বিজয়া

পৌষালী চক্রবর্তী

কাশবালকের ফেরা, শারদীয়া নীলাকাশ ফিকে
স্রোতে ভাসে ঝরা পাতা, রোদ ঘোরে হেমন্তের দিকে

চারদিন ধুমধাম, রোশনাই দৃশ্যসুখ প্যান্ডেল-প্রতিমা
শিল্প মন্তাজ দেখে বিশারদ ভাগ্য লেখে— শারদ সম্মাননা

সে অতি সামান্য মেয়ে, পুরস্কারে কপাল কী ফেরে!
মর্তলোকে পূজা কাটে মদ্য, মাংস, ষোলো উপচারে

উপাসনা ঘুচে গেছে, পড়ে আছে বারোয়ারি থিম ছলাকলা
সংসার যাতনা নিয়ে পিতৃগৃহমুখী দেবীর দহলা নহলা

সারিবদ্ধ দাঁড়ানো সব ভাসান পথের ধারে মূর্তি একা একা
সজোরে ধাক্কা খেয়ে সলিল সমাধি— তার দৈবী ভাগ্যরেখা

জলের দুর্গ ঠেলে তবু ওই জেগে থাকে জয়দুর্গা চোখ
শিশুহাত খুঁজে আনে অস্ত্র-বস্ত্র-কাঠামোয় আগামীর শ্লোক

দু-একটিই খেলায় নেবে, বাকি সব কুমোরটুলি চিনে
ফিরবে আশ্বিন মাসে; দেখা হয়ে যাবে ঠিক অকালবোধনে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *