Latest News

Popular Posts

প্রেমিক বদমেজাজি, কথায় কথায় রেগে যায়? জেনে নিন কিভাবে সামলাবেন

প্রেমিক বদমেজাজি, কথায় কথায় রেগে যায়? জেনে নিন কিভাবে সামলাবেন

Mysepik Webdesk: প্রেম কিংবা বিয়ে, সব সম্পর্কের মধ্যে কম-বেশি ঝগড়া থাকবেই। যদি কেউ বলেন, আমাদের মধ্যে কোনও ঝগড়া নেই, তাহলে মনে করতে হবে সেই সম্পর্কের গভীরতাও কম। মনে রাখবেন, যেখানে ভালোবাসা বেশি, সেখানে ঝগড়া-খুনসুটি হবেই। কারণ কোনও মানুষই কখনও পারফেক্ট হন না। সবারই ব্যাক্তিগত মতাদর্শ রয়েছে। এক্ষেত্রে মতবিরোধ স্বাভাবিক। যদিও কোনও সম্পর্কের মধ্যে খুব বেশি ঝগড়া আবার মোটেই কাম্য নয়, সেক্ষেত্রে মনে করতে হবে দু’জনের মাতা মিল বা মনের মিল কোনওটাই নেই। সেই সম্পর্ক মোটেই চিরস্থায়ী হয় না।

আরও পড়ুন: অনলাইন পেমেন্ট করেন? মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশি বদরাগী হয়। এমন অনেক ছেলে রয়েছেন, যারা কথায় কথায় রেগে যান। সাতপাঁচ না ভেবে দ্রুত মাথা গরম করে ফেলেন। এমনকী প্রেমিকা বা স্ত্রী কখন কোথায় যাবে, কী করবে , কী খাবে সবই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। কিন্তু তা বলে কোনও মেয়েরই উচিত নয়, এই বদমেজাজ সবসময় সহ্য করা। নিজেকে বিকিয়ে দেওয়া উচিত নয়। সেরকম সমস্যা হলে, নিজেদের মধ্যে মতের মিল একেবারেই না হলে সেই সম্পর্ক থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসুন। তবে, তার আগে কাজে লাগাতে পারেন এই টিপসগুলি। যদি এতে ফল মেলে তাহলে তো সোনায় সোহাগা। আসুন দেখে নেওয়া যাক বদরাগী প্রেমিক-স্বামীকে কিভাবে সামলাবেন।

আরও পড়ুন: মাস্ক পরলে চশমা ঘোলা হয়ে যাচ্ছে? নেনে নিন সমাধান

১) আপনার প্রেমিক বা স্বামী যদি কোনও সময় খুব রেগে থাকেন, তাহলে সেই সময় আপনার উচিত বচসায় না যাওয়া। সেই সময় আপনার চিৎকাল-চেঁচামেচি করে সামনের মানুষটাকে আরও বেশি উত্তেজিত করে দেওয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এই সময়ে নিজেকে ঠান্ডা রেখে মানসিক ভাবে ঠিক থাকার চেষ্টা করুন। এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে, সবসময় আবার এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। পরিস্থিতি দেখে আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

১) প্রত্যেকটি সম্পর্কে অধিকারবোধ থাকা প্রয়োজন। এই অধিকারবোধ সবসময় দুজনের দিক থেকেই থাকতে হবে। তবেই সম্পর্ক সুমধুর হয়। কিন্তু প্রতিটি বিষয়ে যদি প্রেমিক তার নিজের অধিকারবোধ জাহির করেন, সেক্ষেত্রে তাঁকে বুঝিয়ে বলুন যে তাঁর এই আচরণে আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে। যদি তিনি বোঝেন তো ভাল, না হলে একটা সময়ের পর সম্পর্ক থেকে আপনাকেই বেরিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: কিছুতেই সঞ্চয় হচ্ছে না? অবলম্বন করুন এই ৫টি সহজ উপায়

৩) অনেক প্রেমিকের মধ্যে প্রবণতা থাকে প্রেমিকাকে কন্ট্রোল করার। কারণ, তাঁদের ধারণা মেয়েরা নিজের ভালো বোঝে না। সেই কারণেই অভিভাবকের মতো প্রেমিকাকে ট্রিট করেন। প্রেমিকার প্রতিটি বিষয়ে নাক গলানো তাদের অভ্যাস। এমন পরিস্থিতিতে ঝগড়া না করে স্বাভাবিকভাবেই প্রেমিককে বুঝিয়ে দেওয়া দরকার যে সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক, আর সকলেই নিজের ভালোটা বোঝেন। সবকিছুতে বেশি বেশি করে খবরদারি না করলেও চলবে। নিজেরটুকু আপনি নিজেই করে নিতে পারবেন।

৪) আজকাল বেশিরভাগক্ষেত্রেই প্রেমিক ও প্রেমিকা উভয়েই আয় করেন। দুজনের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই আবার মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় উচ্চপদে চাকরি করেন। এই কারণে অনেক ছেলেরাই ইগো প্রবলেমে ভোগেন। ফলে, মুখে না বললেও অনেক ছেলে তা মেনে নিতে পারেন না। এই সংক্রান্ত ঝামেলা হলে প্রথমেই বোঝান, আজকের দিনে পথ চলতে টাকা ভীষণ জরুরি। আপনি আয় বেশি করলে তাতে সম্মান হানির কোনও ব্যাপার নেই। বরং সুখে থাকবেন। এর পরেও যদি প্রেমিক ঝামেলা করেন তাহলে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসুন।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *