‘গণহত্যা করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী’, আজ কালো পোশাকে প্রতিবাদ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের

Mysepik Webdesk: বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে রক্তপাতের ঘটনা আগেই ঘটেছে। এবার মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে কোচবিহারের মাথাভাঙায়। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। অভিযোগ, প্রায় ৩০০ জন দলীয় কর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ঘরে তাদের রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাই প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ওই কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী। একই দাবি করে নির্বাচন কমিশনও। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনাকে তিনি একপ্রকার ‘গণহত্যা’ বলে ব্যাখ্যা করেন। ঘটনার পর সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটাই দাবি করেন।

আরও পড়ুন: উদ্বেগ: করোনায় ক্রমে ঊর্ধ্বমুখী পশ্চিমবঙ্গ, দেশে শীর্ষে মহারাষ্ট্র

এদিন সকালেও ভিডিও কলের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃত চারজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ”এই সময় আমার ওখানে থেকে মৃতদের পরিবারের পাশে থাকাটা ভীষণ জরুরি ছিল। কিন্তু নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী আমি ওখানে থাকতে পারি না। তবে আমি ১৪ তারিখ যাব। আমরা মৃতদের পরিবারের লোকজনে পাশে থাকব। মৃতদের মধ্যে কারও স্ত্রী গর্ভবতী, কারও আবার তিন বছরের বাচ্চা আছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা। ওরা সবাই সাধারণ ভোটের। ভোট দিতে এসেছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী অকারণেই নির্বিচারে গুলি চালালো। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কোনও দিন দেখেনি বাংলা।”

আরও পড়ুন: ‘শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস’ নাম না ফিরলেও রবি ঠাকুরের ছবি ফেরাল রেল কর্তপক্ষ

প্রসঙ্গত, শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথে শনিবার সকালে ভোট শুরু হওয়ার কিছু পরেই আচমকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে ভোটারদের লক্ষ করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, একটি বাচ্চাকে অকারণে মারধরের ঘটনা ঘটায় সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে বেশ মানুষ বুথের সামনে জমায়েত হয়েছিল। ঠিক সেই সময় ওই জমায়েত লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। গুলি লেগে মৃত্যু হয় চার জনের। ঘটনার কথা স্বীকার করে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনার প্রতিবাদে গতকালই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি কালো পোশাকে জানান।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *