Latest News

Popular Posts

আফ্রিকার বড়দিন ও তার ইতিহাস

আফ্রিকার বড়দিন ও তার ইতিহাস

অনিন্দ্য বর্মন

ইতিকথা

আফ্রিকা পৃথিবীর অন্ধকারতম মহাদেশ। বিস্তীর্ণ সাহারা মরুভূমি অথবা গভীর কঙ্গো অরণ্য বর্তমান সভ্য সমাজের অজানা রহস্য নিরাপদে লুকিয়ে রেখেছে। ২০০ বছর ধরে আফ্রিকার পিরামিড, হিরের খনি, কিলিমাঞ্জারো-র আগ্নেয়গিরি মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন উত্থাপিত করেছে। এই মহাদেশে প্রথম উনিশ শতকের মধ্যভাগে সভ্যতার আলো নিয়ে পৌঁছেছিলেন ড. ডেভিড লিভিংস্টোন। উনিশ শতকের শেষভাগে উত্তর এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলি অধিকার করে নেয় ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদ। আফ্রিকায় গড়ে ওঠে উপনিবেশ। প্রায় ১৯৯০ অবধি, আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশেই ছিল ইউরোপীয় আধিপত্য।

আরও পড়ুন: বিশ্বজনীন ক্রিসমাস উৎসবের কিছু অভিনব উদ্‌যাপন

আফ্রিকা গরিব। এখানের বাসিন্দারা অর্থনৈতিকভাবে বাকি দেশের তুলনায় অনেকই পিছিয়ে। তবে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ক্ষেত্রে একাধিক প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এবং ঐতিহ্য বহন করে চলেছে আফ্রিকা। আধুনিক শহরগুলি ব্যাতিরেকে আফ্রিকার বেশিরভাগ মানুষই জনজাতি অথবা উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। এদের মধ্যে ইজিপশীয় বেদুইন, কেনিয়ার মাসাই অথবা দক্ষিণ আফ্রিকার জুলু জনজাতি বেশ জনপ্রিয়।

এই সমস্ত গোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ধর্মীয় প্রথা আছে। যুগ যুগ ধরে এই প্রথা অব্যাহত। ইজিপশীয়দের রা, ওসাইরিস, আনুবিস; জুলুদের উকুলুঙ্কুলু অথবা মাসাইদের এংগেই নারক এবং এংগেই না-ন্যোকি— এদের নাম এবং ধর্মীয় আচরণ নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। ইউরোপীয় সভ্যতার হাত ধরেই আফ্রিকায় খ্রিস্ট ধর্মের সূত্রপাত হয়। ঔপনিবেশিক শক্তির বাহুবলে ইউরোপীয় পাদ্রিরা বহু আফ্রিকান মানুষের ধর্মান্তরণ করেছিলেন। এভাবেই অন্ধকার মহাদেশে ক্রিসমাস অথবা বড়দিন উদ্‌যাপনের চল শুরু হয়।

বড়দিনের মানে আমরা সবাই জানি। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন হিসেবে প্রতি বছর ২৫ ডিসেম্বর উদ্‌যাপিত হয় বড়দিন। তবে আফ্রিকার বড়দিন উদ্‌যাপন বাকি মহাদেশগুলির থেকে সামান্য আলাদা। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় খ্রিস্ট ধর্মের প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় মিশরে। বহু আফ্রিকান দেশেই বড়দিনকে তাদের প্রধান দেবতা রা-এর জন্মতিথি হিসেবে পালন করা হয়। ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে সেগুলি রা-কে উৎসর্গ করা হয়। বহু দেশে আবার শীতের অয়নকাল (Solstice) অথবা শীতের পরব হিসেবে বড়দিন উদ্‌যাপিত হয়। এই উদ্‌যাপনের বিভিন্ন রকমফের আছে। কিছু দেশে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হয় না। সেনেগাল ইসলামিক দেশ হলেও সেখানকার মানুষ বড়দিনে ক্রিসমাস ট্রি দিয়ে মসজিদ সাজায়। গাম্বিয়ায় বড়দিন উদ্‌যাপনের জন্য ফ্যানেল নামক লণ্ঠন তৈরি করা হয়। এই কারণেই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে বড়দিন উদ্‌যাপিত হয়ে থাকে। আফ্রিকায় সরকারি ছুটির সংখ্যা ভীষণই কম। তাই বড়দিন উদ্‌যাপন এখানে বিশেষ মাত্রা পায়।

আরও পড়ুন: ব্রিস্টল শহরবাসীদের ধন্ধে ফেলেছিলেন ‘রহস্যময়ী রাজকুমারী’ মেরি বেকার

নাইজেজিরিয়া আফ্রিকার চতুর্দশতম বৃহত্তর দেশ। অদ্ভুত বিষয় হল, নাইজেরিয়ায় ৫৫১টি ভাষা আছে। অর্থাৎ নাইজেরিয়ায় ৫৫১টি ভাষায় বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়ে থাকে। আবার এখানে সবাই মেরি ক্রিসমাসও বলতে পারে কারণ ইংরেজি নাইজিরিয়ার রাজভাষা। আবার কিছু দেশে, যেমন বেনিন, বুরকিনা ফাসো, গ্যাবন ইত্যাদির ক্ষেত্রে মেরি ক্রিসমাসের বদলে ‘জ্যঁইয়ু ন্যোয়ে’ বলতে হয় কারণ এই দেশগুলির রাজভাষা ফরাসি। নামিবিয়ায় বড়দিনের শুভেচ্ছাকে কিছু মানুষ গেসেন্দে কার্সফিস বলে থাকেন। বাকিরা অন্য ভাষা ব্যবহার করেন। সিয়েরা লিয়নে বলা হয়, ‘জাব্বামে বে সাল্লা কিরিসমাতি’। বিভিন্ন জনজাতির মানুষও বিভিন্ন ভাষা ব্যবহার করে। যেমন জুলুরা বলে ‘উখিশিমুসি ওমুলে’। বেনিনের ইয়োরুবা জনজাতি বলে ‘ই কু ওদুন, ই কু ইয়ে’দুন’। গায়েনাতে বলা হয় ‘ই কেরেসসিমেসি ওমা’। এভাবেই বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন জনজাতি অনুযায়ী, সমগ্র আফ্রিকায় বিভিন্ন ভাষায় এবং প্রথায় বড়দিন পালন করা হয়ে থাকে।

আফ্রিকার অদ্ভুত বড়দিন পালনের রীতি

আফ্রিকার জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ মানুষ খ্রিস্ট ধর্ম পালন করে থাকেন। বড়দিন উদ্‌যাপন আফ্রিকার মানুষদের জন্য এক বিরাট আনন্দের বিষয়। তবে এই অন্ধকার মহাদেশের বড়দিন পালনের নিজস্ব রীতি আছে। ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলিতে বরফ, ফার গাছ (ক্রিসমাসে যে পাইন গাছ ব্যবহার হয়) এবং সুরা ছাড়া বড়দিন উদ্‌যাপন করার কথা ভাবাই যায় না। অথচ এই জিনিসগুলির কোনওটাই আফ্রিকার বড়দিন উদ্‌যাপনের আবশ্যিক অংশ নয়। আফ্রিকার বড়দিন মানে হল জাঁকজমকপূর্ণ সংগীতানুষ্ঠান, রোদ্দুর মাখা জমকালো খানা-পিনা এবং শহর জুড়ে বিরাট মিছিলের আয়োজন। পরিবার, পরিজন, আত্মীয়সজন নিয়ে গির্জায় যাওয়া এবং ফিরে এসে বিরাট মহাভোজে শামিল হওয়া— আফ্রিকার প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই বড়দিনে এই ছবি দেখা যায়। অবশ্য দেশ অনুযায়ী এই রীতির কিছু রকমফের আছে। বড়দিনের সময় আফ্রিকায় ৬টি এমন ঘটনা ঘটে, যা সাধারণত অন্য কোনও মহাদেশে পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি: স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে সাম্প্রতিক

১. ক্রিসনাস পালনের ভিন্ন দিন

এটা ঠিকই যে, অধিকাংশ আফ্রিকান দেশই ২৫ ডিসেম্বরে বড়দিন উদ্‌যাপন করে থাকে। কিন্তু মিশর এবং ইথিওপিয়ায় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার মানা হয়। তাই এখানে ২৫ ডিসেম্বরের বদলে ৭ জানুয়ারি বড়দিন পালন হয়। আবার ঘানায় পুরো ডিসেম্বর জুড়ে বড়দিন উদ্‌যাপিত হয়। আসলে এই সময়ে এখানে কোকো চাষ শেষ করে ঘরে ফসল তোলা হয়। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিনের সঙ্গে মিশে যায় চাষের আনন্দ। এই এক মাস সমস্ত বাড়ি, দোকান, রাস্তা আলো এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়।

২. সান্তাক্লজ বিহীন ক্রিসমাস

আফ্রিকার কিছু দেশে সান্তাক্লজের প্রচলন নেই। তারা বিশ্বাসই করে না যে লাল জামা পরিহিত, সদাহাস্যমুখ এক ব্যক্তি স্লেজে চড়ে এসে বাচ্চাদের উপহার দিয়ে থাকেন। লাইবেরিয়ায় বড়দিনে ওল্ড ম্যান বাইকা-র দেখা মেলে। এদেরকে দুষ্ট মানুষ হিসেবে দেখা হয়। উপহার দেওয়ার পরিবর্তে এরা উপহার ভিক্ষা করে। লাইবেরিয়ায় মেরি ক্রিসমাস বলারও প্রচলন নেই। তার পরিবর্তে বলা হয় মাই ক্রিসমাস অন ইউ অর্থাৎ এই বড়দিনে আমাকে ভালো কিছু দাও। মিশর এবং ইথিওপিয়ায়ও সান্তাক্লজের প্রচলন নেই। অন্যদিকে, কেনিয়াতে সান্তাক্লজ স্লেজের বদলে উট অথবা মোটরবাইকে চেপে আসেন।

আরও পড়ুন: সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৯)

৩. গির্জায় উপাসনা এবং ক্রিসমাস ক্যারোল

বেশিরভাগ আফ্রিকান দেশেই বড়দিনে গির্জায় উপাসনার রীতি সবথেকে বেশি প্রাধান্য পেয়ে থাকে। মূলত এর উদ্দেশ্য যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উদ্‌যাপন। আফ্রিকায় বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় (ক্রিসমাস ইভ) এবং বড়দিনের সকালে (ক্রিসমাস ডে) দু’রকমের উপাসনার আয়োজন করা হয়। মূলত আয়োজন করা হয় স্থানীয় ভাষা এবং সংস্কৃতিমূলক নাটক, নাচ, বিভিন্ন জলসা, ক্যারোলিং (বড়দিনে যিশুর উদ্দেশ্যে গাওয়া গান) এবং কমিউনিয়ন টেবিল (টেবিলের ওপর সবার জন্য উপহার সাজিয়ে রাখা হয়)। কঙ্গোতে সবাই উপহার এনে গির্জায় রাখা এই কমিউনিয়ন টেবিলের ওপর সাজিয়ে রাখে। বড় মাপের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যাতে অন্তত ৫টি কয়্যার (সমবেত ক্যারোল গান) এবং একটি সম্পূর্ণ নাটক আয়োজিত হয়। মালাউইতে বাচ্চারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিভিন্ন ক্যারোল গায় এবং ছোট নাটক অভিনয় করে দেখায়। পরিবর্তে তাদের কিছু উপহার এবং অনুদান দেওয়া হয়। জাম্বিয়ায় গির্জায় নাটকের আয়োজন করা হয় এবং মানুষ রাস্তায় ক্যারোল গেয়ে থাকে। পৃথিবীর বহু দেশে রাত ১২টা বাজলে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে এবং সান্তার আসার জন্য অপেক্ষা করে। আফ্রিকায় হয় ঠিক এর উলটো। গাম্বিয়ায় গির্জায় ক্রিসমাস ইভ উদ্‌যাপিত হওয়ার পর বিরাট মিছিল বের করা হয়। মিছিলে শহরজুড়ে মানুষ ফ্যানেল নিয়ে নাচ ও গানের আয়োজন করে থাকে। ফ্যানেল বাঁশ এবং কাগজ দিয়ে তৈরি লণ্ঠন। এর আকৃতি হয় নৌকা অথবা বাড়ির মতো। এই লণ্ঠনের ভেতর মোমবাতি জালিয়ে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুদান সংগ্রহ করা হয়। গাম্বিয়া এবং সিয়েরা লিয়নে রঙিন মুখোশ পরেও মানুষ মিছিল করে থাকে। আফ্রিকার প্রায় প্রত্যেক দেশেই নিজস্ব অধ্যাত্মিক প্রথায় বড়দিন উদ্‌যাপনের রীতি প্রচলিত আছে।

আরও পড়ুন: আদিবাসী জনজীবন ও পশুপাখি

৪. বড়দিনের ভূরিভোজ

পৃথিবীর সমস্ত দেশেই বড়দিনে যিশু খ্রিস্টের জন্মতিথি উদ্‌যাপন এবং মহাভোজের রীতি প্রচলিত। আফ্রিকাও ব্যতিক্রম নয়, তবে অবশ্যই তার ধরন অন্যান্য মহাদেশের থেকে আলাদা। আফ্রিকার প্রায় প্রত্যেক দেশেই নিজস্ব ঘরানার সুস্বাদু খাবার রান্না করার প্রচলন আছে। কেনিয়াতে এই উদ্‌যাপনকে বলা হয় ন্যামা চোমা অর্থাৎ গ্রিল্ড মাংসের সঙ্গে আলুর স্যুপ রান্না করা হয়। সাউথ আফ্রিকায় বাইরে খোয়ামেলা পরিবেশে বারবিকিউ-এর ব্যবস্থা করা হয়। তানজানিয়ায় গরু অথবা ছাগল রোস্ট করে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে থাকে বাড়িতে তৈরি পানীয় (বিয়ার)। লাইবেরিয়ায় প্রধান খাদ্য হিসেবে থাকে গরুর মাংস, ভাত এবং বিস্কুট। নাইজেরিয়ায় বিভিন্ন রকমের ভাত, টম্যাটোর স্যুপের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় ভাজা মুরগি অথবা ছাগলের মাংস। ঘানায় পরিবেশন করা হয় তাদের নিজস্ব রান্না— জোলোফ ভাত, ফুফু এবং ঢ্যাঁড়সের স্যুপ। আফ্রিকার প্রত্যেকটি দেশের সমস্ত পরিবার এই মহাভোজ নিজের পরিজনদের সঙ্গেই আয়োজন এবং উদ্‌যাপন করে থাকে। অপরিচিত কেউ এসে পড়লে, তাকেও এই ভোজে সাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়।

৫. বড়দিনের উপহার

আফ্রিকায় উপহার দেওয়া-নেওয়ার রীতি খুব একটা প্রাসঙ্গিক নয়। মানুষ উপহার দেয়, তবে তা মূলত গির্জা এবং অনাথ আশ্রমে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। উপহার হিসেবে সবথেকে বেশি দেওয়া হয় জামাকাপড়, বই-খাতা, সাবান, মোমবাতি এবং খেলনা। আফ্রিকার সবথেকে জনপ্রিয় রীতি হল নতুন জামাকাপড়। কেনা হোক অথবা দরজিকে দিয়ে বানানো— মানুষ গির্জায় উপাসনার জন্য নতুন জামা পরে হাজির হয়। তবে মানুষ তাদের নতুন জামা আগেই সংগ্রহ করে নেয়, কারণ সবাই জানে, ডিসেম্বরে এইসব জামার দর বাড়িয়ে দোকানিরা বাড়তি লাভের চেষ্টা করে থাকে।

আরও পড়ুন: নৌকাডুবি ও নেতো-পদ্মার অন্যান্য কৌশল

৬. বড়দিনের সাজগোজ

আফ্রিকার দেশগুলিতে বড়দিনের সময় আলো দিয়ে সাজানো একটি প্রথা। বাড়ি, দোকান, গাছ— প্রায় সবকিছুতেই তারা আলোর মালা পরিয়ে দেয়। তবে আফ্রিকায় পাইন অথবা ফার প্রজাতির গাছ (যা প্রায় সমস্ত পৃথিবীতে ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে প্রচলিত) পাওয়া যায় না। তাই মানুষ সমস্ত গাছেই আলোর মালা পড়িয়ে দেয়। সাইপ্রেস, আম, পাম— সবরকমের গাছই তাদের ক্রিসমাস ট্রি। সমস্ত গাছ তারা আলো, ঘণ্টা, মোমবাতি ইত্যাদি উপকরণ দিয়ে সাজিয়ে তোলে। বড় দোকানে এবং হোটেলে সাজানোর জন্য কৃত্রিম বরফের ব্যবহারও করা হয়।

গরিব, অন্ধকারের মহাদেশ আফ্রিকা। তবু আফ্রিকার মানুষ এই সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়ে প্রাসঙ্গিক করে তোলে তাদের ক্রিসমাস উদ্‌যাপন। সংগৃহীত অনুদান উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় গির্জা অথবা অনাথাশ্রমের হাতে। যিশু খ্রিস্টের বাণী সফল করে বড়দিনের আলো এবং হাসিতে ভরে ওঠে এই অন্ধকার মহাদেশ।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *