দক্ষিণ কলকাতার পর এবার বারাসাতে ধৃত আরও এক জেএমবি জঙ্গি

Mysepik Webdesk: দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরের পর এবার বারাসাত থেকে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে ধৃত আরও এক জঙ্গি। বৃহস্পতিবার সকালে এসটিএফ-এর হাতে ধরা পরে ওই জঙ্গি। সূত্রের খবর, রাহুল সেন ওরফে লালু নাম ধৃত ওই ব্যক্তি মূলত সংগঠনে লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার কাজ করত। অর্থাৎ নকল পরিচয়পত্র বানানো থেকে শুরু করে টাকা পয়সার লেনদেনের মতো একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল রাহুল। জেরা করে এসটিএফ আরও জানতে পেরেছে, বাংলাদেশি জেএমবি-র সক্রিয় সদস্য ছিল সে।

আরও পড়ুন: চলতি মাসেই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, কিন্তু কেন?

সূত্রের খবর, ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ, দুটি ফোন, আইপ্যাড ও বেশ কয়েকটি জাল ভারতীয় পরিচয় পত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জেহাদি বইও মিলেছে তার আস্তানা থেকে। বাজেয়াপ্ত জিনিসপত্র তদন্তের স্বার্থে নিজেদের কাছে রেখেছে এটিএস। এটিএস-এর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রাহুলের ল্যাপটপ ঘেঁটে তাঁরা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন, যা দেখে রীতিমতো শিউরে উঠতে হয়। জানা গিয়েছে, রাহুল মূলত হুন্ডির মাধমে টাকাপয়সা লেনদেনের কাজ করত। পাশাপাশি তার ল্যাপটপ থেকে একজন কুখ্যাত বাংলাদেশি হ্যান্ডলারের হদিস পাওয়া গিয়েছে। ওই হ্যান্ডলারের নাম আনসার আলি ওরফে হৃদয়।

আরও পড়ুন: রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে গেলেন মমতা

সূত্রের খবর, মূলত স্লিপার সেল তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগানের ব্যবস্থা করতেই রাহুলই ওই তিন জঙ্গিকে কলকাতায় থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। কলকাতার কোনও এক বা একাধিক জায়গায় ডাকাতি করে টাকার ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল তারা। এই উদ্দেশ্যে কলকাতার বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক, বড় গয়নার শোরুমে ইতিমধ্যেই রেইকি শুরু করেছিল তারা। কখনও ফলওয়ালা তো আবার কখনও ছাতা সারাইওয়ালা সেজে তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াত। নাজিউরের নেতৃত্বেই তাদের ডাকাতি করার পরিকল্পনা ছিল। তার আগেই ভেস্তে গেল তাদের পরিকল্পনা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *