ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে আন্টার্কটিকা, সতর্ক বিজ্ঞানীদের

Mysepik Webdesk: পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণে অবস্থিত আন্টার্কটিকা মহাদেশ। ঘন, পুরু বরফে ঘেরা এই অঞ্চলের চারপাশে সমুদ্র। জনমানবহীন এই অঞ্চলে কোনও মানুষের বসবাস নেই। শুধুমাত্র বিজ্ঞানীদের গবেষণার জন্য সেখানে বানানো হয়েছে বেশকিছু বসতি। দেশ-বিদেশ থেকে বিজ্ঞানী বা গবেষকরা এখানে আসেন গবেষণা করতে। আবার গবেষণার শেষে ফিরে যান নিজেদের দেশে। তবে শুধুমাত্র গবেষণায় নয়, পর্যটকদের ভ্রমণস্থল হিসেবেও আন্টার্কটিকা মহাদেশ যথেষ্ট জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন: মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের প্রাণ ব্রজ রায়

‘আন্টার্কটিক ট্রিটি সিস্টেম’ নামে এই মহাদেশের একটি নীতি আছে। এই বিলটি ১৯৫৯ সালে স্বাক্ষর করা হয়েছে। ৩৮টি দেশের স্বাক্ষর করা এই বিল অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, চিলি আর আর্জেন্টিনার বাসিন্দাদের এই মহাদেশে ভ্রমণের কোনও অনুমতি লাগে না। আন্টার্কটিকায় পেঙ্গুইনদের রাজত্ব চলে। এছাড়াও এখানে সিল, তিমি আর অনেক ধরনের সামুদ্রিক পাখি দেখতে পাওয়া যায়। বিশ্বের ৯০ শতাংশ বরফ এই মহাদেশেই পাওয়া যায়। শীতের মরসুমে এখানকার তাপমাত্রা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়।

আরও পড়ুন: রিভিউ অপশন চালু টুইটারে

তবে বিজ্ঞানীরা এই মহাদেশ নিয়ে বর্তমানে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে এই অঞ্চলের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিবছর আশঙ্কাজনকহারে কমছে এই দুই মেরু অঞ্চলের বরফ। বরফের স্বচ্ছ স্তর পৃথিবীতে আসা সূর্য রশ্মির ৫০ থেকে ৭০ শতাংশই মহাশূন্যে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু উপরিভাগের বরফ গলায় সমুদ্রের নিচে অন্ধকার অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে তাপমাত্রা। বিজ্ঞানীদের দাবি, বরফ গলার জন্য সমুদ্রের স্রোতে পরিবর্তন আসছে। বিশ্বের তাপমাত্রা যদি এই হারেই বাড়তে থাকে, তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ এই দুই অঞ্চলের বরফ প্রায় সম্পূর্ণই গলে যাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *