তিন নভোচরকে নিয়ে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে পৌঁছল চিনের মহাকাশযান, তৈরি হবে স্থায়ী পরীক্ষাকেন্দ্র

Mysepik Webdesk: চিনের প্রথম মানুষবাহী মহাকাশযানটি স্থায়ী মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহাকাশযান শেনঝু-১২ সফলভাবে মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছে, এই খবরটি নিশ্চিত করেছে চিন সরকার। জানা গিয়েছে, ওই মহাকাশযানে করে তিনজন মহাকাশচারী মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছেছে। আগামী তিনমাস তাঁরা মহাকাশ কেন্দ্রে থাকবেন। তাঁরা সেখানে একাধিক পরীক্ষামূলক যন্ত্রপাতি বসবেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাবেন। চিন সরকার জানিয়েছে, এই মিশনটি আসলে চিনের গত পাঁচ বছরে এই প্রথম মানুষবাহী মহাকাশ যাত্রা।

আরও পড়ুন: এসে গেল WINDOWS 11 কবে থেকে ডাউনলোড করা যাবে, জানাল MICROSOFT

বৃহস্পতিবার চিনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের জিউকুয়ান উপগ্রহ উতক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রওনা দেওয়ার পর ছ’ঘন্টার মধ্যেই মহাকাশযানটি মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ের প্রধান সেকশন তিয়ানহের সঙ্গে মিলিত হয়। চিনের মহাকাশ গবেষকদের দাবি, এই নতুন মহাকাশ কেন্দ্রটি আগামী ১০ বছর সক্রিয় থাকবে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পর চিন হল বিশ্বের তৃতীয় দেশ যারা মহাকাশে মানুষ পাঠাল। যদিও মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে চিন অনেক দেরিতে তাদের গবেষণা শুরু করেছে। ২০০৩ সালে চিন প্রথম তার নভোচারীকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠায়।

আরও পড়ুন: ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই, কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি খারিজ জিনোমিক সার্ভিলেন্সের গবেষকদের

কক্ষপথে প্রদক্ষিণকারী একমাত্র মহাকাশ স্টেশন আইএসএস (ইন্টারন্যাশানাল স্পেস স্টেশন) তৈরি হয়েছিল রাশিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ এবং জাপানের সমন্বিত উদ্যোগে। সেই সময় চিনকে এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। এখনও পর্যন্ত চিন ২০১১ ও ২০১৬ সালে দুটি মহাকাশ স্টেশন পাঠিয়েছে। তিয়াংগং-১ ও তিয়াংগং-২ নামের ওই দুটি স্টেশনকে পরীক্ষামূলকভাবে মহাকাশে পাঠিয়েছিল চিন। ওই স্টেশনের মডিউলগুলোতে নভোচারীরা খুবই অল্প সময় থাকতে পারতেন। একাধিক মডিউলবিশিষ্ট ৬৬ টন ওজনের তিয়াংগং স্পেস স্টেশনটি আকারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *