik Webdesk: রবিবার তাপসী পান্নুর একটি ট্যুইটে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল নেটদুনিয়া। জানা যায় তাঁর বাড়ির বিদ্যুতের বিল নাকি এই মাসে প্রায় ১০ গুণ বেশি এসেছে। মে মাসে যেখানে বিদ্যুৎ বিল এসেছিল ৩৮৫০ টাকা, সেখানেই জুন মাসে তাঁর বাড়ির বিল এসেছে ৩৬ হাজার টাকা। তাপসীর মতো একই সমস্যায় হয়েছে বীর দাস এবং ডিনো মোরিয়াকেও। তাঁদেরও একই অভিযোগ জুন মাসে নাকি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে বিদ্যুতের বিল। এবারে সে তালিকায় নাম লেখালেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। সোমবার একটি ট্যুইটে হুমা জানিয়েছেন জুন মাসে নাকি তাঁর বিদ্যুতের বিল এসেছে ৫০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত অভিনেতা আমির খানের একাধিক কর্মচারী

টুইটারে হুম লিখেছেন, ‘এগুলো কি নতুন বিদ্যুত্‍ মাসুল আদানি ইলেকট্রিসিটি মুম্বই? গত মাসে আমি ৬ হাজার টাকার বিল মিটিয়েছি… আর এ মাসে ৫০ হাজার টাকা! এটা কি নতুন প্রাইস সার্জ। দয়া করে আমাদের একটু বোঝাবেন?’ তবে তাপসী, হুমায় নয় এই একই সমস্যা আরও অনেকেই পড়েছেন।

অভিনেত্রী রেনুকা সাহানে দাবি করেন মে মাসে তিনি ৫৫১০ টাকার বিদ্যুত্‍ বিল মিটিয়েছেন। কিন্তু জুন মাসে আচমকা তা বেড়ে ২৯,৭০০ টাকা হয়! এখানেই শেষ নয়, তাঁর অভিযোগ মে মাসে সমস্ত বিল মিটিয়ে দেওয়া হলেও জুন মাসের বিলে উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর নাকি ১৮০৮০ টাকা আগের বিল বাকি আছে। সুর চড়িয়েছেন অভিনেতা রণবীর শোরিও।

আরও পড়ুন: স্কুলের পোশাকে দাঁড়িয়ে শাহরুখ, ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

এদিকে আদানি ইলেক্ট্রিসিটি মুম্বই লিমিটেডের (AEML) এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘করোনা সংক্রামণের জন্যে মার্চ মাসে ফিজিকাল বিল রিডিং বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। ধীরে ধীরে আমরা আবার তা শুরু করেছি। ফলে এতদিন আমরা ডিসেম্বর, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসের গড় বিল তৈরি করে প্রত্যেককে চার্জ করেছি। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে শীত থাকায় বিদ্যুতের ব্যবহার অনেকটাই কম হয়। যেখানে এপ্রিল, মে এবং জুন মাসে গরম বেশি থাকায় বিদ্যুত্‍ খরচও বেশি হয়। মহারাষ্ট্র ইলেকট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশনের গাইডলাইন মেনেই গত পিরিয়ডের বিল নেওয়া হবে। গ্রাহকরা দ্রুত তাঁদের অ্যাকচুয়াল কনসাম্পশনের ভিত্তিতে বিল পাবেন। তারসঙ্গে নির্দিষ্ট টারিফ স্ল্যাবের সব সুযোগ সুবিধেও পাবেন।’

Facebook Twitter Print Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *