সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতাকে আক্রমণের জেরে কঙ্গনার বিরুদ্ধে বিধাননগর থানায় দায়ের অভিযোগ

Mysepik Webdesk: সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নজিরবিহীন কুরুচিকর আক্রমণ করার জেরে বন্ধ হয়েছে টুইটার অ্যাকাউন্ট। তাতেও থেমে থাকেনি। এবার কলকাতার বিধাননগর থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের হল অভিযোগ। অভিযোগ দায়ের করেছেন ঋজু দত্ত নামে এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ, কঙ্গনার মতো একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর আক্রমণ করেছেন যার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সেই কারণেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেতা।

আরও পড়ুন: অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়

গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফলাফল বেরনোর পর তৃণমূল কংগ্রেস নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতায় ফের সরকারে এসেছে। ২১৪টি আসন পেয়ে দলের জয় সুনিশ্চিত করেছে ঘাসফুল শিবির। অন্যদিকে বিজেপির আসন সংখ্যা মাত্র ৭৬। ভোটের এই ফলাফল দেখে টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুরু করেন কঙ্গনা। তিনি টুইটারে লেখেন, “বাংলাদেশী আর রোহিঙ্গারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি। ট্রেন্ড দেখে মনে হচ্ছে, সেখানে হিন্দুরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নেই। বাংলার মুসলিমরা সবচেয়ে গরীব আর বঞ্চিত। ভাল, আরও একটা কাশ্মীর তৈরি হতে চলেছে।”

আরও পড়ুন: ডাক্তারদের ‘শয়তান’, ‘চোর’ বলায় এফআইআর দায়ের কমেডিয়ান সুনীল পালের বিরুদ্ধে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও তিনি তাঁকে কটাক্ষ করে লেখেন, “২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঘিনীর মতই লড়াই করেছেন বিধানসভা নির্বাচনে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হেলিকপ্টার নামতে দেননি। সিএএ, এনআরসি আটকে দিয়েছেন। মোদিকে খেলায় আহ্বান করেছেন। খোলাখুলি শরণার্থীদেরও আশ্রয় দিয়েছেন, তাঁদের ভোটার কার্ড দিয়েছেন। গণতন্ত্র নিয়ে রসিকতা করেছেন। তবু আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্যালুট জানাচ্ছি। কারণ যদি ভিলেন হতেই হয় তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হন। রাবণের মত লড়াই করুন। রাহুল গাঁন্ধির মতো গোগো না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ী হওয়াই উচিত।” এই ধরণের মন্তব্য পোস্ট করার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *