চিনের নজরদারিতে রয়েছে মোদি, মমতা, সোনিয়া-সহ একাধিক হাই প্রোফাইল ব্যক্তিরা, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

Mysepik Webdesk: সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে বেজিংয়ের নজরে রয়েছে মোদি, মমতা, সোনিয়া-সহ একাধিক হাই প্রোফাইল ব্যক্তি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের’ একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই কাজে নিযুক্ত রয়েছে শেনজেন ভিত্তিক জেননহুয়া (Zhenhua Data Information Technology Co. Limited) নামে একটি প্রযুক্তি সংস্থা। জানা গিয়েছে, ‘হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার’ এবং ‘চিনা জাতির মহান পুনর্জাগরণের’ উদ্দেশ্যেই একাজ করা হচ্ছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তালিকায় নাম রয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও তাঁদের পরিবার-সোহো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার থেকে আংশিক ভাবে শুরু হতে চলছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

এছাড়াও ভারতের একাধিক শিল্পপতি যেমন রতন টাটা, গৌতম আদানি, নিপুন মেহেরা এবং দেশের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে সহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরাও রয়েছে বেজিংয়ের রাডারে। বাদ যাননি ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ১৫ অফিসার, সিডিএ বিপিন রাওয়াতও। শুধু তাই নয়, হাই প্রোফাইল ব্যক্তিদের মধ্যে বহু সাংবাদিক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সামাজিক অধিকারের আন্দোলনকারীরাও রয়েছেন বেজিংয়ের তালিকায়। চিনের ওই সংস্থার দাবি, তারা আসলে চিনের গোয়েন্দা বাহিনী যারা চিনের সেনা ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। এমনকি ভারতের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, আরব আমিরশাহীরও বহু তথ্য রয়েছে তাদের কাছে।

আরও পড়ুন: মাইক্রোসফটকে প্রত্যাখ্যান করল টিকটক

জেননহুয়ার ওয়েবসাইটের মারফত জানা গিয়েছে সংস্থাটি ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে গঠিত হয়েছিল। গোটা চিনজুড়ে তাদের ২০ প্রসেসিং কেন্দ্র রয়েছে। সংস্থাটি তাদের ক্লায়েন্ট হিসেবে চিন সরকার এবং চিন-সেনাকে গণ্য করে। যদিও ওয়েবসাইটের মেইল এড্রেসে মেইল করে সংস্থাটি সম্মন্ধে জানা হলে কোনও উত্তর আসেনি। এমনকি ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ওই ওয়েবসাইটটিকেও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি জেনহুয়ার প্রধান অফিসে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধিরা পৌঁছালেও তাদের তরফে কর্মীরা কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন: সন্তানের সামনে ফ্রান্সের যুবতীকে গণধর্ষণ, উল্টে ধর্ষিতাকেই ভৎসনা করল পাকিস্তানের পুলিশ

এদিকে দিল্লির চিনা দূতাবাস সূত্রে দ্য ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেসের প্রতিনিধিরা জানতে পেরেছে, চিনের কোনও প্রযুক্তি সংস্থার কাছে অন্যদেশের কোনও ব্যক্তি, সংস্থার তথ্য থাকলে তা চিনা গোয়েন্দা ও সেনাকে দিতে হবে, এমন কোনও কথা চিনা সরকার বলেনি। অথচ জেনহুয়ার দাবি, চিনা সরকার ও সেনা তাদের ক্লায়েন্ট। যদিও এর কোনও সুদুত্তর পাওয়া যায়নি চিনা দূতাবাস সূত্রে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *