চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে করতে এক বছর পূর্ণ করল চন্দ্রযান-২

Mysepik Webdesk: গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার চাঁদের কক্ষপথে ঘোরার একবছর পূর্ণ করল ইসরোর চন্দ্রাযান-২। এখনও যে পরিমান জ্বালানি অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে ভারতের দ্বিতীয় লুনার মিশনে পাঠানো এই চন্দ্রাযানটি আগামী আরও সাত বছর চাঁদের চারপাশে পরিক্রমা করতে পারবে বলে জানিয়েছে ইসরো। বর্তমানে সেটির সবকটি যন্ত্রই সঠিকভাবে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে ইসরোর তরফ থেকে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের জন্য পাঠানো হয়েছিল চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডের ‘বিক্রম’কে। এখনও পর্যন্ত কোনও দেশ চাঁদের দক্ষিণ মেরু অর্থাৎ অন্ধকার দিকে অবতরণে সক্ষম হয়নি।

আরও পড়ুন: কিছুক্ষণের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাহত গুগলের একাধিক পরিষেবা

Chandrayaan-2 orbiter completes 4400 orbits around moon, ISRO says it will  function for 7 yrs

২০১৯-এর ২২ জুলাই শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এই চন্দ্রযানটি, যার ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ সফলভাবে চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে এর অরবিটারটি সঠিকভাবেই কাজ করছে বলে জানিয়েছে ইসরো। এই প্রসঙ্গে ইসরোর তরফ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “যদিও চন্দ্রযান-২ এর বিক্রম ল্যান্ডার চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবুও এর অরবিটার চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে প্রতিস্থাপিত করা সম্ভব হয়েছিল। এই অরবিটারের মধ্যে আটটি ভিন্ন ভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। এই এক বছরে চাঁদের চারপাশে ৪,৪০০ বারেরও বেশি প্রদক্ষিণ করেছে এই অরবিটার। এর সবকটি যন্ত্রপাতি একদম যথাযথ কাজ করছে।”

আরও পড়ুন: পৃথিবী রক্ষাকারী আবরণীতে বড়োসড়ো গর্তের খোঁজ, বিপদের মুখে পৃথিবী!

Vikram lander should have been a single-engine design instead of carrying  five'- The New Indian Express

চন্দ্রযান ২ মিশনেই ভারত প্রথমবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অন্ধকার অঞ্চলে ‘বিক্রম’ নামের একটি রোভারকে সফট ল্যান্ড করানোর চেষ্টা করেছিল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও শেষ মুহূর্তের যান্ত্রিক গোলযোগে চাঁদের বুকে হার্ড ল্যান্ড করে বিক্রম ল্যান্ডার। তারপর সেটির সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই মিশনের অরবিটারটির সায়েন্টিফিক পেলোডস এবং হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে। সেই ক্যামেরা লুনার সারফেস এবং চাঁদের বাইরের আবহাওয়ার ছবি পাঠিয়ে চলেছে পৃথিবীতে। চাঁদের টপোগ্রাফি, মিনারেলজি, সারফেস কেমিক্যাল কম্পোজিশন এবং থার্মো-ফিজিক্যাল বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করে ছিল এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *