করোনা-মাসে ক্রিসমাস: রাঁচির আর্চবিশপ জানালেন গরিবের সেবা করে উদ্‌যাপন করুন উৎসব

Mysepik Webdesk: এবার রাঁচির গির্জার বড়দিনে গণ-প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে না। এবার প্রত্যেকেই নিজ ঘরে থেকে ক্রিসমাস উদ্‌যাপন করবে। রাঁচি ক্যাথলিক আর্চ ডায়োসিসের আর্চ বিশপ ফেলিক্স টপ্পো বলেছেন যে, “করোনার সংক্রমণের কারণে পুরো বিশ্ব ভুগছে। মানুষ এতে বিচলিত। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিসমাস অতি সাধারণভাবে উদ্‌যাপন করুন। গরিবদের সেবা করুন।” আর্চ বিশপ জানিয়েছেন যে, তাঁরা এবার রাজধানীর সমস্ত রিকশা চালককে নিয়ে ক্রিসমাস উৎসব উদ্‌যাপন করবেন। ২৫ ডিসেম্বর, মিসা অনুষ্ঠানের পরে লায়লা ময়দানে দুপুর বারোটায় একটি বিশেষ ভোজ অনুষ্ঠিত হবে। রিকশাচালক ছাড়া গরিবগুর্বরাও সেখানে আহার গ্রহণ করবেন।

আর্চবিশপ ফেলিক্স টপ্পো আরও জানিয়েছেন যে, করোনা মহামারিকে সামনে রেখে এবার ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস ইভেন্টে ভিড় করবার অনুমতি দেওয়া হবে না। মিসা রিচুয়ালটি হবে অনলাইনে। ধর্মমতে বিশ্বাসীরা তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে এই অংশ নিতে পারেন মিসা ২৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ ডিসেম্বর, ক্রিসমাস ডে সকাল সাড়ে ৯টায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে।

আর্চ বিশপের কথায়, “মহামারির এই সময়কালে স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে। অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে। কিন্তু গ্রামে ও শহরে এমন একটি বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে, যারা অসায়তার জন্য অনলাইনে পড়াশোনা করতে অক্ষম। চার্চ রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় গ্রাম পর্যায়ে কোচিং করবে।”

আর্চ বিশপের ভাষায়, “সরকার গঠনের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। এত দিন অতিবাহিত হলেও মন্ত্রিসভায় খ্রিস্টান সমাজের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই। মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে এদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং মন্ত্রিসভায় খ্রিস্টান সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত।” তিনি আরও বলেছেন, “ক্ষমতাসীন দলের ১২ জন বিধায়ক খ্রিস্টান সমাজের অন্তর্ভুক্ত।” তাছাড়াও তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংখ্যালঘু বিদ্যালয়ে কোনও নিয়োগ না হওয়ারও অভিযোগ তুলেছেন। এ কারণে পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *