পতঞ্জলিকে করোনার ওষুধ সম্পর্কে আরও তথ্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আয়ুষ মন্ত্রক

Coronil Kit

Mysepik Webdesk: দেশজুড়ে তথা বিশ্বজুড়ে অতিমারীর দাপট দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে বিশ্বজুড়ে বহু সংস্থা ইতিমধ্যেই নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের এই কঠিন পরিস্থিতিতে পতঞ্জলীও আর পিছিয়ে নেই। ইতিমধ্যেই তারা প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করে দিয়েছে। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বালকৃষ্ণ জানিয়েছিলেন, “প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়ে গিয়েছে, শুধু ইমিউনিটি বাড়ানোই নয়, আমাদের এই ওষুধ শরীর থেকে করোনাকে সম্পূর্ণ নির্মূল ও ধ্বংস করবে।”

আরও পড়ুন: কাশ্মীরে বহু জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান, প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

করোনাভাইরাস নির্মূলের কাজে রামদেবের পতঞ্জলি দ্বারা প্রস্তুত আয়ুর্বেদিক ওষুধের আরও বিবরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে আয়ুষ মন্ত্রক। পতঞ্জলির দাবি অনুযায়ী, মাত্র সাত দিনের মধ্যে করোনভাইরাস নিরাময় করতে পারে তাদের এই নতুন ওষুধ। পতঞ্জলি সংস্থাকে এই ধরণের দাবি পরীক্ষা করা না হওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞাপন বা প্রচার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা রামদেব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “করোনিল এবং স্বসারি” ওষুধগুলি সারাদেশে ২৮০ রোগীর উপর গবেষণা এবং পরীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। ওষুধগুলি মাত্র ৫৪৫ টাকার একটি করোনার কিটে আসতে চলেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে ভারত জুড়ে বিক্রি করা হবে।”

আরও পড়ুন: লাদাখে ভারতীয় সেনার ওপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিল চিন, চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল মার্কিন গোয়েন্দা

এদিকে আয়ুশ মন্ত্রক পতঞ্জলিকে ওষুধ বানানোর পদ্ধতি, তার গবেষণার ফলাফল, যে হাসপাতালগুলিতে গবেষণা করা হয়েছিল, তার হাসপাতালের ছাড়পত্র ছিল কিনা এবং সমগ্র প্রক্রিয়াটি লিপিবদ্ধ ছিল কিনা তার প্রাথমিক তথ্য জানানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি উপরিউক্ত তথ্যগুলি সরকারকে না দেওয়া পর্যন্ত এই ধরণের বিজ্ঞাপন বা প্রচার বন্ধ রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রক উত্তরাখণ্ড সরকারকে করোনিল তৈরির জন্য অনুমোদিত লাইসেন্সের কপি এবং অনুমোদনের বিশদ বিবরণ সরবরাহ করতে বলেছে। উল্লেখ্য: পতঞ্জলির সদর দফতর হরিদ্বারে, যা উত্তরাখণ্ড রাজ্যে অবস্থিত।

Facebook Twitter Print Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *