Latest News

Popular Posts

ভুল বারান্দার যুক্তাক্ষর

ভুল বারান্দার যুক্তাক্ষর

মোহসিন কবির

বিভাব কবিতা
মানুষ আড়াল হলে পড়ে থাকে স্টেশন।

তোমাকে বলিনি কোনোদিন
নিঃসঙ্গের এই অভিযান
মাধুডাঙা ছুঁয়ে এসেছিল
মসনভির মতো কিছু স্নান-
সে স্নান বিস্তৃত বহুদূর
সন্ধ্যাতীরঘেঁষা পারাপার
নিরাময় ঠোঁটে শালিকের
অসুখের ভেতর সাঁতার,
সে তীরের বহুবিধ ভাষা
ভাঙনের মুখোমুখি বসে
আমাকেও দিয়েছিল সুর
চিড় ধরা রাত্রির গা ঘেঁষে।
তুমি কি শোনোনি নীরবতা
মাধুডাঙার সে প্রতিধ্বনি
চিৎকার শুকিয়ে এলে পড়ে
নিভৃতে বেজে ওঠে তক্ষুনি,
এই ধ্বনি প্রভূত বিকেল
হেলে পড়া দুপুরের সারি
দীর্ঘ হতে হতে ক্রমশই
ঘিরে ফেলে আমাদের বাড়ি,
তোমাকে বলিনি ত্রস্ত মাঠ
মাধুডাঙার পথের গান

পেয়েছিল পাতারাও ফিরে
ম্রিয়মান গাছের সন্ধান,
এই পথ ফলসার ছায়া
চিঠির ভেতর সারাগ্রাম
দেহ কেটে কেটে সারারাত
তুলে রাখা চূর্ণ সব ঘাম।

কেন ঝাপটে ধরো ভেজা শীত
চূর্ণ করো ভ্রূণের শিকড়
তুমি কি কেবল ঝরে পড়া
ষড় এই ঋতুর ভেতর?
আমি কি বলিনি তোমাকেও
আমাদেরও আছে রোবায়েত
মাধুডাঙা থেকে নিয়ে তীর
আমাকে দিয়েছে তৃণক্ষেত।

**
তোমাকে দেখেছি বাসরুটে
হাতে স্কুলব্যাগ, পাশে ছেলে
ওদিকে যাইনি স্ব সংশয়ে
বিব্রত হাওয়ার ভিড় ঠেলে
ডুবে গেছি ফাঁপা বিশাখায়
পরগৃহিণীর উপচরে
কতদূর চলে গেলে হাওয়া
মানুষ নিজের গোর খুঁড়ে?

তবু তুমি ভোরের গোসল
শিশিরের ঝরে পড়া কাল
চিরকাল গমনের পাশে
তুলে রাখা সঘন আড়াল
কোলাহল থেকে অতিদূরে
পরাভূত ট্রেনের স্টেশন
ফোটা হয়ে গেলে কোন ফুল
মনে রেখেছে পরাগায়ন?

**
তুমিও কি প্রভূত বিকেল
শুধুই কি নদী পারাপার
যেকোনো সন্ধ্যার কাছে এসে
ঢেলে দাও সমস্ত আঁধার!

চলে গেছ কতদূর তুমি
হাওয়ায় বিলীন পাড় ঘেঁষে
মানুষ কি শুধু এক ভাষা
যেকোনো নীরবতার শ্লেষে?

তুমিই কি সমূহ বিয়োগ
জ্বলে থাকা গৃহের শ্মশান
যতবার জোড়া দিতে চাই
ভেঙে হই আবার খানখান!

**
তুমিও কি রাস্তা শেষে বাঁক
শ্রাবণের খিল আঁটা দ্বার!
কীভাবে লুকোও ক্ষতদাগ
গিলে ফেলো বারুদ চিৎকার?

নিয়ে সামান্য লজ্জার ভয়
মুছেছিলে লেহনের আঁশ,
তুমিও কি দাওনি ঠেলে ফের
অন্য কারো ক্ষেতে এই চাষ?

**
চারিদিকে ছোঁয়াচে প্রেমিক
দরজায় খিল দাও এঁটে,
বয়সিনী স্রোতের স্বভাব
তোমাকেও নিতে পারে লুটে।

লালসার ক্ষুধিত জঠর
ফেলো না নবান্নের উৎসবে
মদির রাত্রিতে কত ফুল
পণ্য হয়ে গেছে ভুল টবে।

তুমি নও নিছক প্রেমিকা
কামনায় পুড়াবে সংসার,
এখনি হৃদয় থেকে খোলো
লেগে থাকা অস্থি-মাংস-হাড়।

**
তুমি ঠিক পেয়ে গেছো স্বামী
কোনো এক নিধূয়া সংসার
এখনও কি রাতের কার্নিশে
ফিরে বিস্মৃতির অভিসার?

কখনও ফেরার ছলনায়
যদি মনে পড়ে প্রাচীনতা
তবে গেয়ে তিতিরের গান
সাঁকো করে নিও বিষণ্ণতা,
সেই সব সোহাগী বিকেল
চন্দনচর্চিত রাতের দায়;
যদি নিরাল হৃদয়ে জাগে
আমাকে ছোঁয়ার অভিপ্রায়-
তবু গেয়ো তিতিরের গান
আমিই হয়ে গেছি বিষণ্নতা!

**
তুমি কোনো প্রাসাদের চাঁদ
নৈঃশব্দ্যে খেলো দাবা,
আমি অতি সামান্য এক
ভ্রমণের পরিষেবা।

কত সহজেই সরে পড়ো
একটু লোক-লজ্জাতে,
বেনামি চিঠির মতো আমি
বিলি হই হাতে হাতে।

যেন তুমি কুসুমের ছাঁচ
মরো একটু বিষাদে,
আমি গিলে খেয়ে অভিশাপ
বেঁচে থাকি অবসাদে।

**
তোমার স্বভাব নেই জানি
স্বামীকে ঠকাবে কোনো ফাঁকে,
তবু ফুলের মৌসুম দেখে
প্রবাসী বধূকে আড় চোখে!

পাড়াময় মহিষের দিন
ঢেকে নিয়ে সমস্ত লালসা
তোমার দিকেই ছুঁড়ে মারে
পরাগায়নের লোল হিংসা-

বয়ঃসন্ধি ঋতু অনুতাপে
অনেকের পুড়ে যায় হাত,
উপনিবেশের ছোঁয়া থেকে
কীভাবে গুছিয়ে রাখো হাত?

বলে দিও স্বামীকে সেসব
সারি সারি কূটালাপসহ-
মানুষ আড়াল হলে জাগে
ধু-ধু অন্ধকার ও সন্দেহ!

**
তোমাকে দেখার পর, দেখি-
যেন কাবিননামার পাশে
তুমি ইতস্তত দস্তখত,
যেন ভাঙতে ভাঙতে কোনো নদী
বহুদূর পাড়িয়াছে পাড়,
গিলে গেছে দৃঢ়তা, পর্বত!

তোমাকে দেখার পর, দেখি-
দূরে ভেড়াদের ম্লান চোখ
যেন রাখালের তাড়া খেয়ে
রাস্তাকেই ভেবেছে বৈঠক।

তোমাকে দেখার পর, দেখি-
জীবন মেঘের মধ্যে ঢেউ
বহুদূর ওড়ার কল্পনা
কোথায় কীভাবে চলে যায়
চিরকাল ভূগোল চেনে না!

**
এমন বৃষ্টির দিন জুড়ে
বেঁধে রাখো খোঁপায় সংসার
কতটা তলিয়ে গেলে নদী
তুলে রাখে মানুষ সাঁতার?
জারুল গাছের নিচে বসে
ধুয়ে ফেলো সমস্ত ছলনা
আমাদের প্রেম হয়েছিল
কোনোদিন স্বামীকে বলো না-

তোমার স্নায়ুতে ফোটা ঋণ
পাঠিয়েছ খামে আপামর
বহুবিবাহের পথ জুড়ে
আশরীর নুয়ে পড়ে জ্বর!
ভাবো মাঠ হাওয়ার ফসল,
ভাবো কেন ভুলের মাশুল
গাছ কি জানে কস্মিনকালেও
কেন ঝরে যায় তার ফুল?

**
তোমার উঠোন ভরা শোক
পাখিদের কণ্ঠ করে নীল
টোকা দিয়ে দেখি অতীতের
দ্বার জুড়ে লেগে আছে খিল,
ভাঙে চাষি মৌসুমের ক্ষেত
বাতাসের উপযোগিতায়
আমাদের প্রেম মুছে গেছে
দীর্ঘ যোগাযোগ হীনতায়।

নিজেকে আড়াল করে ভাষা
কোথাও পেয়েছে লিপি, স্বর!
তোমার দিকেই হুইসেলেরা
ঝুঁকে আছে দিনরাত্রিভর,
শক্ত করে ধরো এ জীবন
ছিঁড়ে ফেলো কটূক্তির চোখ
বহুবিবাহের পথে ফের
তোমার আমার দেখা হোক।

**
আমার দিবস ছিলে তুমি
শস্য আর হেঁশেলের ঘ্রাণ
পানকৌড়ি উড়ে চলে গেলে
পড়ে থাকে শুধু তার স্নান,
সারথির কাছে চিরকাল
প্রেমেরও অধিক মূলধন
নুয়ে পড়া পাতার ছায়ায়
সারি সারি বান্ধবীর মন—

বোবা ঘড়িটার বুক জুড়ে
বেজে ওঠে ঘণ্টার উৎসব
একে একে বেকার আঙুল
ছেড়ে গেছে বান্ধবীরা সব—
এখন জীবন জুড়ে শুধু
ভেসে আসে ব্যাধির চালান
বান্ধবীর বিয়ে হলে বাজে
একসাথে শূন্যতা ও গান!

**
মাটির বাসর ধরে আছ
ড্রেজার মেশিন যেন মুখ
কার বাড়ি উঁচু করে ফেরো
তলদেশে ভাঙো কার বুক?
শাড়ির পাড়ের নিচে কারা—
সারারাত ছেনে গেছে রাত
প্রবাস ফেরত স্বামী তবু
এতটুকু বুঝেনি তফাত!

পাতার ছায়ায় বিমোহিত
বিরহেরা কুসুম-কোমল
মাছ কি জানে সমুদ্র ছেঁপে
কতটুকু উপচে পড়ে জল?
হাওয়ার মিঠাই এই ঋতু
ধাতব ট্রেনের মূর্ছনায়
জীবন কখন কার দিকে
অনর্থেই হেলে পড়ে যায়!

**
আমাকে কবুল করো ভাষা
কবরের নোনা জুঁই ফুলে
কতদূর যেতে পারো তুমি
বিধবা আকাশ কাঁধে তুলে?
এই শীত জলসা চরাচর
ভেঙে বাজাও আমাকে নিজে
তুমি কি অপেক্ষা ধরাময়
ওপারের ফাঁকা কোনো ফ্রিজে?

তোমার শরীর ভাঙা ঘ্রাণ
তৃষিত ক্ষেতের উপকূল
ছিন্ন তারাদের বিপরীতে
হেঁটে যাওয়া কতটুকু ভুল?
আমাকে কবুল করো মেঘ
মরা আকাশের ধৃত ভোরে
সুতো ছিঁড়ে গেলে কোনো ঘুড়ি
একা একা আর কত ওড়ে?

**
তোমার শরীর ভরা খুন
লেগে আছে চোখের সমীপে
বিয়ের প্রসঙ্গে গিলে টোপ
উঠে গেছ কার কাল-ছিপে?
চুয়ে পড়ছে প্রভূত গরদ
ডালিম ফুলের রেণু বেয়ে
তবু তুমি ধরে আছো ঘর
দুধের শিশুর দিকে চেয়ে—

যেন এই বধির বাতাস
শিশুদের মন্ত্রপূতধ্বনি
রাত্রি একা একা মরে যায়
বিষের মাথায় ছুঁড়ে মণি!
যেন সব তীর্থ জনপদ
একা মাতৃত্বের দায়
পরিণীতা ফুলের মতোন
ফল হতে হতে ঝরে যায়!

**
এই গাঢ় গরাদের পাশে
প্রবল অঙ্কুরোদগম গম
মাটির প্রশাখা ভেঙে গেলে
কাকে দাও কামনার ওম?
অন্ধ যে পেঁপের ফাঁপা দেহ
তারই শুধু ছায়ার অভাব
পরাগায়নের ঊর্ধ্বে ফুল
পেয়েছে কি ফোটার স্বভাব?

পাখিদের বনজ সঙ্গম
কতদূর গেছে অতিকায়
নিজেকে ফোটাও এঁটোফুল
ছায়াঘন তারার পয়সায়—
এই দৃঢ় গর্ভঋতুকাল
চিহ্ন মুছে নাও উপকূলে
মানুষ লোল হিংসার নিচে
অতিশয় রসায়ন খুলে!

**
তুমি কি দেখোনি, অন্ধ মেয়ে
বহুবিধ খাঁড়ির জীবন
প্রতিধ্বনি থেকে ঝরে পড়া
প্রিয় কারো করবীর মন!
ভুলে যে পাখির ঋতুঘেঁষে
অহেতুক ছেড়েছে সংসার,
হুইসেল ফেলে রাখা জংশনে
সাজিয়েছে পথ যে জুতার,
ছেঁড়া কামিজের বুকে যেই
সেলাই করেছে নীরবতা—

তাকে দাও গাঢ় রসায়ন
সেগুন গাছের ব্যাপকতা,
তাকে দাও হেলেঞ্চা ক্ষেতের
ছায়াঘন হর্ষ-লিপি-স্বর
মানুষ ভুলের থেকে ফিরে
আরও বেশি আঁকড়ে ধরে ঘর।

**
গিয়েছ পাখির ঋতুঘেঁষে
শাড়ি জুড়ে করে চাষাবাদ
এতদিনে লিখেছ আবার
কামনার গরল প্রবাদ—
ধ্বজভঙ্গ যে স্বামী তোমার
রেখেছেন নিজেকে চুলায়
তাকে আর কি দেবে দহন
আমাদের তাতানো তাওয়ায়?

কামিজের ঢলে পড়া নদী
খেল কত ভূতুম-পেঁচাই
স্বামীকে বলেছো কোনোদিন
কয়খানে পড়েছে সেলাই?
কতখানি পিষেছ জীবন
আশ্বিনের ত্রিফলা লাঙলে
মানুষ কতটা কামনায়—
তরলী লোহার মতো গলে?

**
ফরজ দাবির মতো যেন
গলা চেপে ধরেছে আকাল
বিধবার থানেই নিচেই
ক্ষয়ে গেল তামাম বিকাল!
সারারাত খুঁটে খেল কারা—
তোমার থালায় ছিটা ধান
এখানেও সমুদ্র উত্থানে
আশরীর কেঁপে উঠছে বান!

এসো খালুই জীবন, এই
শ্যামঘন চড়ুই উৎসবে
এখানে দিবস নিভে গেছে
খাড়া দুপুরেই সেই কবে!
এখানে নুয়েছে বহুবিধ
দু’পায়ে জড়িয়ে ছেঁড়া শোক
এখানের মেঘের ভাঙা কাঁধে
অনেকের সেরেছে অসুখ।

**
তোমার ছায়ার পাশে গাঢ়
পড়ে আছে পথের গুগুল
রমণীরা ঝরে গেছে মাঠে
কেশে গুঁজে পাতার বকুল!
দাবার চালের পাশে ঋতু
গেঁথে গেছে চারু-চটিয়াল
কতটুকু নিতে পারে নদী
ভেসে আসা আমূল শৈবাল!

বাচ্চা ঘুঘুদের মিহিধ্বনি
ফুটিয়ে তুলেছে চরাচর
কত রাত ফেটে গেছে দোঁহে
হাতে লেখা ছাপোষা অক্ষর
মেঘের ঠিকানা লিখে হাওয়া
এই মুখ তার অবয়ব—
শিশুদের ভারে হয় নত
আমাদের সমস্ত বৈভব।

**
ডানাহীন শিশুটির চোখে
কি যে দাবি ফুটেছে ভাষায়
তাকে আর কি করে বোঝাই
মিশেছ কোন যৌগে, কোথায়?
পুরানা স্বামীর দহলিজে
কতটুকু ছেড়েছ দখল,
নতুন বেণীর ফাঁকে জুঁই
এখনও কি পেয়েছে ভূতল?

কতটুকু রেঁধেছো ফাগুন
দুধের শিশুর মুখ ভুলে
এতটুকু টলে নি দিবস
মাতৃত্বের বিভাগ আঙুলে?
কি ভাষায় কেঁদেছে হরিণ
তুমিও কি পেয়েছো হদিস
কাটা হয়ে গেলে ছায়া, গাছ
গভীর অরণ্যও হয় বিষ!!

**
তোমার তৃষ্ণায় ফুটে আছে
প্রিয় রুমালের ডাকনাম
প্রবল চাদর রাতে ভাবি
কোথায় ঝরেছে পথ, গ্রাম!
সারি সারি বেঞ্চের পাঁজরে
দাগ টানা রেখার আসর
কোথাও ডুবেছে রেল ব্রিজ
চোখের মধ্যমা, স্নায়ুজ্বর?

এই শীত মুখর গভীর
সারি সারি বটের পাতায়
যেন চিরল নদীর পাশে
পড়ে আছে সুগোল পাশায়
ভুলো, বিফল বিলের ঢেউ
না থাকুক ফেরার আভাস
সব তারা ঝরে গেলে একা
জেগে থাকে সমস্ত আকাশ।

**
তালাক পাতার বুক জুড়ে
শুয়ে আছে বাউল দুপুর
কতটা ভিজেছে নাকফুল
বৃষ্টিতে পেরিয়ে মধুপুর?
যখন স্নায়ুর পাশে শিশু
একে গেছে ডাকের রহম
তখন কীসের শঠতায়
আশরীর খুঁড়েছ বিভ্রম?

কীভাবে স্নানের পাশে তুমি
পেতেছ জরায়ু, মাতৃধাম
ঠিকানা হারিয়ে গেলে চিঠি
কোথাও পেয়েছে দেশগ্রাম?
শোনো, চৈত্র ধীবর চোখ
কলোনির মাছের বাজার
খরায় শুকিয়ে এলে নদী
তুলে রাখে মাছেরাও সাঁতার!

**
কারা যেন ভাঙে সারারাত
পরিচিত পথের ঠিকানা
চলাচল দীর্ঘ হয়ে গেলে
মেঘ তার ফোটায় কামনা—
ছিঁড়েছে পথের শেষে বাঁক
শিশুদের পায়ের বিরাম
পোষ মানা ঘোড়াও কি জানে
কেন তার লাগায় লাগাম?

বিরাম চিহ্নের ক্ষত মুখ
জড়িয়ে ধরেছে মাহফিল
তবুও তোমার আবহাওয়া
সারারাত গেঁথেছে পাঁচিল
কত পাতা ঝরে গেছে একা
কোথাও বসন্ত ঘেঁষা শীতে
জীবন কখন ঝুঁকে পড়ে
কার দিকে, কার বিপরীতে!!

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *