শিকড়ের খোঁজে

পার্থ কর
সহ-লেখিকা পম্পা গোস্বামী

যে সূত্র থেকে এইসব প্রাপ্তি, তার মূল নিশ্চিতভাবে জুড়ে আছে অন্তঃমধ্য বাংলার সময়কালে। জীবদ্দশায় দেখতে পাওয়া সেই শৃঙ্খলের সবচেয়ে প্রাচীন ছিলেন আমাদের এই পাঁচী বুড়ি, ওরফে পঞ্চমী গোলদার। কিন্তু তাঁরও ‘গুরু’ ছিলেন। তিনি হলেন তাঁর সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় জ্ঞানদা বুড়ি। শোনা যায়, তিনি ছিলেন বালবিধবা। গান শেখাতে নিজেই চলে আসতেন যশোরের সেই বড় কুলি গ্রামের গোলদার বাড়িতে।

পঞ্চমী গোলদারের বড় ছেলে নির্মল গোলদার মহাশয় এখন এপারে স্থিতু, ষাটোর্ধ্ব এবং তাঁর স্মৃতিতে এখনও সব উজ্জ্বল হয়ে আছে। তাঁর মাকে যখন তিনি গান শিখতে দেখেছেন, তখনই জ্ঞানদা বুড়ি সত্তরোর্ধ্ব, এক মাথা সাদা চুল ভর্তি ছিল তাঁর। জানা গেছে, জ্ঞানাদা বুড়ি নিজে তাঁর ছোটবেলা থেকেই গান, পালা… এইসব শিখেছেন। তিনি বারবার বলতেন, “এইসব একটু শিখেনে তুরা, কোত্তাও কিছু কিন্তু লিকা নেই। আমি না থাকলি তুরা গাবি।”

আরও পড়ুন: সেইসব স্মৃতিধর

ছবি শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ

সেই একই সুর শোনা গেছে পাঁচী বুড়ির গলাতেও। তাঁর থেকে শিখে নিয়েছেন কয়েকজন। কিন্তু সব কি শেখা যায়? সব কি মনে থাকে— যেখানে প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরক্ষর, যেখানে একটা শব্দও কোনও কাগজে লেখা নেই, ভুলে গেলে উদ্ধার করার মানুষটিও তাঁদের ভাষায় ‘ভারাপ্পন’ দিয়ে চিরতরে চলে গেছেন। তাই কোনওভাবেই সবকিছু উদ্ধার করা আজ অসম্ভব।

যে লেখাটি ধারাবাহিকভাবে শুরু করেছি, তা হাতে লিখে প্রমাণ মাপের পাতায় পাতা ষাটেক হয়েছে— যা সম্পূর্ণ স্মৃতি থেকে গেয়ে শুনিয়েছেন আজকের টিকে থাকা স্মৃতিধর নমিতা গাইন। কিন্তু তাঁর প্রশ্ন, তিনি কাকে শেখাবেন? কাদের বলে রাখবেন― “তুরা শিখেনে, আমি না থাকতি তুদের পরে ভারাপ্পন থাকল এই পালাগানের”… আজকাল কেউ এসবে আগ্রহী নয়। পরের প্রজন্ম কিংবা তারও পরের প্রজন্ম ব্যস্ত নিজেদের পেশায়, সংসারে, অথবা অপরিমিত আয়োজনের উৎসবে।

প্রশ্ন জাগে, কী-ই বা দরকার তবে এইসব পুরনো মরচে ধরা, বাতিল হয়ে আসা ভাষায় পরিত্যক্ত জীবনধারার নিরক্ষর সরল মানুষদের ততোধিক সরল কাহিনি সংকলন ক’রে রাখার? আসলে জীবন ও তার উৎসের আদিম সুর আমাদের রক্তে বাজে। সময়ে ধীরে ধীরে তার আঙ্গিক, বিন্যাস ও রূপ পাল্টাতে পারে, কিন্তু গঠন— তা জেনেটিক কোডের মতোই ধ্রুবক। সেখানে কেবল বিবর্তন চলতে পারে। মানুষ ফিরে ফিরে আসে তার উৎসের কাছে।অনাগত দিনেও সে অন্যান্য বিবর্তনের মতো ভাষা-সংস্কৃতি বিবর্তনের ইতিহাসের হলুদ মলাটের কাছে ফিরে যাবে, যাবেই।

আরও পড়ুন: বিরহড়দের কাহিনি: পুরাকথায়, গানে

এবার মুল আলোচনায় ফেরা যাক। গতদিনের প্রথম পর্বে বন্দনাগীত অংশে একটি শব্দ ছিল ‘বিষলায়’। বলা দরকার, এই শব্দটি একেবারেই অনাভিধানিক। কথকের সঙ্গে আলোচনা ক’রে যা বুঝতে পারলাম তা হল— শব্দটি এসেছে ‘বিষল’ ও ‘বিষলা’ থেকে।যেমন ধরুন ‘মেঘল’ ও ‘মেঘলা’। ‘মেঘলা’র সঙ্গে ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে মেঘলায় হয়। তেমনই ‘বিষলায়’, যার অর্থ বিষলাকে। ভাষারীতিতে শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি জুড়লে তা ‘য়’ হয়ে যায়। যেমন, মা+এ= মায়ে। এখানেও বিষলার ক্ষেত্রেও একই, কেবল অন্ত-স্বরলোপ ঘটেছে।

গৌণ কর্মকারকে ব্যক্তিবাচক পদে সাধারণত ‘কে’ বা ‘রে’ বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন— সে আমাকে/রে একটা বই দিয়েছে। ‘বিষলায়’-এর ক্ষেত্রে শব্দটি একাধারে ব্যক্তিবাচক ও প্রাণীবাচক। কারণ, বিষলা এখানে একদিকে দেবী মা মনসারূপী এবং অপরদিকে প্রাণীবাচক সর্পরূপীও বটে। বাক্যে বিষলাকে ঘা দেওয়ার কথা এইজন্য বলা হয়েছে যে, কাহিনির কেন্দ্রই হল মা মনসাকে মানসিক আঘাত দেওয়া— যা থেকে এত বড় কাহিনির জন্ম। তাই বন্দনাগীতের শুরুতেই সেই আক্ষেপ কথকের, ভাটের, কবির, তথা আজন্ম সংস্কারে বিশ্বাসী মা মনসার ভক্ত একজন ছা-পোষা পারিবারিক মানুষের।

ব্যক্তিবাচক গৌণ কর্মে ‘কে’ ও ‘রে’ বিভক্তির বদলে ‘য়’ বিভক্তির প্রয়োগ ভাষার মধ্যযুগীয় যোগসূত্র প্রমাণ করে। যেমন ‘আমায়’। তাছাড়া ‘বিষলাকে’-র বদলে ‘বিষলায়’ লিখে ছন্দের পিঠ বাঁচানোর চেষ্টাও লক্ষণীয়। প্রতিটি ছত্রের এমন ভাষাতাত্ত্বিক ও ছন্দবন্ধনের আলোচনা করার অবকাশ ও প্রয়োজন কোনওটাই নেই। প্রাথমিক এই আলোচনাটা তার একটা ছাঁদ (মডেল) হিসেবে রইল। বিভিন্ন পর্বে মাঝেমাঝে তা করা যাবে।

আরও পড়ুন: চূর্ণী নদীর তীরে…

নিজ বাড়িতে আপনমনে কথক নমিতা গাইন

গীতিকার সময়ে অন্তমধ্য বাংলার যে সময়কাল চলছিল, তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য— পদের শেষে একক ব্যঞ্জনের অন্তে ‘অ’ ধ্বনির লোপ। কিন্তু এই নিয়মের ব্যতিক্রম থাকাটাই বেশি ক’রে প্রমাণ করে যে, এটি সেই যুগেরই। কারণ, তখন সদ্য এই ধ্বনিলোপ ঘটেছে, তাই কিছু ক্ষেত্রে ‘অ’ ধ্বনির থেকে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক। নইলে অ-ধ্বনিলোপ তো এখনকার বাংলারও বৈশিষ্ট্য।

পাঠক, বন্দনাগীতটির প্রথম বাক্যে যে ‘বন্দন’ শব্দটি, তা আসলে ‘বন্দনঅ’, মানে বন্দনা করা। মাইকেলের হাতে যা হয়েছিল ‘বন্দি’।
রূপতাত্ত্বিক আরেকটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য উল্লেখ ক’রে এই আলোচনা শেষ করব। এই বন্দনাগীতের যে ‘ধুয়ো’ অংশটি— “আমি কার আগে বন্দন গাবো গো”… এই ‘আগে’ মানে কিন্তু পূর্বে নয়, সামনে। সেই যে, “বিলাপ করেন রাম লক্ষ্মণের আগে” প’ড়ে ভাবতাম, রাম লক্ষণকে বলছেন, “ভাই তুই থাম, আমি আগে বিলাপ করে নিই, তারপর তুই করবি।” পরে জানা গেল তা নয়। আগে মানে সামনে। এটাও ভাষার প্রাচীনত্বের এক রূপতাত্ত্বিক প্রমাণ।

বন্দনার পরেই এ পালায় রয়েছে সন্ধ্যাপূজার একটি গান এবং তারপরই রয়েছে দিক্‌-বন্দনা, যা তৎকালীন প্রায় সমস্ত লোকগান, পালা বা এই জাতীয় গানের পূর্বে দেখা যায়।

যাইহোক, এরপর থেকে প্রতি পর্বে মূলগীতের একটি ক’রে অংশে থাকছেই। সে-সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে তার কিছু শব্দের অর্থ বা মূলভাব। যেহেতু সমগ্র পালাটিকে একেবারেই নির্ভেজাল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা আমরা করছি, সেক্ষেত্রে এর বহু শব্দের অর্থ বা ভাব বোঝা কষ্টসাধ্য হতে পারে। ফলত এই উদ্যোগ।

আরও পড়ুন: গামছার গান

যশোরের নিকটবর্তী আরেকটি নদী রূপসা। ছবি শহীদুল ইসলাম

•→ পালাগানের দ্বিতীয় অংশ সন্ধ্যাপূজা (এটিকেও বন্দনাগীত বললে খুব ভুল বলা হবে না)

বৃন্দাবনে সন্ধেপুজো, ও তা দেখলে নয়ন ঝরে গো, কেলে মেয়ে রণে যে যেছে।
ওই আসতেছে আতসের ভরা গো, ও তা দেখলে নয়ন ঝরে গো,
কেলে মেয়ে রণে যে যেছে।
ও আসতেছে দুধের ভরা গো, ও তা দেখলে নয়ন ঝরে গো,
কেল মেয়ে রণে যে যেছে।
ওই আসতেছে রুম্বা(কলা)র ভরা গো, ও তা দেখলে নয়ন ঝরে গো,
কেলে মেয়ে রণে যে যেছে।
ওই আসতেছে ফুলের ভরা গো, ও তা দেখলে… (একই)
বৃন্দাবনে সন্ধেপুজো গো, ও তা… (একই)
ওই আসতেছে তুলসীর ভরা গো, ও তা দেখলে… (একই)
ওই আসতেছে দুব্বোর ভরা গো, ও তা দেখলে… (একই)
ওই আসতেছে পুজোর ভরা গো, ও তা দেখলে… (একই)
বৃন্দাবনে সন্ধেপুজো… (একই)

প্রথমেই বলে রাখা ভালো, এই ধরনের গীতে বা পালায় কেবল কেন্দ্রীয় দেব/দেবীকেই যে বন্দনা করা হয়, তা কিন্তু নয়। একই রকম অন্যান্য দেবদেবীর বন্দনাগীতও রয়েছে। উপরিল্লিখিত সন্ধ্যাপূজার গানটি ‘কেলে মেয়ে’, অর্থাৎ কালী মায়ের বন্দনা। তবে বন্দনাগীতের সংখ্যা বাড়ানোর আরও একটি উদ্দেশ্য এইসব পালাগান সাধারণত এক-এক জায়গাতেই সাত-আট দিন ধরে চলত। তাই প্রতিদিন আসর বসার শুরুতে একটি ক’রে বন্দনাগীতের প্রয়োজন হত তাঁদের। কারণ, সেটাই নিয়ম।

সন্ধিপুজোর গানে এই যে “বৃন্দাবনে সন্ধে পুজো”— ‘বৃন্দাবন’ (বৃন্দা অর্থ তুলসী ও বন অর্থ অরণ্য)— এ কিন্তু মথুরা-বৃন্দাবন নয়। ধর্মীয় ঐতিহ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘নয়ন ঝরে’ বলতে একইসঙ্গে মুগ্ধ হওয়া ও অশ্রুপাত বোঝানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সূর্যাস্তের দেশে

পূর্বেই উল্লিখিত যে, এখানে এই সন্ধেপুজোতে কেলে মেয়ে, অর্থাৎ কালী মায়ের বন্দনা করা হয়েছে, এবং মাকে রণে অর্থাৎ যুদ্ধে যাবার আগের রূপে দেখা গেছে। প্রসঙ্গত, এই গীতে ‘যেছে’ ক্রিয়াপদটি আসলে যাচ্ছে বা যাইছে (যশোরীয়)-র লৌকিক রূপভেদ। একই কথা ‘আসতেছে’ শব্দের ক্ষেত্রেও বলা যায়। এটি আসিতেছে-র অপিনিহিতির লৌকিক অপভ্রংশ রূপ। তবে শেষের দিকে কয়েকটি লাইনে অভিশ্রুতির লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। যেমন, ‘আসছে’।

যাই হোক, কেলে মেয়ে বা কালী মায়ের এই গীতে তাঁকে সাজানোর জন্য আতস অর্থাৎ রেশমি কাপড়, দুধ, রুম্বা অর্থাৎ কলা, ফুল, তুলসী, দুব্বো (দুর্বার লৌকিক রূপ, যা আজও প্রচলিত) প্রভৃতির ভরা, অর্থাৎ থালা বা ডালি জাতীয় কিছুতে সাজিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব পুজোর খুঁটিনাটি উপকরণ আসলে এই লেখা বা গীতের উপরি পাওনা। গীতের এই অংশেও ধুয়োর (আগের পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে) প্রাচুর্য লক্ষণীয়।

সন্ধেপুজোর পর এবার পালা ‘দিক বন্দনা’র। প্রসঙ্গত বলে রাখি, পূর্ববঙ্গ গীতিকার সঙ্গে এই পালার বিশেষ মিল হল এই দিক্‌-বন্দনা। একেবারেই গেঁয়ো লৌকিক এ পালায় দিক্‌-বন্দনার মতো সাহিত্যগুণে ভরা এই বিশেষ দিকটি তো না-ই থাকতে পারত। আর এখানেই আমাদের এই সম্পদ খুঁড়ে আনার সার্থকতা।

এই গীত ধ’রে এগোতে এগোতে এরকম আরও কত লুকিয়ে থাকা বিষয় খুঁজে পাব আমরা, কে জানে।

কথকের গাঁ, বাজিতপুর

দিক্‌-বন্দনা

পুবেতে বন্দনা করি উদয় ভানু চরণ গো।
জয় জয় মা মনসা, জয় বিষহরি গো।
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
উত্তরে বন্দনা করি হিমেলা পর্বতে গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
পশ্চিমে বন্দনা করি ঠাকুর জগন্নাথে গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
দক্ষিণে বন্দনা করি গঙ্গা-ভগীরথে গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
তারপরে বন্দনা করি আমি গুরুদেবের চরণ গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
তারপরে বন্দনা করি আমি পতিদেবতা চরণ গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
স্বর্গতে বন্দনা করি আমি দেবগণের চরণ গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
পাতালে বন্দনা করি আমি বাসুদেবের চরণ গো,
বন্দনা করিলাম আমি জয় বিষহরি।
শুনো শুনো পবন নন্দন, রইল তোমার নিমন্ত্রণ
যখনই ডাকিবো আমি রইল তোমার নিমন্ত্রণ।
জয় জয় মা মনসা, জয় বিষহরি গো।।

বন্দনাগীতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই দিক বন্দনা। তবে এখানে একটি বিশেষত্ব এই যে, দিকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কয়েকজন দেবদেবীরও বন্দনা করা হয়েছে। পূর্বের উদয়ভানু অর্থাৎ সূর্যদেব, পশ্চিমে জগন্নাথ দেব, উত্তরে হিমালয় পর্বত এবং দক্ষিণে গঙ্গা-ভগীরথ বন্দিত হয়েছেন। এতেই শেষ নয়। বন্দিত হয়েছে গুরুদেবের চরণ, ভোলেননি পতিদেবতার কথাও। এরপর স্বর্গের দেবগণের সঙ্গে পাতালের বাসুদেবকে বন্দনা করেছেন। অবশেষে পবনপুত্র হনুমানের কাছে রয়েছে নিমন্ত্রণের আব্দার— এ আবদারের কারণ নিহিত রয়েছে মূল কাহিনির একটি বিশেষ অংশে— যেখানে রয়েছে পবননন্দনের বিশেষ ভূমিকা।

দিক্‌-বন্দনার শেষে এ ধরনের পালা বা গীতে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী আরও দেবদেবীর বন্দনাগীত গাওয়া হয়ে থাকে। এ পালাতেও তার ব্যত্যয় হয়নি। তবে আমরা বন্দনাগীত হিসাবে আপাতত এই দু’টোর পরই ইতি টানছি।

ওদিকে বাংলাদেশ

জ্ঞানদা বুড়ি বা পাঁচী বুড়ির দেওয়া ‘ভারাপ্পন’-এর আসল শুরু হয়তো এখান থেকেই।

মূল পালার কাহিনি শুরু হবে আগামী পর্ব থেকে। পাঠকের জন্য রইল প্রথম কয়েকটি পঙ্‌ক্তি—

মূল পালা

আলাই ঝিঙে তুলতি রাধে রে, দংশালো কাল নাগে
ও মোর রাধে আর কে আছে?
রাধের গুণে স্বামী বলে, আনো ডেকে ওঝা রে—
ও মোর রাধে আর কে আছে?

ক্রমশ…

প্রচ্ছদ প্রশান্ত সরকার

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *