হিমবাহে ধসের পর নতুন এক বিপদের মুখোমুখি উত্তরাখন্ডবাসী

Mysepik Webdesk: হিমবাহে ধসের কারণে এমনিতেই বিপর্যস্ত উত্তরাখন্ড। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬ জন। অন্যদিকে নিখোঁজ রয়েছেন ২০৪ জন। শুধুমাত্র তপোবন সুড়ঙ্গে ৩০ জনের মতো আটকে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁরা আদৌ জীবিত রয়েছেন কিনা, তা জানা সম্ভব হয়নি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। এদিকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকার্য। রবিবার থেকেই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এসডিআরএফ, ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)। উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে উদ্ধারকার্যে হাত মিলিয়েছে ভারতীয় সেনাও। এর পাশাপাশি নতুন এক বিপদের সম্মুখীন হতে চলেছে উত্তরাখন্ডবাসী।

আরও পড়ুন: মোদি সরকারের কথায় ভরসা নেই, সীমান্তের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে লাদাখ যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী

Image result for lake created after glasier burst in uttrakhans

চামোলির হিমবাহে ফাটল ধরার পর প্রাকৃতিক কারণেই ঋষিগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হয়েছে একটি অস্থায়ী হ্রদ। ধীরে ধীরে ওই হ্রদের জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই জলস্তর আবার বিপদসীমা অতিক্রম করার মুখে। আর এর ফলেই চরম আতঙ্কে রয়েছেন চামোলির রাইনি গ্রামের বাসিন্দারা। কারণ, হ্রদটি ভেঙে পড়লে এলাকায় হুড়মুড়িয়ে ধেয়ে আসবে প্রবল জলরাশি, যা ভাসিয়ে নিয়ে যাবে গোটা এলাকা। জলের তোড়ে ভেঙে পড়বে ঘরবাড়ি। তবে উত্তরাখন্ড সরকারের দাবি, হ্রদটির থেকে একটু একটু করে জল নির্গত হচ্ছে। ফলে আচমকা সেটি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুর বাজি কারখানায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯

Image result for lake created after glasier burst in uttrakhans

আপাতত সরকারের তরফ থেকে হ্রদটির ওপর কড়া নজর রাখার ব্যবস্থা কড়া হয়েছে। ড্রোন দিয়ে হ্রদের ওপর চলছে নজরদারি। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং এই নিয়ে সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তিনি জানান, শীঘ্রই DRDO-র বিজ্ঞানীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। তাঁদের পরামর্শ মতো পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত ওই অস্থায়ী হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত সেটি এবং সেটি প্রায় ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *