ময়দানের অনেক স্মৃতি নিয়ে চলে গেলেন চ্যাপম্যান

Mysepik Webdesk: ফুটবল জীবন শুরু হয়েছিল সাই সেন্টারের শিক্ষার্থী হিসেবে। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে  ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৯০-এ। তিন বছর পরে অ্যাকাডেমি থেকে স্নাতক হওয়ার পরে যোগ দেন কলকাতার অন্যতম ফুটবল জায়েন্ট ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। তিনি কার্লটন চ্যাপম্যান। প্রাক্তন ফুটবলার। সোমবার ভোর তিনটে নাগাদ কোমরে  ব্যথা অনুভব করেন তিনি। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে। ভোর পাঁচটায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: গোষ্ঠ পালের ইন্টারভিউ: স্মৃতিমেদুর রূপক সাহা

স্নাতক হওয়ার তিন বছর পরে, ১৯৯৩ সালে চ্যাপম্যান কলকাতা জায়ান্ট ক্লাব ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন। লাল হলুদ জার্সি পরেই এশিয়ান কাপ বিজয়ী কাপে ইরাক ক্লাব আল জাওরার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ইস্টবেঙ্গল ওই ম্যাচ জিতেছিল ৬-২ গোলে। এরপর তিনি চলে যান জেসিটিতে। আই এম বিজয়ন এবং ভাইচুং ভুটিয়ার সঙ্গে একটি দুর্দান্ত কম্বিনেশন গড়ে তুলেছিলেন এই মিডফিল্ডার। ১৯৯৬-এ জেসিটির হয়ে জিতেছিলেন উদ্বোধনী জাতীয় লিগ। উল্লেখ্য যে, তাঁর সময়ে জেসিটিরও স্বপ্নের ফর্ম চলছিল। ১৪টি ট্রফি জিতেছিল তারা। ১৯৯৮ সালে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলে আবার যোগ দিয়েছিলেন।

অবসর গ্রহণের পরে বেঙ্গালুরু-বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার টিএফএ-র একজন প্রশিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছিলেন এবং তাদের সঙ্গে ছ’বছর কাজ করেছিলেন। টিএফএ-র পরে তিনি শিলংয়ের রয়্যাল ওয়াহিংদো ক্লাবের পরিচালক হন এবং ২০১১ সাল থেকে পরপর তিনটি শিলং প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা এবং বরদলুই ট্রফিতে তাদের গাইড করেছিলেন। চ্যাপম্যান ২০১৩ সালে কোচিতে কোয়ার্টজ এফসির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকেন। এহেন ফুটবলারের মৃত্যুতে ভারতীয় ফুটবলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৯ বছর।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *