দশটি লিমেরিক

দীপান্বিতা হাজরা

যোগা করে রোগা হবে ভেবে ভেবে বদ্দা
রোজ তেলেভাজা চাখে বদ্দা ও ছোদ্দা।
তাই শুনে হেসে হেসে
পাড়াতুতো কাকু এসে
দু’জনের ঘাড়ে দিল কিলো দুই রদ্দা।।

হাজার বাজার করে ঘরে ফেরে ক্ষ্যান্ত।
ফেলে এলো দুই কিলো কেনা মাছ, জ্যান্ত।
ঘরে এসে হতবাক
সরিয়ে সব্জি শাক।
হারাবে জানলে কে বা ওই মাছ কিনত।।

সরকারদের বাগানটাতে তিনটে বাবুই থাকে
সবাই বলে ওরা বাসায় ইনভার্টার রাখে।
রাতের বেলা সেদিন দেখি
ইনভার্টার কোথায়! একি!
জোনাক আলো মিটমিটিয়ে জ্বলছে বাসার ফাঁকে।।

ভোরবেলাতে ভৈরবী তান যেই ধরেছে কাকা
ওমনি দেখে ঘরবাড়ি সব এক্কেবারে ফাঁকা।
তানপুরাটা বাগিয়ে নিয়ে
ছাদে ওঠে ধড়ফড়িয়ে।
কাকেরা সব বলল হেথায় আর যাবে না থাকা।।

গিরিডিতে মেজো মামা থাকত।
সাথে নাকি কেঁদো বাঘ রাখত।
বাঘ নাকি থেকে থেকে
সোফাতে দুই পা রেখে
‘হুঁকো লাও হুঁকো লাও’ হাঁকত।।

সন্ধে হলেই বর্ধমানের বৃদ্ধ রামু খুড়ো।
চৌগোঁপ্পা দাড়ি এঁটে পরেন ধড়াচূড়ো।
যাত্রাদলের রাবণ সেজে
আগুন ধরান হুলোর লেজে।
পাড়ার লোকে বলছে শুনে এসব খবর উড়ো।

দাদাইকে সাইকেলে মারবই ধাক্কা
তারপরে চাঁটি খেয়ে পাব আমি অক্কা
এইসব ভেবে ভেবে
সাইকেল থেকে নেবে
গুটিগুটি গিয়ে দেখি মাঠ ফাঁকা-ফক্কা।।

নন্দবাবুর নাকের ডগায় বাবুই পাখির বাসা
সকাল সকাল তান ধরেছে এক্কেবারে খাসা।
নন্দ শুনে ঘাড়টি নেড়ে
তানপুরাটি নিলেন কেড়ে।
বলেন সুরে গলদ ভারী রেওয়াজ করো ঠাসা।।

সকাল সকাল একশো টাকার বাজার করেন খুড়ো।
দর-দামেতে দারুণ পাকা কিপটে রামু বুড়ো।
দোকানি সব হাত নেড়ে কয়
এত কমে কিনলে কি হয়?
টাটকা জিনিস? বরং কেনো বাসি পচা গুঁড়ো।।

১০

ঝিমলি গেল সিমলিপালে দেখবে বলে হাতি।
একলা হাঁটে বুক ফুলিয়ে সঙ্গে নেইকো সাথি।
জমলো যখন আড্ডা ভারি
তখন এলো চালিয়ে গাড়ি
হ্যাট-কোট-প্যান্ট পরে হাতির নাতি।।

Facebook Twitter Email Whatsapp

One comment

  • দশে দশ।
    একেবারে দশ কা দম ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *