ঘাতক কমান্ডো মোতায়েন করা হল লাদাখের গালওয়ানে, পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ভারত!

Mysepik Webdesk: গালওয়ানে বিশেষ অভিযানের জন্য পুরোপুরি তৈরি হল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার রাত পর্যন্ত পূর্ব লাদাখে (Ladakh) ভারতের প্রত্যাঘাতের সম্ভাবনা বাড়ছে। এ নিয়ে সরকারিভাবে কিছু বলা না হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় ভারতীয় সেনার প্রস্তুতি এবং নয়াদিল্লির (New Delhi) তৎপরতা গালওয়ানে বিশেষ অভিযানের দিকেই ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন: মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানেই ফের কেঁপে উঠল মিজোরাম

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই অভিযান হতে পারে নিয়ন্ত্রিত, যাকে বলা হয়, ‘লিমিটেড এরিয়া অপারেশন’। গালওয়ান (Galwan), প্যাংগং হ্রদ (Pangong Lake), গোগরা উষ্ণ প্রস্রবণের (Gogra) মতো এলাকায় চীনা ফৌজের সক্রিয়তা বেড়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় সেনাকে যেকোনও ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র কেনার অনুমতিও দিয়েছে কেন্দ্র, সেহেতু যেকোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে আর নয়াদিল্লি থেকে অনুমতি আসার অপেক্ষা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: #VIRAL: ভারতীয় জওয়ানদের ‘শহীদ’ হওয়ার বদলা নিতে লাদাখের উদ্দেশ্যে রওনা দিল খুদের দল, ভাইরাল ভিডিও

ইতিমধ্যেই এই অভিযানের জন্য ভারত-চিন সীমান্তে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ঘাতক ‘প্ল্যাটুন’ (Platoon) সেনাকে। এই দলটি মূলত পাঞ্জাব রেজিমেন্টের ( Punjab Regiment ) বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘাতক কমান্ডোদের (Commando)। চিন সেনার ওপর জোরালো আঘাত হানার সবথেকে বড় দায়িত্বটি থাকবে এই ঘাতক কমান্ডোদের উপরে। ঘাতক প্ল্যাটুন বেছে নেয়ার কারণ, এই কমান্ডোরা গালওয়ানের (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪ হাজার ফুট) মতো উচ্চতায় যুদ্ধ করতে সক্ষম। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এরা শত্রুর মোকাবিলা করতে পারেন। অভিযানের সময় প্রথমেই এই কমান্ডোরা এগিয়ে যাবেন। পিছন থেকে তাদের কভারে থাকবে সেনার হেভি মেশিনগান, আরপিজি ৭ (Rocket-Propelled Grenade Launcher) এবং মর্টার ফায়ারিং (Morter Firing)। শত্রুর বাঙ্কার ধ্বংসে বিশেষ কার্যকরী আরপিজি ৭ (RPG-7)।

আরও পড়ুন: কিভাবে চিনাদের ১৪ নম্বর পেট্রলিং পয়েন্ট থেকে সরিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা, প্রকাশ্যে এল সেই তথ্য

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাকে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া অত্যন্ত সময়োচিত পদক্ষেপ। কারণ, কোনোও অভিযান বা অনুপ্রবেশ রুখতে সিদ্ধান্ত নিতে হয় তৎক্ষণাৎ। সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংঘর্ষ চলাকালীন খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না। কারণ ঘটনাস্থলে থাকা জওয়ানদের থেকে পরিস্থিতি কেউ ভালো বুঝতে পারেন না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Twitter Print Whatsapp

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *