বিজয়া

পিয়ালী বন্দ্যোপাধ্যায়

সকাল থেকেই রোদের ভাব কেমন নিস্তেজ। মা দুর্গা জলে পড়লেই শীত নামে, বোনটি বলল। বোনটি আমাদের ঠাকুমা, আমাদের বন্ধু। সেই সতেরোয় বিয়ে হয়ে এবাড়ি আসে, আবার পঁয়তাল্লিশ বছরেই শাশুড়ি। তার সঙ্গে পাঁচ সাত বছর যোগ দিলেই আমি নাতনী এসে গেলাম। আমায় বোনটিতে ভারি ভাব। এই যে বিজয়া বলে এখন নাড়ু আর সন্দেশ পাকাচ্ছে ভাঁড়ার ঘরে বসে, তার আগেই মস্ত কড়ায় দুধ জ্বাল দেওয়ার পর চাঁচিটা আমাকেই ডেকে দেয়। আমি দুধ ভক্ত, নাড়ু ভক্ত, সব ভক্ত। কাঠের বারকোষটা ধুয়ে মুছে রাখা, তাতে একটি একটি করে নাড়ু সাজছে। পাশে অল্প ঠান্ডা দুধ বাটিতে রেখে, পাক দেওয়া নাড়ু হাতে দুধ ছুঁইয়ে মসৃণ গোল হয়ে উঠবে বোনটির হাতে। ছাপা আর সন্দেশ বানানোর কাঠের আর মাটির ছাঁচগুলোও ধুয়ে মুছে রাখা জয়েছে। সন্ধেবেলা বিজয়া শুরু হবে। এক গামলা ঘুগনি, আর কুচো নিমকি, কুচো গজা মায়ের দায়িত্বে। সেসব জোগাড় হচ্ছে দালানে।

আরও পড়ুন: দেবী যাক বিসর্জনে

আজ সকালের ঢাকের আওয়াজটাও কেমন ঝিমোনো। বাজছে দূরের মণ্ডপে। আজ বড়পিসিরাও চলে যাবে সকাল সকাল। এই ক’দিন বাড়িটা কি জমজমাট হয়ে ছিল! ছোটমামারাও বেরিয়ে পড়বে ট্রেন ধরতে, বেলাবেলি। হিম পড়া শুরু হয়ে গেছে। হাত পায়ে শুকনো ভাব।

আরও কত মিষ্টি হত একসময়। বাড়িতে রসে ভরা বোঁদে তৈরি হত, আর দরবেশ। ব্যাচেলার মানুষের খেয়াল। মেজো ভাসুর। ঘোমটা টেনে তার সহকারী ভাদ্দরবউ এই বোনটি। মায়াদেবী নামটা ধরে কেউ ডাকেনি। আইবুড়ো তিন ভাসুরেরা ঘোমটা খোলার কথা বলেননি কখনও। নাতনীরা হতে প্রমোশন হল, ঘোমটা পিছোলো।

আরও পড়ুন: দুর্গা-দর্শন: বাংলাদেশ দিনাজপুর রাজবাড়ির ইতিবৃত্ত

বিকেল বিকেল ঢাকের আওয়াজ মানে বাড়ির ঠাকুর আদতে শুরু করেছে। সন্ধে না হতেই এবার সার দিয়ে ঠাকুর আসতে শুরু করবে। কাছেই দু-দু’টো ঘাট। মুখুজ্জে ঘাট আর বলরাম বসু ঘাট। সব নিয়মে বাঁধা। কোন ঘাটে কোন ঠাকুর বিসর্জন হবে। সুহাসিনী গাঙ্গুলি সরণির বড় রাস্তা দিয়ে সব ঠাকুরকেই ঢুকতে হয়, তারপর কেউ যাবেন সোজা মুখার্জি ঘাটে, কেউ সহদেবের মিষ্টির দোকানের পাশ দিয়ে চলে যাবেন রামরিক ঘাট বা বলরাম বসু ঘাটে। আর সেই সব ঠাকুর আসার আগে বিকেল থেকেই সানাই বাজানো, পুজো কমিটির ব্যানার লাগানো সাদা অ্যাম্বাসেডর ঘোষণা করে যাবে ঠাকুর শোভাযাত্রায় বেরিয়ে পড়েছেন। ‘ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছেন’ কথাটায় যে কি রোমাঞ্চ! অপেক্ষা ছিল, ধৈর্য ছিল, আর প্রচ্ছন্ন অহংকার, সবার পাড়ায় দশমীতে অন্ধকার, আমার পাড়া বহু রাত অবধি সরগরম। শুধু এই দিনই নয়, আগামী সাতদিনেও রেখে দেওয়া ঠাকুরেরা আসবেন। সেই রেখে দেওয়ার চল তখন শুরু হয়েছে। এমনিতে রাখা হত অন্য কারণে। বৃহস্পতি বা শনি হলে, বহু ঠাকুর বিসর্জন হত না।

আরও পড়ুন: কোন্ সুরে আজ বাঁধিবে যন্ত্র…

বকুলবাগানের সেই প্রথম আর্টের ঠাকুর শুরু হল, সম্ভবত শানু লাহিড়ীর হাত ধরে। অত সুন্দর আর্টের ঠাকুরও বিসর্জনের জন্য বেঁকে গেল বলরামবোস ঘাটের দিকে। তার পিছনে নর্দান পার্ক।

সানাইয়ের সুরে মন কেমন করা বাজনা। আর ঢাকের আওয়াজ পেলেই, বোনটি ও বোনটি! আসছে আসছে! শিগ্‌গির চলো। আর নাতনীদের সঙ্গে সেই পঞ্চাশের কোঠায় পা রাখা ঠাকুমার কী দৌড়। বাড়ির সদর, রক উঠোন গলি পেরিয়ে, সে সন্ধ্যায় যে কতবার, তার ইয়ত্তা নেই।

ভবানীপুরের ভাসানের দিনের আরেক বড় আকর্ষণ ছিল মিত্তির  আর মল্লিক বাড়ির ভাসান দেখা। আড়াইশো বছরের পুজো এই করোনার দিনে প্রথম বন্ধ হল এবছর। ভার নেওয়ার কেউ নেই। কিন্তু মধুর স্মৃতি রয়ে গেল তার। সাড়ে আটটা-ন’টা নাগাদ মিত্তির বাড়িতে ভাসান দল আসত। সমবেত গান গাইতে গাইতে। বাড়ির মেয়ে বউরা লাল পাড় গরদ ঢাকাই জামদানিতে সেজেগুজে অপরূপ হয়ে হাঁটছেন গায়ে গায়ে আর গান।

“সোনার কমল ভাসালে জলে
কে রে
মা বুঝি কৈলাসে চলেছে
কার বাড়ীতে গিযেছিলি মা
কে করেছে পুজা
কে দিয়েছে গঙ্গাজল
কে দিল বেল পাতা
আর কারে তুই মা
করলি রাজা
হয়ে দশভুজা৷”

এর পরেই একটা ‘হেই’ বলে ধুয়ো দতেন সকলে। সেই ধুয়ো কানে এলেই ছুটতাম। পুরুষদের পরণে ধুতি পাঞ্জাবি, তখন সকলে সাদাই পরতেন। আর আমার স্কুলের বন্ধু থাকত সেই দলে। আমার ইচ্ছে হত ছুটে গিয়ে ওর সঙ্গ নিই। কিন্তু বাড়ির পুজোর সবটাই এত ভাবগম্ভীর, ভাসানেও এত শুদ্ধতা, সংযত রূপ যে শুধু তাকিয়েই দেখতাম, চোখের ওপর দিয়ে ভাসানের দল ভেসে যেত। আমার ইচ্ছে হত, আমিও যদি ওইরকম বাড়ির পুজোয় থাকতে পেতাম। আরও রাতের দিকে সারাপাড়া উদ্‌গ্রীব হয়ে থাকত গিলে করা সাদা পাঞ্জাবি আর ধাক্কাপাড় ধুতি পরা এক আদ্যোপান্ত ভদ্রলোক ফিল্মস্টারকে দেখার জন্য। রঞ্জিত মল্লিক মিছিলের পুরোভাগে থাকতেন। তাঁদেরও পারিবারিক প্রথায় গানের রেওয়াজ ছিল।

সে একরকম আলাদা আনন্দের দিন। বিসর্জনের প্রসেশন নিয়েই গুরুত্ব। কে কত কী দিয়ে সাজাবে। প্রথমে গাড়ি করে ঘোষণা। আর হাতে হাতে শুভ বিজয়ার বার্তা লেখা কার্ড, তাতে গোলাপজলের গন্ধ দেওয়া, কেউ দিয়ে গেল। সেসব অ্যানুয়াল পরীক্ষার বইয়ের খাঁজে রাখা হত। নিরস পড়াশোনার মাঝে সুগন্ধি স্মৃতি।

আরও পড়ুন: পুজোর খাবারের সুলুকসন্ধান

আসত সারি সারি হ্যাজাক মাথায় মানুষ। তার পিছনে সাজানো ব্যান্ডপার্টি, কোনও কোনও ক্লাব আবার স্কাউটের ছেলেমেয়েদের দিয়ে শোভাযাত্রা সাজাতেন। তাদের ড্রেস, হাতে বাঁশি, মাথায় টুপি, তাতে আবার পালক। ঈর্ষণীয় ব্যক্তিত্বে তারা সমান তালে পা ফেলে এগোয়, কখনও গোল হয়ে ঘোরে। আবার এগোয়। একবার কোনও ক্লাব নিয়ে এল নাচের দল। মেয়েরা নাচতে নাচতে চলেছে! এতটা রাস্তা! কী করে সম্ভব!

সব বাড়ির সামনেই বাড়ির লোকেদের ভিড়। সবার নাওয়া-খাওয়া বন্ধ। এর মধ্যে স্থানীয় কেউ যদি বিজয়া করতে চলে এলেন তো ঘরে ফিরে সাজাও থালা, ঘুগনি, নারকেল ছাপা, কুচো নিমকি, সন্দেশ, নাড়ু। সব বাড়িতেই এক মেন্যু। আর তার ফাঁকে ঢাকের আওয়াজে কান রাখা।

সন্ধের মুখে জামা-কাপড় বদলে বাড়ির গুরুজনদের ছবিতে প্রণাম করে বিজয়া শুরু। নিজের বাড়ির চেনা মানুষদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে কী যে লজ্জা!

প্রণাম তো বাইরের লোকদের করব। বোনটিকে প্রণাম করার পর হাত পাততে বললে কী যেন একটা গুঁড়ো মত হাতে পড়ত। সিদ্ধি। খেয়ে জল খেয়ে নাও। আমার অত প্রশ্ন ছিল না। বড় বিশ্বাসে সব মেনে নিতাম। মন পড়ে থাকত বিসর্জনের বাজনায়।

আরও পড়ুন: ৭৭ বছর পরেও আলোচনার বৃত্তে নেই রানি অফ ঝাঁসি ব্রিগেড

আর একটা নেশা ছিল। শোলা জমানো। ট্রাকের মাথায় ঠাকুর ধরে বসে থাকত বেপাড়ার ওস্তাদ ছোকরারা। হাতে একটা লম্বা কঞ্চির লাঠি। যত তার, গাছের ডাল ওই দিয়ে সরাত তারা আর সে যেন রাজ্যজয়ের ভঙ্গিতে। সযত্নে তার, ডাল সরিয়ে মাকে সসম্মানে বিদায় দিতে নিয়ে যেতে এইসব ঘর জ্বালানো ছেলেগুলোই ভরসা। তাদের প্রতি আমাদের পাঁচ বছুরে চোখের অসীম কৌতূহল। দুর্গার চালচিত্রের শোলা আর জরির কাজগুলোর প্রতি আমার জন্মের লোভ। দু-একটা খুলে আমার হাতে দিলেই বাড়িতে পরের বছর দুর্গা (পিচবোর্ড কেটে এঁকে রং করা) সাজানোর সরঞ্জাম হয়ে যাবে। দাক্ষিণ্য দেখিয়ে দু’য়েকজন দিয়েও দিত। সেগুলো কী মূল্যবান সম্পদ সেসময়।

গুরুগম্ভীর গলায়, ‘শুভ বিজয়ার পুণ্যলগ্নে সমগ্র পল্লিবাসীকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমাদের প্রতিমা এবার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে…

‘ও বোনটি! ও বোনটি, এবার দুর্দান্ত ঠাকুর আসছে’, ছুটতে ছুটতে ঢুকছি বাড়ির ভেতর। এগিয়ে শোভাযাত্রা। কেউ আসছে বেদম দোদোমা পটকা ফাটিয়ে। পাড়ার তেমাথায় এসে বোম্বাস্টিক তুবড়ির পর তুবড়ি জ্বালাবে কোনও দল। আর ওইখানেই শেষ নাচের উদ্দাম মৌতাত। ঢাকের তাকে তালে।

একবার এক নতুন জিনিসের আমদানি হল। তার তীব্র সুরে পাড়া চমকে উঠল। হাতে টানা রিকশার চল এই পাড়ায় চিরকাল। তাতে একজন সাদা স্যুট পরা লোক পিয়ানোর মতো কী যেন (সিন্থেসাইজার) বাজাচ্ছেন, যাবতীয় বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার গান। মাইক্রোফোন আর বক্স ফিট করা পায়ের কাছে। সবাই অবাক!

তুতোভাইবোনেদের কাছে গর্বভরে বলে বেড়ানো ঠাকুর তো এ-পাড়াতেই আসবে সব, ঘুরে ঘুরে দেখা হোক বা না হোক, এখানেই দেখা হয়ে যায় আমাদের। কিন্তু বিসর্জনের ঘাটে যাওয়া বারণ। ভিড়ভাট্টায় যদি কিছু বিপদ ঘটে যায়। যায় না তা তো নয়। ঘরে ঘরে উদাহরণ আছে।

তাই চুপি চুপি একপা-দুপা করে কাউকে না বলে চলে যাওয়া চেনা ঘাটে। কী দক্ষতায় ওই ভারী প্রতিমাকে সাতবার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে জলে ঝপাস করে ফেলে দেওয়া হয়, সেও তো দেখতে হবে। এত আদরের মা, তাকেও জলে ফেলে দিল। কত কষ্ট করে রং করা, কাপড় পরানো, মালাকারদের কত পরিশ্রম। তারপর গঙ্গার ধারে মানুষ হওয়া উলঙ্গ ছেলেগুলো চেপে পড়বে মূর্তির ওপর, অস্ত্র, কাপড় সব খুলে নেবে, পরদিন ঘাটের পাশে জমা হবে কাঠামোর স্তূপ কিংবা রাত গভীর হলে গঙ্গার কাছাকাছি বাড়ির দোতলার খাটে বোনটিকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে শুনতে পাওয়া যাবে ঘাটের দিক থেকে ভেসে আসা শোরগোল। কেন বোনটি? বোনটি বলবে, ও ওই লড়াই হচ্ছে, কাঠামোর দখলের লড়াই। সামনেই তো কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী, আরও সব। পটুয়াদের লাগে তো কাঠামো। সে তো ভিজে গেছে, ওইগুলো দিয়ে করবে? বোনটি জড়িয়ে ধরে গায়ের কাছে, অত জানি না বাপু, তুমি ঘুমোও। বোনটি ঘুমিয়ে পড়লেও বোনটির ‘ভজো’ জেগে থাকে, ও জানে ঢাকের বোল কথা বলে।যাওয়ার সময় নেচে নেচে বলে, ‘ঠাকুর থাকবি কতক্ষণ/ ঠাকুর যাবি বিসর্জন’ কিংবা ‘দাদা কোথায়/ দিদি কোথায়/ মা কোথায়/ বাবা কোথায়!’ আধোঘুমে শোনে ভাসান-ফেরতা বলে যাওয়া ঢাকের বোল বলছে— ‘দাদা রে, দিদি রে, এমন ঠাকুর কোথায় রেখে এলি রে, দাদা রে! দিদি রে…’

Facebook Twitter Email Whatsapp

7 comments

  • Kshama Banerjee

    পিয়ালী,নিয়ে গেলি সেই পুরোনো দিনগুলোতে। সেই ভবানীপুর, সেই আমাদের ছোটবেলা, কোথায়? কোথায় গেল সব।

  • Pinaki Chakraborty

    যে ভালোলাগা চোখে জল এনে দেয় আর মন খালি বলে ‘ইস্ যদি আবার ফিরে রে যাওয়া যেত’ —–তেমন একটা লেখা। অপূর্ব।

  • অনবদ্য। অসাধারন।
    মন ছুঁয়ে গেল ❤️❤️❤️

  • BASU DEB BASU

    অসাধারণ লেখা চিত্র। Time Machine এ চড়ে পৌঁছে গেলাম স্কুল জীবনে।ঠিক যেন আমার অভিজ্ঞতা তোর কলমে। মন ভরে গেলো। সেই পুরোনো দিনগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে আমি কৃতজ্ঞ।
    একটা শুধু বলার রইলো, বলরাম বসু ঘাটের আগে ছিল রামরিক ঘাট, গদাধর আশ্রমের উল্টো দিকে।

  • Samaresh Mitra

    দিদিমণি…..তোমার লেখা মনে করে দিলো দুকুড়ি ছয় বছর আগের ঘটনার কথা। পাড়ার দূর্গাপূজার বিসর্জনের শোভাযাত্রায় তাসার তালে তালে উদ্দাম নাচ, জলন্ত মশালে কেরোসিন তেলের ফুৎকারে আগুনের গোলার কুন্ডলিকৃত রশ্মি উর্ধগগনে মিলিয়ে দেওয়া এরকম আরো কত কিছু। নির্মল আনন্দে মাতোয়ারা হবার দিনের কথার প্রতিধ্বনি জানান দিলো তোমার লেখনী….

  • Samaresh Mitra

    দিদিমণি………….শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা রইল। তোমার লেখা আমাকে নিয়ে গেলো দুকুড়ি ছয় বছর আগে। মনে পড়ে যায় পাড়ার দূর্গাপূজার ভাসানের শোভাযাত্রা। তাসার তালে নানা অঙ্গভঙ্গি করে নাচা, জলন্ত মশালে মুখে কেরোসিন তেলের ফুৎকারে অগ্নিগোলকের উৎক্ষেপণ আরো কত কিছু। নির্মল আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে যাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিল তোমার লেখনী…..

  • Goutam Chattopadhyay

    বড় বাড়ীর / পল্লীর মূর্তি বিসর্জনের পরে ঘরে ফিরে গুরুজনদের প্রণামের আগে পারিবারিক খেরোর খাতা খুলে দোয়াতে রাখা আলতায় অথবা লাল কালিতে কলম চুবিয়ে ১০৮ বার “শ্রী শ্রী দূর্গা সহায়” লেখার রেওয়াজ ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *