নবান্ন অভিযানে ছাত্র যুবদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে

Mysepik Webdesk: বাম ছাত্র যুবদের বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার ডোরিনা ক্রসিং। ছাত্র যুবদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত হন আন্দোলনকারীদের একাংশ। জল কামানের জলের তোড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। পুলিশ-ছাত্রদের গোলমালের মাঝে পড়ে গুরুতর আহত হন এক সাধারণ পথচারীও। বাম ছাত্র যুবদের এই কর্মসূচি ঘিরে এই মুহূর্তে উত্তাল শহর কলকাতা। পুলিশের লাঠিচার্জে একাধিক আন্দোলনকারী গুরুতর জখম হন। কারও মাথা ফাটে, কেউ পায়ে গুরুতর চোট পান। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স না থাকার অভিযোগ ওঠে। কোনও মহিলা পুলিশ কর্মীও ছিল না বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: বামেদের নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড, গ্রেফতার ১০

আহতদের ভ্যানে কিংবা মোটর বাইকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা যায়। জানা যাচ্ছে, এসএসকেএম ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাঁদের। আন্দোলনকারীদের দাবি, শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের উপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধর করা হয়। মহিলা পুলিশ ছাড়াই মেয়েদের উপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। জল কামানের জলের তোড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন একাধিক আন্দোলনকারী। একজন শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ চুল ধরে টানে, বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: ভাড়া করা সৈন্য দিয়ে যেমন যুদ্ধ জয় করা যায় না, তেমনি টাকা টাকা ছড়িয়ে ভোটে জেতা যায় না: ফিরহাদ হাকিম

বারবার চিৎকার করা হলেও কোনওরকম অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়নি। কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল ছিল শান্তিপূর্ণই। মিছিল এগোচ্ছিল নির্দিষ্ট পথেই। ডোরিনা ক্রসিংয়ে মিছিল আসতেই পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। ছাত্রদের তরফে পুলিশকে মিষ্টি, স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হলেও পাল্টা পুলিশ জল কামান ছুড়তে শুরু করে। এরপর একে একে চালানো হয় টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ। মাথায় লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন।সকাল থেকেই হাওড়া, শিয়ালদহে জমায়েত শুরু হয়। গোটা কলকাতাকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলে লালবাজারের পুলিশ। এরইমধ্যে ডিওয়াইএফআইয়ের কয়েকজন সদস্য নবান্নের মূল ফটকে সংগঠনের পতাকা লাগাতে গেলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। আটক করা হয় দশজনকে।

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *