ইয়াসের প্রভাবে বানভাসি কাকদ্বীপ, বাঁধ ভেঙে গোটা এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা

Mysepik Webdesk: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সমুদ্রের ঢেউয়ের যে উচ্চতা বাড়বে, সেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। তাঁর ওপর মঙ্গলবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির প্রভাবও বাড়তে থাকে। সঙ্গে বুদ্ধ পূর্ণিমার ভরা কোটাল এবং পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণও ছিল। এই তিনের কারণে প্রবল জলোচ্ছ্বাস লক্ষ করা গিয়েছে। এরফলে হু-হু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলে। গোটা দিঘা শহরটাকেই মনে হচ্ছে সমুদ্র। মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভেসে যাচ্ছে সেই জলের তোড়ে।

আরও পড়ুন: ইয়াস মোকাবিলায় সোনারপুর মহাবিদ্যালয়ে আপৎকালীন ত্রাণশিবির

দিঘা ছাড়াও মন্দারমণি, ফ্রেজারগঞ্জ, শঙ্করপুর সহ বিভিন্ন গ্রামেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। তাছাড়াও পূর্ণিমার ভরা কোটালে জলোচ্ছ্বাসের চেহারা ভয়ানক আকার ধারণ করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে। এলাকার দোকানপাট বন্ধ। তবে বন্ধ শাটারের মধ্যে দিয়ে দোকানে প্রবেশ করছে জল। পাকা বাড়ির এক তলায় ঢুকে পড়েছে জল। টালির কাঁচা বাড়ির তো বালাই-ই নেই। সবমিলিয়ে বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে এলাকায়। স্থানীয়রা আশঙ্কিত। একে করোনা পরিস্থিতি। তার ওপর ইয়াস। তাঁরা জীবনযাপন কীভাবে সুস্থভাবে করবে, তা ভেবে উৎকণ্ঠায়।

আরও পড়ুন: ইয়াসের প্রভাবে জলে ভাসছে দিঘা, বন্যার আশঙ্কা পশ্চিমবঙ্গে

সূত্রের খবর, কাকদ্বীপে নদীবাঁধের সমান সমান জলস্তর উঠে গিয়েছে। ফলে যেকোনও সময়ে বাঁধ ভেঙে পড়তে পারে। এমনই আশঙ্কা। তাছাড়াও গঙ্গাসাগর, রায়দিঘি, জি প্লট সহ বহু এলাকায় সমুদ্রে জলস্তর বাড়ায় প্লাবিত। তার ওপর মুড়িগঙ্গার বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে, যার ফলে এলাকায় হু-হু জল ঢুকছে। আশঙ্কা এভাবে নোনা জল ঢুকলে প্লাবিত হতে পারে গোটা এলাকা। নোনাজল ঢোকায় অন্য রোগ ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

আরও পড়ুন: নিরাপত্তা বড় বালাই: ব্যবস্থা এবং খরচা জোগাতে হিমশিম এমএলএ চন্দনা বাউড়ির

ভিডিও: নিজস্ব

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *