কুম্ভমেলা থেকে দিল্লিতে ফিরলেই ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন

Mysepik Webdesk: করোনাভাইরাসের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে হরিদ্বারের কুম্ভমেলা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পূণ্যর্থীরা গিয়েছেন কুম্ভমেলায়। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কোনও রকম স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই সেখানে পূণ্যর্থীরা পুণ্যস্নান সারছেন। আর তার ফলেই বেড়েছে বিপদ। প্রতিদিনই শয়ে শয়ে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন সেখানে। দিল্লি থেকেও বহু মানুষ গিয়েছেন কুম্ভমেলায়। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ রুখতে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করছে দিল্লি সরকার। দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিল্লি থেকে ৪ এপ্রিল যারা যারা কুম্ভমেলায় অংশ নিয়েছেন, দিল্লি সরকারের ওয়েবসাইটে (www.delhi.gov.in) তাদের নাম-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে।

আরও পড়ুন: দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত ২.৬১ লক্ষরও বেশি, মৃত্যু ১৫০১ জনের

ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ৪ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে যারা যারা মেলায় গিয়েছেন, কিংবা ফিরে এসেছেন, তাদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। যারা যারা তাদের নাম নথিভুক্ত করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয়, মেলা থেকে ফিরে আসার পর প্রত্যেককে অন্তত ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। কেউ নিজের তথ্য গোপন করে ধরা পড়লে, তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং মোটা টাকা জরিমানা নেওয়া হবে। তাদেরকে ১৪ দিনের জন্য সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠিয়ে দেবেন জেলাশাসক।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত হলেন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু

2021 Kumbh Mela, Kumbh Mela 2021 in Haridwar, Kumbh mela to be 48 day long  event, Kumbh mela notification by Feb end | India News – India TV

ইতিমধ্যেই কুম্ভমেলা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। মেলা শুরু হতেই সেখানে পূণ্যর্থীদের মাস্ক পরা কিংবা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, এসব কোনও কিছুই দেখা যায়নি। তার ফলে কুম্ভমেলাকে কেন্দ্র করে এদেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে কুম্ভমেলা বন্ধ রাখার দাবি জানান শ্রী পঞ্চ দশনম জুনা আখড়ার প্রধান স্বামী অভদেশানন্দ গিরি। ওই একই দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *