দিল্লিতে অলিম্পিকে রুপোজয়ী রবি দাহিয়ার নামে বিদ্যালয়

Ravi Dahiya

Mysepik Webdesk: টোকিও অলিম্পিকে রুপোর পদক জয়ী রবি দাহিয়াকে বিশেষ এক সম্মান জানাল দিল্লি সরকার। দিল্লির আদর্শ নগরের সরকারি শিশু বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘রবি দাহিয়া বাল বিদ্যালয়’ করা হয়েছে। রবি দহিয়া দিল্লির এই সরকারি স্কুলেই পড়াশোনা করেছেন।

আরও পড়ুন: এফসি কাপ: মরশুমের শুরুতেই জয় পেল সবুজ মেরুন ব্রিগেড

দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বলেন, “দিল্লির সরকারি স্কুলে পড়েছিলেন রবি দাহিয়া। কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের যুব আইকন হয়ে উঠেছে তিনি।” অন্যদিকে রবি দাহিয়া বলছেন যে, “দিল্লি সরকার আর্থিকভাবে খুবই সাহায্য করেছে। তাই নিশ্চিন্ত মনে খেলার প্রতি মনোনিবেশ করতে পেরেছিলাম। করোনার সময়, এমনকী যখন সর্বত্র লকডাউন ছিল, তখনও দিল্লি সরকার আমার ট্রেনিং বন্ধ করতে দেয়নি।” উল্লেখ্য যে, মিশন এক্সিলেন্সের অধীনে ট্রেনিংয়ের সময় রবি দাহিয়াকে প্রশিক্ষণ, কোচ এবং অন্যান্য ক্রীড়া সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করেছিল দিল্লি সরকার।

আরও পড়ুন: অলিম্পিক শেষ, অলিম্পিক চলছে: শিশু চিকিৎসার প্রয়োজনে নিলাম অলিম্পিক মেডেল

আদর্শ নগরের এই স্কুলে রবি দাহিয়ার একটি বড় ছবিও রাখা হবে, যাতে শিশুরা তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়। মণীশ সিসোদিয়া বলেন, “দিল্লি সরকার রাজধানীতে খেলাধুলার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার খেলাধুলার জন্য আলাদা স্কুল অফ স্পেশালাইজড এক্সিলেন্স এবং স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি চালু করতে চলেছে। এর উদ্দেশ্য হবে প্রাথমিক পর্যায় থেকে খেলোয়াড়দের ট্যালেন্টকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের বিশ্বমানের ট্রেনিং দিয়ে অলিম্পিকের জন্য প্রস্তুত করা। এই স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুরু হবে আগামী বছর থেকে।”

খেলাধুলায় ভালো পারফর্ম করা খেলোয়াড়দের সাহায্য করার জন্য দিল্লি সরকার ৩টি লেভেলে একটি স্কিম শুরু করেছে। প্রথম লেভেলে ১৪ বছর পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ২ লাখ, দ্বিতীয় লেভেলে ১৭ বছর পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ৩ লাখ এবং তৃতীয় লেভেলে ট্রেনিংয়ের সময় ১৭ বছরের বেশি বয়সি খেলোয়াড়দের জন্য ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত স্কিম রয়েছে। দিল্লি সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে, যাতে খেলোয়াড়রা সেরা প্রশিক্ষণ নিতে পারে। মিশন এক্সিলেন্সের লক্ষ্য হল, খেলোয়াড়দের ট্রেনিংয়ের সময় তাদের সাহায্য করা এবং পদক জেতার যোগ্য করে তোলা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *