ভারতে ৫০০ টাকার জুয়া খেলা অবৈধ, ম্যাচ ফিক্সিং কেন অপরাধ নয়? প্রশ্ন আইসিসি-র

Match Fixing

Mysepik Webdesk: বৃহস্পতিবার আইসিসি-র অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর স্টিভ রিচার্ডসন বলেছিলেন, ভারতে ম্যাচ ফিক্সিংকে অপরাধ হিসাবে ঘোষণা করতে হবে, তবেই দুর্নীতি রোধ করা যেতে পারে। কড়া আইন না থাকার কারণে কর্মকর্তারা ক্রিকেটে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে হাত বেঁধে রাখেন। ১৮৬৭ সালের বেটিং আইন ভারতে খুব দুর্বল। এতে মাত্র ২০০ থেকে ৫০০ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

আরও পড়ুন: অনায়াস জয় জুভেন্টাসের, গোল করলেন রোনাল্ডো

যদি আপনি ৫০০ টাকা বাজি ধরে থাকেন, তবে এটি অবৈধ। কিন্তু কোনও খেলোয়াড় যদি খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য কয়েক লক্ষ টাকা নেয়, তবে তা অবৈধ নয় ! বাজি ও ফিক্সিংয়ের জন্য আলাদা আইন থাকতে হবে। কারণ বাজি অনেক দেশেই স্বীকৃত। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতে টি -২০ এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপের মতো দু’টি বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে। জুয়াড়িদেরও নজর থাকবে এতে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত যদি ম্যাচ ফিক্সিং সম্পর্কিত আইন করে, তবে ক্রিকেটের নিরাপত্তার জন্য এটিই প্রকৃত গেম চেঞ্জার হিসাবে প্রমাণিত হবে।

আরও পড়ুন: শচীন নয়, এখন প্রিয় বিরাট: উমর গুল

দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা প্রথম দেশ, যেখানে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে কারোর সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। ২০১৯ সালে এই আইনটি কার্যকর করা হয়েছিল। পাকিস্তানে খুব শীঘ্রই কড়া আইন তৈরি হতে চলেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এটি অনুমোদনও করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ভারতে তেমন কোনও বিধান নেই। তা সত্ত্বেও, আইসিসি ম্যাচ ফিক্সিং বন্ধে ভারতীয় পুলিশদের সঙ্গে কাজ করছে।

সম্প্রতি আইসিসির ওয়েবিনারে বিসিসিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের প্রধান অজিত সিং বলেছিলেন যে, দ্রুত অর্থোপার্জনের জন্য বুকিরা খেলোয়াড়, সাপোর্টিং স্টাফ, অফিসিয়ালদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। প্রতি বছর বাজি ধরে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা আয় হয়। বেশ কয়েকটি স্টেট ক্রিকেট লিগ নিয়ে তদন্তের সময় দেখা গেছে যে, কয়েকটি ম্যাচে এই পরিমাণ ছিল ১৯ কোটি টাকা। যদি আইন তৈরি হয়, তবে এটি ফিক্সিং বন্ধে অনেকাংশে সহায়তা করবে।

Facebook Twitter Print Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *