নীরজের সাফল্য অভিনবভাবে পালন করলেন চণ্ডীগড় নিবাসী অটোচালক অনিল কুমার

Mysepik Webdesk: টোকিও অলিম্পিকে সোনার পদক জেতার পর দেশের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জ্যাভলার নীরজ চোপড়ার নাম গোটা বিশ্বে বন্দিত হচ্ছে। গোটা দেশ মেতে উঠেছে আনন্দে। স্বর্ণপদক জয়ের আনন্দে মেতে উঠেছেন চণ্ডীগড়ের এক অটোচালকও। এহেন অটোচালক অনিল কুমার এতটাই আনন্দিত যে, তাঁর অটোয় ওঠা যাত্রীদের কাছ থেকে তিনি কোনও ভাড়া নেননি। গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যাত্রীদের বিনামূল্যে তাঁদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। অনিল জানিয়েছেন যে, করোনার সময়কালে দেশের খেলোয়াড়রা যেভাবে তাঁদের অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন, তার ফলশ্রুতিতেই এই পর্যায়ে সাফল্য এসেছে। আর ‘সোনা’র ছেলে নীরজ চোপড়ার পড়াশোনা এই চণ্ডীগড়ে। তাঁর খেলাধুলা নিয়ে বেড়ে ওঠাও চণ্ডীগড় থেকেই। ঘরের ছেলের নীরজের এই সাফল্যে তাই খুশির বাধ মানেনি অটোচালকেরও। তিনি নিজের মতো করে সোনা জেতার আনন্দ উদ্‌যাপন করেছেন যাত্রীদের বিনামূল্যে অটো চড়ার সুযোগ দিয়ে।

আরও পড়ুন: ‘মিলা ছাপ্পর ফাড়কে’ নীরজের জন্য পুরস্কারের ছড়াছড়ি

অনিল জানান, টোকিওতে দেশের হয়ে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবার প্রশংসার যোগ্য। দেশের খেলোয়াড়দের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে। তাই নিজের মতো করে তাঁদের উৎসাহ বাড়ানোর কাজে নেমেছেন তিনি। সেই কারণেই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তিনি তাঁর অটোতে বিনামূল্যে রাইড দিয়েছেন। অনিল আরও জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন শহরে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার অটো চালান। সেখান থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। উল্লেখ্য, এর আগে অনিল তাঁর অটোয় একটি বোর্ড লাগিয়েছিলেন। সেই বোর্ডে ৫ দিনের জন্য বিনামূল্যে তাঁর অটোয় চড়ার কথা লিখেছিলেন এবারের অলিম্পিক মেডেলজয়ীদের জন্য। এহেন অনিল কুমার সেনাবাহিনীর জওয়ান এবং গর্ভবতী মহিলাদের তাঁর অটোতে বিনামূল্যে পরিষেবা দেন। তিনি জানান যে, সেনা জওয়ানদের তাঁর অটোতে নিয়ে যেতে পারায় তিনি খুশি। শহরের গলিঘুঁজিতে, যেখানে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারে না, সেখানে বসবাসকারী গর্ভবতী মহিলাদের অনিল তাঁর অটোয়  বিনামূল্যে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *