নৃশংস! গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ জানতে সরাসরি স্ত্রীর পেট কাটল স্বামী

Mysepik Webdesk: ভারতের গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সেইকারণের ডাক্তারি পরীক্ষায় জানা সম্ভব নয় বুঝতে পেরে নৃশংস পদক্ষেপ নিলেন এক ব্যক্তি। তিনি একটি ধারালো অস্ত্র নিয়ে কেটে ফেললেন স্ত্রীর পেট। চরম নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বরেলিতে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম পান্নালাল।

আরও পড়ুন: করোনায় সুস্থতার রেকর্ড ভারতের, টপকে গেল আমেরিকাকেও

জানা গিয়েছে পর পর পাঁচটি মেয়ে হওয়ায় পান্নালাল জানতে আগ্রহী ছিলেন, তার স্ত্রীর পেটে ছেলে এসেছে না মেয়ে। কারণ বার বার মেয়ে হওয়ার কারণে তিনি আগে থেকেই তার স্ত্রীর ওপর অসন্তুষ্ট ছিলেন। প্রায়ই তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন। এমনকি এই নিয়ে তিনি তার স্ত্রীর ওপর অত্যাচারও করতেন। এই অবস্থায় যখন ষষ্ঠবার তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তিনি গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন।

আরও পড়ুন: প্রবল ঠান্ডায় লাদাখে অসুস্থ হয়ে পড়ছে চিন-সেনা!

সূত্রের খবর, গত শনিবার রাতে তিনি রান্নাঘর থেকে মাংস কাটার ধারালো ছুরি নিয়ে সোজা স্ত্রীর ওপর আক্রমণ করেন। ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রীর পেট ফালা ফালা করে দেন। প্রচন্ড যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা দেখেন রক্তারক্তি কান্ড ঘটে গিয়েছে গোটা ঘরে আর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে তার স্ত্রী। তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। প্রতিবেশীরাই প্রথম পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে গ্রেফতার করে পান্নালালকে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় বর্তমানে মা ও গর্ভের শিশু দুজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *