ব্যবহৃত মাস্ক দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিছানার তোষক! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

used mask

Mysepik Webdesk: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে ভারতে। প্রতিদিন অন্তত দেড় লক্ষর বেশি মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন এই রোগে। ইতিমধ্যেই দেশের বেশ কিছু শহরে শুরু হয়ে গিয়েছে নাইট কার্ফু। আর তারই মধ্যে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, জঞ্জালে ফেলে দেওয়া ব্যবহৃত মাস্ক সংগ্রহ করে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সেই ব্যবহৃত মাস্ক দিয়েই তৈরি করছে বিছানার তোষক। শুধু তাই নয়, তৈরি হওয়ার পর সেই তোশক রীতিমতো ব্যবসায়িক কায়দায় প্যাকিং হয়ে চলে যাচ্ছে ভিন্ন রাজ্যে, পৌঁছে যাচ্ছে ছোট বড়ো বিভিন্ন দোকানে। কিছু না বুঝে মানুষজনও সেই তোশক কিনে আনছেন বাজার থেকে।

আরও পড়ুন: দেশ জুড়ে মহিলাদের উন্নয়ন কর্মসূচি আটকে গিয়েছে বাংলায়, কল্যাণীর সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি

সম্প্রতি এরকমই একটি খবর প্রকাশ্যে আসে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুম্বই থেকে ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলার পুলিশ ঐরকমই একটি কারখানায় হানা দিয়ে গ্রেফতার করে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে। পাশাপাশি ওই কারখানার মালিক আমজাদ আলি মনসুরিকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কিনা তার তল্লাশি করছে পুলিশ। পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত গোয়ালি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন থানার পুলিশ যখন কুসুম্ব গ্রামের ওই কারখানায় হানা দেয়, তখন ওই কারখানায় জোরকদমে ব্যবহৃত মাস্ক দিয়ে তোষক তৈরির কাজ চলছিল।

আরও পড়ুন: দেশের সুপ্রিম কোর্টে করোনার খাবা, আক্রান্ত ৫০ শতাংশ কর্মী

সূত্রের খবর, বেআইনি ওই কারখানার মাল বাজেয়াপ্ত করার পর করোনাবিধি মেনে তৎক্ষণাৎ ওই ব্যবহৃত মাস্ক দ্বারা তৈরি তোশক আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কারখানার মালিক আলি মনসুরি তার অপরাধ স্বীকার করেছে। পুলিশের কাছে আমজাদ জানিয়েছে, কিছু বেশি পয়সা লাভের আশায় তারা জঞ্জাল থেকে ব্যবহৃত ফেলে দেওয়া মাস্ক সংগ্রহ করে তোষকের মধ্যে কম তুলো দিয়ে সেই জায়গায় ব্যবহৃত মাস্ক ভোরে দিত কারখানার কর্মীরা। তোশক তৈরি হয়ে যাওয়ার পর তা প্যাকিং করে পাঠিয়ে দেওয়া হতো দোকানগুলিতে বিক্রির জন্য।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *