এই চারটি কারণে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না করোনাকে

Mysepik Webdesk: ২০১৯ সালের শেষের দিক থেকেই গোটা বিশ্বে একটু একটু করে থাবা বসিয়েছে করোনাভাইরাস। ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত পেরিয়ে গিয়েছে দেড় বছর। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এই করোনার দাপটকে। জিনের পরিবর্তন ঘটিয়ে বার বার নতুন রূপে ফিরে এসেছে এই মারণ ভাইরাস। কোথাও কোথাও সংক্রমণের গতি কমলেও সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাসীকে আজও বয়ে নিয়ে বেড়াতে হচ্ছে করোনার অভিশাপ। অতিমারী প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে বহু মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে এই অতিমারীরকে বয়ে বেড়ানোর কারণ হিসেবে চারটি প্রধান কারণকে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আরও পড়ুন: ভুলে যান ডেল্টা প্লাসকে, আতঙ্কের নতুন নাম ল্যাম্বডা ভেরিয়েন্ট

‘ব্লুমবার্গ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান গবেষক ডা. সৌম্যা স্বামীনাথন এর জন্য মূলত চারটি কারণকেই দায়ী করলেন। তিনি জানান, লকডাউনের রাশ আলগা করা, অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক মেলামেশা, টিকাকরের ধীরগতি এবং করোনার নতুন স্ট্রেন ডেল্টা, এই চারটি কারণে আজও বিশ্বজুড়ে সক্রিয় রয়েছে করোনার দাপট। স্বামীনাথনের কথায়, এখনও পর্যন্ত বিশ্বে যতগুলি করোনার ভ্যারিয়েন্ট দেখা গিয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক প্রমাণিত হয়েছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

আরও পড়ুন: ঢাকায় বিধ্বংসী অগ্নিকান্ড, আগুনে ঝলসে মৃত ৫২

এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা লকডাউন, করোনা বিধিনিষেধ কার্যত মানুষকে আরও বেশি ক্লান্ত করে দিয়েছে। এই বন্দীদশা থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে বিশ্বের একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই লকডাউন তুলে দিয়েছে কিংবা লকডাউনের রাশ আলগা করে দিয়েছে। মানুষের অবাধ মেলামেশার ফলেই বেড়েছে করোনার প্রকোপ। তাছাড়া আগে যেখানে একজন আক্রান্ত মানুষের শরীর থেকে ৩ জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, ডেল্টার কারণে সেই সংখ্যাটা ৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমান অক্সিজেন কিংবা হাসপাতালে বেডের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও ভয়ানক করে তুলেছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *