মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের প্রাণ ব্রজ রায়

সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়

“বলো দেখি মানুষের মৃতদেহ কে কে চায়?
শেয়াল, শকুন আর আমাদের ব্রজ রায়।”

তাঁর সম্পর্কে এ-ছড়া বোধহয় লিখেছিলেন নর্মান বেথুন জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের সংগঠক ডাক্তার সুখময় ভট্টাচার্য। আর সেই ছড়া শুনে হো-হো করে হাসতেন তিনি। আড্ডার মাঝে নিজেই হয়তো বলে দিতেন নিজেকে নিয়ে লেখা এই ছড়া। এমনই ছিলেন মানুষটা। তিনি ব্রজ রায়। কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ১৩ মে। ব্রজ রায়ের মৃত্যুসংবাদে কোনওভাবেই ‘প্রয়াত হলেন’ বা ‘চলে গেলেন’ লেখা চলবে না। তাঁর জোর আপত্তি ছিল এসব কথায়। কোথা থেকে প্রয়াণ ঘটল? চলেই বা গেলেন কোথায়? এই কথাগুলোর মধ্যে ইহলোক-পরলোকের কথা বলা হচ্ছে না তো? 

মৃত্যুর পরের বিষয় নিয়েই তাঁর কাজ, তাঁর পরিচিতি। তবে সেটা জন্মান্তর নয়। ব্রজ রায়ের কাজ ছিল মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের। এ-রাজ্যে মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের কথা উঠলেই তাঁর নাম আর মুখটাই মনে পড়ত সকলের। ১৯৮৫-৮৬’তে এই কাজের সূচনা করেন তিনি। যে সংস্থার মাধ্যমে এ-কাজের শুরু তার নাম গণদর্পণ। বস্তুত, ব্রজ রায় আর গণদর্পণ অনেকের কাছেই ছিল সমার্থক। সেই সংস্থায় আরও অনেক পদাধিকারী এবং কর্মী নিশ্চয়ই ছিল, তবে লোকে গণদর্পণ বলতে ব্রজদাকেই বুঝত। আর ব্রজদাকে ফোন করলে তিনি কথা শুরুই করতেন ‘গণদর্পণ’ বলে। ১৯৮৬-তে বিজ্ঞানী জে বি এস হলডেনের পঁচানব্বইতম জন্মদিন উদ্‌যাপন করে গণদর্পণ, এ-রাজ্যে প্রথম সংগঠিতভাবে মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারের আয়োজন করে। ১৯৮৬-র ৫ নভেম্বর সেই অনুষ্ঠানে ৩৪ জন দেহদানের অঙ্গীকার করেন। আর সেই অঙ্গীকার অনুযায়ী এ-রাজ্যে প্রথম, সুকুমার হোমচৌধুরীর দেহ দান করা হয় আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে। তারিখ ১৮ জানুয়ারি ১৯৯০। ব্রজদার ব্যতিক্রমী কাজের কথা ছড়িয়ে পড়তে থাকে এই সময় থেকেই। পঁচানব্বই বা ছিয়ানব্বই সালে বড় করে লেখা বেরোয় এই কাজ নিয়ে ‘কালান্তর’-এর বিজ্ঞান বিভাগ ‘প্রকৃতি ও মানুষ’-এ। শিরোনাম ছিল “মরণোত্তর দেহদান, মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে গণদর্পণ”। 

আরও পড়ুন: জনঅরণ্যে সম্প্রীতির বার্তা

এই পর্বেই ব্রজদার সঙ্গে যোগাযোগের শুরু এই কলমচির। বন্ধু সবুজের এই লেখা বেরোনোর আগেই যাওয়া শুরু করেছি ব্রজদার ভবানীপুরের কাঁসারিপাড়ায় ৩২ নম্বর ধীরেন্দ্রনাথ ঘোষ রোডের তিনতলার চিলেকোঠায়। সেখানে নানান বিষয়ে কথা হত। মূলত ব্রজদাই বক্তা। আর আমরা ক’জন কলেজপড়ুয়া তাঁর মুগ্ধ শ্রোতা। ব্রজদার অবশ্য নির্বাক শ্রোতা পছন্দ ছিল না। ফলে আমরাও নানান প্রশ্ন করতাম। ব্রজদা হাসিমুখে তার জবাব দিতেন। শুধু যে তত্ত্বকথা বলতেন তা নয়, তথ্য জানাতেন তাও নয়; বলতেন জীবনের নানান অভিজ্ঞতার কথা। আমরা দেখতাম এই একটা লোক মুখে যা বলেন বাস্তবে তার অনেকটাই তো মেনে চলেন। ততদিনে এটাও জানা হয়ে গেছে আমাদের তৃপ্তিদি, তাঁর সঙ্গিনী, তথাকথিত বৈবাহিকসূত্রে আবদ্ধ নন। তাঁরা লিভ টুগেদার করেন আর তা করেন ষাটের দশক থেকে। সময়ের নিরিখে বিষয়টা কম বৈপ্লবিক ছিল না। তথ্য হিসেবে এটাও জানানো যাক, তৃপ্তিদি বয়সে ব্রজদার থেকে বড়। সামাজিক রীতি না মানা এই সম্পর্ক ব্রজদার প্রতি আমাদের আরও শ্রদ্ধাশীল করে দিয়েছিল। আর তাই সদ্য পড়া এঙ্গেলসের ‘অরিজিন অব ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রপার্টি অ্যান্ড স্টেট’-এর সারাৎসার ব্রজদার মুখে শুনতে ভালো লাগত।  

ইতিহাসে এমএ পাশ করে যখন গবেষণা শুরু করার কথা ভাবছি, তখন বিজ্ঞান আন্দোলনের ইতিহাস ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ের কথা মনে হয়নি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে হয়তো ব্রজদার সঙ্গে এই আড্ডারও একটা ভূমিকা ছিল। তখনও পিএইচডি-র কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি, তবে লেখাপড়া চলছে। সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদের অধিবেশন বসবে কলকাতায়। ইচ্ছে হল মরণোত্তর দেহদানের ইতিহাস নিয়ে পেপার দেওয়ার। ব্রজদাকে বলতে তাঁর তো উৎসাহের অন্ত নেই। শুধু অবাক হয়ে বললেন, এরকম বিষয় ইতিহাসের লোকেরা গ্রহণ করবেন তো? এরপরে কয়েকমাস ধরে চলল এই নিয়ে পড়াশোনা। এই গবেষণা শুধু  গণদর্পণ সংক্রান্ত নয়, নয় শুধু মরণোত্তর দেহদান আন্দোলন নিয়েও। সামগ্রিকভাবে মরণোত্তর দেহদানের ইতিহাস সন্ধান করাই ছিল লক্ষ্য। পেপারের নাম দিলাম “মরণোত্তর দেহদান: ইতিহাস কী বলে?” এই ইতিহাসের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহের কাজে ব্রজদা ছিলেন আমার কমরেড। বেশ মনে পড়ে বামপন্থী ব্রজদার সঙ্গে গিয়েছি ভবানীপুরের এক ফোটোকপির দোকানে। গিয়েছি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের পত্রিকা ‘অর্গানাইজার’-এর একটা সংখ্যার ফোটোকপি করতে। ব্রজদার হাতে আরএসএস-এর পত্রিকা? হ্যাঁ, কারণ সেই সংখ্যায় (১২ অক্টোবর ১৯৯৭) পাতা জুড়ে বেরিয়েছে মরণোত্তর দেহদানের কথা; আরএসএস-এর প্রবীণ নেতা নানাজি দেশমুখের দেহদানের অঙ্গীকারের খবর, সংঘ পরিবারের দেহদানকে সমর্থনের কথা। দেহদানের সমর্থনে কোনও কিছুই যে ব্রজদার কাছে অচ্ছুৎ নয়। তাঁর কাছ থেকেই জানা ইসলামে বোহরা সম্প্রদায়ের মানুষের দেহদানে সমর্থনের কথা, জন্মান্তরবাদ, পুনরুজ্জীবনবাদের প্রবল সংস্কারকে অতিক্রম করে কলকাতার প্রটেস্টান্ট ধর্মযাজক রেভারেন্ড কেনেথ ব্যানার্জির দেহদানের খবর। এমনকি কলকাতার বিশিষ্ট পার্সি মানুষ সুরকার ভি বালসারার কাছে হাজির হয়েছিলেন গণদর্পণের দুই তরুণ; সাইলেন্স টাওয়ারে শকুন জাতীয় পাখির খাদ্য হওয়ার পরিবর্তে দেহদান করলে কেমন হয়? শোনা যায়, বিশিষ্ট সুরকার এ-ব্যাপারে তাঁর আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। বলা বাহুল্য, এসবের পেছনেও ছিলেন ব্রজদা। আসলে মরণোত্তর দেহদানের পক্ষে যেকোনও কাজেই তিনি নাছোড়বান্দা। আর সব সময়ই মনে করতেন এ-কাজে যদি বিশিষ্টদের রাজি করানো যায়, তবে বিষয়টা সকলের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে। আর সেজন্যই সর্বত্র হাজির হয়ে যেতেন কাঁধে ঝোলা ব্যাগটাতে অঙ্গীকারের কাগজপত্র আর জরুরি সব প্রচারপুস্তিকা নিয়ে।  

তাঁর সঙ্গে তর্ক করেছি। ঝগড়াও করেছি বহুবার। “শুধু সেলিব্রিটিদের নিয়ে আপনার কাজ! সাধারণ মানুষ তো দেহদান করতে গিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন”— বলেছি তাঁকে। বলেছি প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে। মেডিক্যাল কলেজে সন্ধের পর কেউ দেহ নিতে রাজি হয় না, ছুটির দিনে তো নৈব নৈব চ। এমনকী দেহ দান করতে গিয়ে ঘুস নিতে চাওয়ার অভিজ্ঞতাও হয়েছে সদ্য নিকটাত্মীয় হারানো বন্ধু বিজ্ঞানকর্মীকে। ব্রজদাকে রেগে গিয়ে বলেছি, “যদি দেহ নেওয়ার সুষ্ঠু বন্দোবস্ত না করতে পারেন তবে আর দেহদানের প্রচার করবেন না।” ব্রজদা শুনেছেন। কিন্তু কখনও রাগ করেছেন কি? ক’দিন পরেই ফোন। “ব্রজ রায়। শোনো, একটা কাজ হাতে নিয়েছি। একটু কথা বলতে হবে। চলে এসো একদিন।” ‘যাব’ বলতেই পরের প্রশ্ন, “কবে আসছ?” এরকমই তো নাছোড়বান্দা মানুষটা। ইতিমধ্যে তিনতলার চিলেকোঠার বদলে ডি এল খান রোডে একটা কর্পোরেশন স্কুলে ব্রজদা বিকেলবেলা বসার ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। যত অসুবিধাই হোক না কেন সেখানে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হবেনই গণদর্পণের কোনও না কোনও কর্মী আর বেশিরভাগ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকবেন ব্রজদা। কোথায় না কোথায় মরণোত্তর দেহদানের বার্তা প্রচার করতে গেছেন ব্রজদা। রাজ্যের নানান প্রান্তে তো বটেই, ভিনরাজ্যেও। ২০০২ সালে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মরণোত্তর দেহদান নিয়ে কনফারেন্স করলেন ব্রজদা। আমায় বললেন, “তোমাকে মরণোত্তর দেহদানের ইতিহাস বলতে হবে।” ব্রজদার আদেশ শিরোধার্য করে সেবার গিয়েছিলাম দিল্লি, অনেক মানুষকেই তাঁদের সম্পূর্ণ না-জানা বিষয়ের ইতিহাস শুনিয়েছিলাম। আর একবার ব্রজদা ঠিক করলেন রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে মরণোত্তর দেহদানের কথা তুলে ধরতে হবে। আমার ওপর ভার পড়ল বিষ্ণুপুরের রামানন্দ কলেজে বলার। হলভর্তি ছাত্র আর অধ্যাপকদের সামনে আমার সেই বলার কথা মনে পড়ে।

আরও পড়ুন: ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিত ও বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা

ব্রজদার গণদর্পণের কথা বলতে গেলে তো বলতেই হবে এর পত্রিকা ‘মুখপত্র গণদর্পণ’-এর কথা। পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন তৃপ্তিদি, তৃপ্তি চৌধুরী। ১৯৮৮-তে শুরু হয় এই পত্রিকা। প্রচ্ছদে লেখা থাকত “গণদর্পণ চায় জীবনের সকল ক্ষেত্রে চিন্তায় এবং আচরণে বিজ্ঞানচেতনা এবং যুক্তির প্রতিষ্ঠা”। ব্রজদার আহ্বানে এই পত্রিকায় অনেক লিখেছি। তৃপ্তিদি, আমাদের মত নবীন কর্মীদের দায়িত্ব দিয়ে নব্বইয়ের দশকেই শুরু করেছিলেন ‘ছোটতে বড়োতে’ বিভাগ; সবুজ, অনির্বাণ অনেক দায়িত্ব নিত গোড়ার দিকে। পত্রিকার কাজ হত উমা প্রেসে। সেখানে গিয়েও কাজ করার কথা মনে পড়ে। কয়েক বছর আগে, পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে ব্রজদা অলৌকিকতা আর অনাচার নিয়ে একটা লেখা দিতে বললেন। বের হলে দেখি সেটা সম্পাদকীয় করেছেন। এই পত্রিকা যাতে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের লাইব্রেরিতে রাখা হয় তার জন্য বারবার সরকারি দপ্তরে গিয়ে একটা নির্দেশনামা আদায় করেছিলেন ব্রজদা। সরকারি আধিকারিকরা এই নাছোড়বান্দা লোকটিকে চিনতেন। নিয়মিত সরকারি দপ্তরে হানা দিতেন তিনি। না, কোনও ফ্ল্যাটের তদ্বির করতে নয়, কোনও ব্যক্তিস্বার্থে নয়। একটাই স্বার্থ, মৃত্যুর পর দেহটা যেন মানুষের কাজে লাগে। যে-সময়ে ব্রজদা কাজ শুরু করেছিলেন, তখনও ব্রেন ডেথের আইন এ-দেশে হয়নি। কাজেই অঙ্গ প্রতিস্থাপন বিদেশে হলেও এ-দেশে হওয়ার সুযোগ ছিল না। তখন শুধু শবব্যবচ্ছেদই হত। ব্রজদা বলতেন, “তাই বা কম কি? এই দেখো ১৯৪৫ সালের ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে লেখা আছে প্রত্যেক ডাক্তারি ছাত্রকে অন্তত একটা শবব্যবচ্ছেদ করতে হবে, তা দেহ না পাওয়া গেলে এত ডাক্তারি ছাত্র তা করবে কী করে?” ব্রজদা স্বপ্ন দেখা চোখে বলতেন ১৮৩৬-এর ১০ জানুয়ারি পণ্ডিত মধুসূদন গুপ্তের প্রথম শবব্যবচ্ছেদের কথা। তাঁর মতে তা তো শুধু শবব্যবচ্ছেদ ছিল না, ছিল সমাজ-ব্যবচ্ছেদও। ওই দিন তিনি আয়োজন করতেন পণ্ডিত মধুসূদন গুপ্ত স্মারক বক্তৃতা। আর গণদর্পণের ঘরে প্রতি মাসে বসত মিল মিলাও আখড়া, যেখানে নানান বিষয় নিয়ে বক্তৃতা এবং তারপর খোলামেলা আলোচনা হত। কত নবীন গবেষক সেখানে জিজ্ঞাসুদের সামনে তুলে ধরেছেন তাঁদের ভাবনা। আসলে ব্রজদা মরণোত্তর দেহদানের আন্দোলন করলেও শুধু তাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি মনে করতেন সমাজ বদলের কাজে এটা একটা অঙ্গ মাত্র। বলতেন দেহ যদি শেষ অবধি নাও কাজে লাগে এই ভাবনাটা তো কাজে লাগবে যে পরলোক বলে কিছু নেই। জন্মান্তরবাদ নেই। মৃত্যুর পরেও সমাজের কাজে লাগা সম্ভব।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্রজদার দেহদান করা হয়তো গেল না। কিন্তু খবরে প্রকাশ: তাঁর দেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে প্যাথোলজিকাল পোস্টমর্টেম বা রোগ নির্ণায়ক ময়নাতদন্ত হবে। করোনায় মৃত মানুষের ক্ষেত্রে এশিয়া মহাদেশে এই পরীক্ষা প্রথম হবে। তারপর দেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় সৎকার করা হবে। এই ব্যবস্থার দাবি ব্রজদা দীর্ঘদিন ধরে করে এসেছেন।  ব্রজদার দেহ দিয়েই এই মহাদেশে প্রথম প্যাথলজিক্যাল অটোপসি হতে চলেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এ-এক মাইলফলক। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের পূর্ণ সহযোগিতায় এই কাজ হতে চলেছে। এর পরেও যদি আমরা ব্রজদার মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিই, তবে এই বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মী আর মানবাধিকারকর্মীকে কি অসম্মানই করব না?

লেখক কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপনা করেন

Facebook Twitter Email Whatsapp

6 comments

  • নবনীতা বসু
  • খুব ভালো লাগলো, যথাযথ

  • খুবই ভালো লাগলো, যথাযথ উপস্থাপন।

  • Debashis Majumder

    Ashadharon upasthapona

  • দেবাশিস ঘোষ

    মরণোত্তর দেহদান নিয়ে ব্রজ রায়ের দীর্ঘ বছরের কাজের কথা জানলাম এই সুলিখিত প্রবন্ধ পড়ে। ভালো লাগলো।

  • Goutam Chattopadhyay

    এপিডিয়ারের দিনগুলোয় ব্রজদার সান্নিধ্য মনে পড়ছে।
    আপনার গবেষণা সূত্রে জানিনা শান্তি রঞ্জন বসুর মৃত জনে দেহো প্রাণ বইটার উল্লেখ ছিল কিনা! আজ শান্তিদাকেও মনে পড়ছে।
    গোয়া মেডিক্যাল কলেজে দান করা প্রথম দেহটি ছিল আমার সহকর্মী – দাদা – এপিডিয়ারে সহযোদ্ধা চন্ডীদাস মুখোপাধ্যায়ের। আজ তাঁকেও মনে পড়ছে।
    এতটাই অভিভূত করেছে আপনার লেখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *