জন্মদিনে স্মরণ: দিলীপ দোশি

শুভ্রাংশু রায়

২২ ডিসেম্বর ১৯৪৭। ক্যালেন্ডারের হিসাবে আজই তাঁর ৭৪তম জন্মদিন। তিনি একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। বিশেষ করে উল্লেখ করলে, একজন বোলার। আবার পৃথিবীতে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এমন বোলারের সংখ্যা মাত্র চার। তিরিশ পেরিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া সত্ত্বেও যাদের নাম একশো উইকেট প্রাপকদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ল্যারি গ্রিমমেট, রায়ন জেমস হ্যারিস, পাকিস্তানের সঈদ আজমলের সঙ্গে এই এই চারজনের তালিকায় একজন ভারতীয়ও রয়েছেন। এই ভারতীয় ক্রিকেটার আবার বাংলার ক্রিকেটারও বটে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে এমন কোন বাংলার ক্রিকেটার থাকতে পারেন, যিনি বোলার হিসেবে এই বিরল ক্লাবের সদস্য হওয়ার যোগ্যতা রাখেন? সেই ক্রিকেটারের নাম দিলীপ দোশি। বর্তমানে যাদের বয়স মোটামুটিভাবে অন্তত পঞ্চাশ অতিক্রান্ত সেই সমস্ত ক্রিকেট অনুরাগীদের কাছে অবশ্যই দিলীপ দোশি একটি পরিচিত নাম। কিন্তু নৈশ আলোয় রঙিন পোশাকে ক্রিকেট খেলা দেখতে দেখতে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের কাছে প্রায় বিস্মৃত একটি চরিত্র। চশমা চোখে বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন রঞ্জি ট্রফিতে খেলতে নামা এই বাঁ-হাতি স্পিনার অন্তত আইপিএল ক্রিকেটের দাপটের দিনে আলোচনা বৃত্তের অনেকটাই বাইরে।

এ কথা ঠিক যে, দীর্ঘদিন রঞ্জি ট্রফিতে বাংলাকে প্রতিনিধিত্ব করলেও দিলীপ দোশি জন্মসূত্রে বাঙালি ছিলেন না। জন্মেও ছিলেন রাজকোটে। এক গুজরাতি ব্যবসায়ী পরিবারে। কিন্তু অতি অল্প বয়সে বাবার ব্যবসাগত কারণে কলকাতায় তাঁর চলে আসা। এই শহরেই স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হওয়া এবং দিলীপ দোশির ক্রিকেটের প্রেমে পড়া। সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়াকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টে প্রথম খেলার সুযোগ (১৯৬৪-৬৫)। দিলীপ দোশির নিজের ভাষায় সেটাই ছিল ‘প্রথম সিরিয়াস ক্রিকেটে’র সঙ্গে পরিচিতি। সে-সময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট দলের সর্বভারতীয় স্তরে যথেষ্ট নামডাক ছিল। সহ খেলোয়াড় হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট দলে দোশি পেয়েছিলেন অম্বর রায়, গোপাল বসু, সৌমেন বসু, চুনী গ্বোস্বামী, সুপ্রকাশ ঘোষ, শিবাজি রায়ের মতো নামজাদা খেলোয়াড়দের। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে সর্বভারতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট বা ‘রোহিনটন বারিয়া ট্রফি’ জেতার সুযোগ পেয়েছিলেন দিলীপ দোশি তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট জীবনের চতুর্থ মরশুমে (১৯৬৭-৬৮)। ততদিনে স্পোর্টিং ইউনিয়নের হয়ে কলকাতার ক্লাব ক্রিকেটের প্রথম ডিভিসনে পদার্পণ ঘটে গিয়েছে দোশির।

বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে দিলীপ দোশির অভিষেক ঘটে ইডেন গার্ডেন্সে ১৯৬৮-৬৯ মরশুমে ওড়িশার বিরুদ্ধে (২২-২৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৮)। প্রথম বছর বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে ৫ ম্যাচে দোশির উইকেট সংখ্যা ছিল ৩৪। ঘরোয়া ক্রিকেট জীবনের শেষ মরশুম (১৯৮৫-৮৬) রঞ্জি ট্রফিতে সৌরাষ্ট্রের হয়ে খেললেও তার আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দীর্ঘ ১৭ বছর টানা বাংলার প্রতিনিধিত্ব করেন এই বাঁ-হাতি এই অফ স্পিনার। রঞ্জি ট্রফিতে সবমিলিয়ে ৬৫টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। প্রাপ্ত উইকেট সংখ্যা ছিল ৩১৮।

বাংলা দলের তরফে দু’বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে খেলার সুযোগ এসেছিল তাঁর। প্রথমবার রঞ্জি অভিষেকের বছরেই অর্থাৎ ১৯৬৮-৬৯ এবং পরেরবার ১৯৭১-৭২’এ। ১৯৬৯ সালে রঞ্জি ট্রফি সেমিফাইনালে ই এস প্রসন্ন, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ মতো তারকা সমৃদ্ধ মহীশূর (বর্তমানের কর্নাটক)-কে হারিয়ে অম্বর রায়ের নেতৃত্বে বাংলা দশ বছর পর ফাইনালে উঠলে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। অঘটনের আশায় অনেকেই বুক বেধেঁছিলেন। কিন্তু বম্বের ব্র্যাবন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সে বছরের ফাইনালে (১৫-১৯ ফ্রেব্রুয়ারি, ১৯৬৯) বাংলা অজিত ওয়াদেকারের নেতৃত্বাধীন বম্বের কাছে প্রথম ইনিংসের ব্যবধানে পরাজিত হয়। যদিও বল হাতে দোশি যথেষ্ট পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে দোশির বোলিং পারফরম্যান্স ছিল ৪৯-১৬-১২১-৩।

১৯৭২ রঞ্জি ফাইনালেও (২১-২৬ এপ্রিল) বাংলার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বম্বে। ফাইনালে বাংলার নেতৃত্ব ছিল চুনী গোস্বামীর হাতে। সাফল্য এবারেও বাংলার কাছে অধরা থেকে যায়। বম্বে সরাসরি ২৪৬ রানে বাংলাকে হারিয়ে সে-বছর রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হয়। যদিও এবারের ফাইনালেও দোশি যথেষ্ট ভালো পারফর্ম করে উভয় ইনিংসে ৩টি করে উইকেট পেয়েছিলেন যথাক্রমে ১০৭ এবং ৭৩ রান দিয়ে। পূর্বাঞ্চলের হয়ে দিলীপ ট্রফির ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতাও এই বাঁ-হাতি অর্থোডক্স অফ স্পিনারের ঝুলিতে ছিল। প্রকৃতপক্ষে সে-বছর অর্থাৎ ১৯৮১-র দিলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের অধিনায়কই ছিলেন তিনি। পশ্চিমাঞ্চল সে-বারের দিলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়। কিন্তু ফাইনালে দিলীপ দোশির পূর্বাঞ্চল প্রবল লড়াই দিয়েছিল এবং ফাইনাল ম্যাচটি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখান থেকে উভয় দলের পক্ষেই ম্যাচটি জেতার সুযোগ ছিল।

ষাটের দশকের শেষ থেকে দিলীপ দোশি বল হাতে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতভাবে যথেষ্ট ভালো পারফর্ম করা সত্ত্বে ভারতীয় দলের দরজা খোলার জন্য রঞ্জি অভিষেকের পর দীর্ঘ এগারো বছর অপেক্ষা করতে হয়। ১৯৭৯ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে যখন অবশেষে ভারতীয় দলে তিনি ডাক পান, তখন তাঁর বয়স তিরিশের কোঠায় পৌঁছে গেছে। তাঁর প্রায় সমসাময়িক ভারতীয় বিখ্যাত স্পিনার ত্রয়ী বেদি-প্রসন্ন-চন্দ্রশেখর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছেন। আর দলের চতুর্থ স্পিনার কাম অলরাউন্ডার শ্রীনিবাসারাঘবন বেঙ্কটরাঘবন প্রায় নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সে-সময় দিলীপ দোশি নিজে ইংল্যান্ডে কাউন্ট্রি ক্রিকেট খেলতে ব্যস্ত ছিলেন। ভারতীয় দলে নির্বাচিত হওয়ার খবর কলকাতা থেকে তাঁর ভাই তাঁকে ফোনে ইংল্যান্ডে দেন। দিলীপ তাঁর আত্মজীবনী ‘স্পিন পাঞ্চ’এ লিখেছেন যে, ভারতীয় দলে তাঁর নির্বাচিত হওয়ার খবরে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন। অতি দ্রুততার সঙ্গে দেশে ফিরে ভারতীয় দলের সঙ্গে মাদ্রাজে (অধুনা চেন্নাই) যোগ দেন। কিম হিউজের নেতৃত্বাধীন সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে প্রথম টেস্টে ঐতিহ্যশালী চিপক স্টেডিয়ামে ৩২ বছর বয়েসে দিলীপ দোশির অভিষেক ঘটে (১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯)।

জীবনের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম দিনেই বল করার সুযোগ মেলে দোশির। কারণ টসে জিতে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক হিউজ ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। লাঞ্চের আগেই দোশির কয়েক ওভার হাত ঘোরানোর সুযোগ মেলে। তবে লাঞ্চের পর অস্ট্রেলিয়ার স্কোর যখন ১ উইকেটে ৭৫ রান দিলীপ দোশির বলে ফ্লাইট মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে দোশির প্রথম শিকার হন অজি বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান গ্রেম উড। ঘটনাচক্রে যিনি দোশির টেস্ট ক্রিকেটে ৫০তম শিকারও ছিলেন। প্রথম দিনে শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর বেশ ভদ্রস্থ অর্থাৎ ২ উইকেটে ২৪৪ দেখালেও পরের দিন অস্ট্রেলিয়ার  প্রথম ইনিংস ৩৯০ রানে গুটিয়ে যায়। সৌজন্য দিলীপ দোশির বিধ্বংস বোলিং স্পেল। দ্বিতীয় দিন ২০ ওভার বল করে দোশি আরও ৫ উইকেট তুলে নেন মাত্র ৪০ রান দিয়ে। সবমিলিয়ে জীবনের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দিলীপ দোশির স্বপ্নের বোলিং পারফরম্যান্স দাঁড়ায় ৪৩-১০-১০৩-৬। সেই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দোশির বোলিং পারফরম্যান্স ছিল ৪২-১৫-৬৪-২। প্রথম টেস্ট অবশ্য ড্র হয়েছিল। সেই সিরিজটি ছিল ৬ টেস্টের এবং প্রত্যেকটি দোশি খেলেছিলেন। ৬ টেস্টের শেষে দিলীপ দোশি ৬২৮ রানের বিনিময়ে ২৭ উইকেট সংগ্রহ করে ভারতীয় দল অন্তত কিছু দিনের জন্য জায়গা পাকা করে নেন। এরপর দোশি ভারতীয় দলের হয়ে আরো ২৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। মোট প্রাপ্ত উইকেটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৪। এছাড়া ভারতের হয়ে ১৫টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচও খেলেছিলেন তিনি যাতে তাঁর সংগৃহীত উইকেট-সংখ্যা ছিল ২২। শেষবারের জন্য ভারতীয় দলের জার্সি পরে যোশিকে খেলতে দেখা গিয়েছিল ১৯৮৩-তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে (ব্যাঙ্গালোর, ১৪-১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩)। জীবনের শেষ ইনিংসে ৩৭ বছরের এই বাঁ-হাতি স্পিনার ২০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৫২ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট পান।

আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষের দিকে বিশেষত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাক মাটিতে টেস্ট সিরিজে দোশি দলের অধিনায়ক সুনীল গাভাসকরের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। দোশির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি চোট গোপন করে দলের সঙ্গে বিদেশ সফরে গেছেন এমনকী খেলতেও নেমেছেন। দোশি অবশ্য তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন যে, টেস্ট শুরুর আগের দিন অনুশীলনে গোড়ালিতে হালকা চোট লেগেছিল। কিন্তু মাঠে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। কারণ ওই অবস্থাতেও তিনি টানা বোলিং করে গিয়েছেন। কিন্তু বিষয়টি সুনীল গাভাসকর ভালোভাবে নেননি। ১৯৮৩-র শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দোশি দল থেকে বাদ পড়েন। দোশির বদলে দলে স্থান পান বম্বের রবি শাস্ত্রী। এমনকী ১৯৮৩ বিশ্বকাপ দলেও দিলীপ দোশির জায়গা হয়নি। যদিও সে-বছর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে দোশি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে কামব্যাক করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সেটাই ঘটনাচক্রে দিলীপ দোশির জীবনে শেষ টেস্ট হয়ে দাঁড়ায়। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেই ব্যাঙ্গালোর টেস্টে আগেই উল্লেখ করা হয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২০ ওভার বল করে ৫২ রান দিয়ে দোশি পেয়েছিলেন মাত্র ১ উইকেট। এরপর আরও দু’টি সেশন ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার পর (যার মধ্যে শেষ রঞ্জি ট্রফি দোশি ১৯৮৫-৮৬ মরশুমে খেলেছিলেন সৌরাষ্ট্রের হয়ে, অধিনায়ক হিসেবে) দোশি ক্রিকেট জীবনের ইতি টেনে দেন এবং লন্ডনে স্থায়ীভাবে থেকে ব্যক্তিগত ব্যবসায় মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন।

দোশির সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য বোধহয় এটাই যে, ক্রিকেট জীবনের সেরা সময় তাঁকে ভারতীয় দলে ঢোকার জন্য অপেক্ষা করতে করতেই কেটে যায়। সত্তর দশকের একবারে শেয বছরটির আগে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতীয় গ্রেট স্পিন লেগাসির ত্রয়ী স্পিনারদের মধ্যে এক মাত্র বাঁ-হাতি স্পিনার হিসেবে ভারতীয় দলে বিষেণ সিং বেদি ছিলেন নিয়মিত সদস্য। ভারতীয় নির্বাচকরা একটা বড় সময় কেবলমাত্র একজন বাঁ-হাতি স্পিন বোলারকে ভারতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার ব্যাপারে কিছুটা যেন বদ্ধপরিকর ছিলেন। সেজন্য কখনোই বেদিকে দলে রেখে দিলীপ দোশিকে সুযোগ দেওয়ার অপশন তাঁরা ভাবতেই পারেননি। তাই ক্রিকেট জীবনের সেরা বছরগুলি দোশিকে দল বাইরেই কাটাতে হয়। তবু যেটুকু অল্প পরিসরে দোশিকে আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে দেখেছি এবং যে কৃতিত্ব তিনি বল হাতে স্পিনার হিসেবে দেখিয়েছেন, সে-নিরীক্ষে অবশ্যই ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে তাঁর জন্য একটি বিশেষ স্থান বরাদ্দ থাকবে। সেইসঙ্গে হয়তো বরাদ্দ থাকবে চাপা দীর্ঘ নিশ্বাসও।

লেখক সোনারপুর মহাবিদ্যালয়ের ইতিহাসের অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর

Facebook Twitter Email Whatsapp

7 comments

  • দুর্দ্দান্ত লাগলো।
    অনেক কিছুই জানতাম না, নাম টা যদিও সকল ক্রীড়াপ্রেমীর মত জানতাম ই।

  • সুমন কল্যাণ মৌলিক

    সমৃদ্ধ হলাম

  • পারমিতা ঘোষ

    যদিও অন্যানোদের দের মতো ওতো ফুটবল বা ক্রিকেট প্রেমী আমি নই…. তবে নানা বিষয় নিয়ে পড়তে খুব ভালো লাগে… আপনার লেখা আমার পড়ার ও জানার ইচ্ছে আরও বাড়িয়ে দিল…
    ধ্যন্যবাদ

  • অনবদ্য তাই সুখপাঠ্য । তথ্য ও তত্ত্ব সমৃদ্ধ ।

  • Debashis Majumder

    Bishan Bedi thakar janya Indian test side e chance Pete jothesto opekha korte hoyechhilo aar Ravi Shastri aar Maninder Singh er uththan Dilip Doshi ke ektu taratari India cap theke Soriye diyechhilo. Very nice article. Bhalo laglo.

  • নবনীতা বসু

    বাঙালির দুঃখি রাজপুত্র। একের পর এক ম্যাচে তিনি সুযোগ পাননি।
    স্মরণ করে ভালো কাজ করলেন।

  • দুর্দান্ত লেখা। আগুনকে যে চেপে রাখা যায় না তার অন্যতম দৃষ্টান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *