বারমুডার অলিম্পিক জয়ী ফ্লোরা ডাফি: বাষট্টি হাজার মানুষের স্বপ্ন জয়ের কারিগর

Mysepik Webdesk: ট্রায়াথলিট ফ্লোরা ডাফি ইতিহাস তৈরি করেছেন। তিনি তাঁর দেশ বারমুডার হয়ে অলিম্পিকে প্রথম স্বর্ণপদক জিতেছেন। ৩৩ বছর বয়সি অ্যাথলেট ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে রেস শেষ করেছিলেন। তিনি এক মিনিটের ব্যবধানে ব্রিটেনের জর্জিয়া টেলর-ব্রাউনকে হারিয়েছেন। একইসঙ্গে এই দেশে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন আমেরিকান অ্যাথলেট ক্যাটি জাফার্স। উল্লেখ্য যে, টোকিওতে গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে ফিল্ড পিচ্ছিল ছিল। এই কারণে ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হয়েছিল রেস।

আরও পড়ুন: পদক জয়ের লক্ষ্যে আরও একধাপ উত্থান, কোয়ার্টার ফাইনালে সিন্ধু

ফ্লোরার এই সাফল্য বারমুডাকে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জেতা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসাবে পরিচিতি দিয়েছে। এই দ্বীপপুঞ্জের জনসংখ্যা মাত্র ৬২,০৩২ জন। জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ফ্লোরা বলেন যে, “আমি শুধু আমার স্বর্ণপদক নয়, দেশের জন্য প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদক জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেছি। এটি আমার ব্যক্তিগত কৃতিত্বের চেয়েও বড়। এবং যা সত্যিই একটি বড় মুহূর্ত। আমার জীবনের সবচেয়ে লম্বা কিমি রেস ছিল এটি।” ফ্লোরা আরও বলেন, “আমি মনে করি আমাকে সারাজীবন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন বলা হবে।” প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, বারমুডার হয়ে সর্বশেষ অলিম্পিক মেডেল জিতেছিলেন বক্সার ক্লেয়ারেন্স হিল। তিনি ১৯৭৬-এর মন্ট্রিয়ল অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।

আরও পড়ুন: হকি: গতবারের সোনাজয়ী আর্জেন্টিনাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ভারত

ফ্লোরা ডাফির পক্ষে এটি অনবদ্য প্রত্যাবর্তন ছিল। ২০১৩ সালে চোট এবং রক্তাল্পতা কাটিয়ে তিনি ফিরে আসেন। এর আগে অবশ্য জীবনের চরম কঠিন মুহূর্তের মোকাবিলা করতে হয় বারমুডার এই অ্যাথলেটকে। ২০০৮ সালে খেলাও পর্যন্ত ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় একটি দোকানে পেটের তাগিদে কাজ শুরু করেছিলেন ফ্লোরা। পাশাপাশি তিনি ডিগ্রি অর্জনের জন্য পড়াশোনাও করেছেন। তবে খেলার প্রতি ভালোবাসা তাঁকে আবার ফেরত এনেছিল।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *