১৫ জুলাই কী শেষ হচ্ছে করোনা বিধিনিষেধ? কী জানাল নবান্ন

Mysepik Webdesk: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই দেশের একাধিক রাজ্যে, শহরে জারি করা হয়েছিল লকডাউন। বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। এরাজ্যেও জারি করা হয়েছিল একাধিক করোনা বিধিনিষেধ। তবে একটু একটু করে গোটা দেশে তথা এরাজ্যেও স্বাভাবিক হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি, কমছে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। আর সেই কারণেই বিগত কয়েকদিন ধরে ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হচ্ছে করোনা বিধিনিষেধ। শিথিল করা হচ্ছে কড়াকড়ি।

আরও পড়ুন: রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

গত ১ লা জুলাই আগের চেয়ে কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছিল করে বাস, অটোর মত গণ পরিবহন ব্যবস্থার ওপর। অনুমতি দেওয়া হয়েছিল সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস-অটো-টোটো চালানোর জন্য। খুলে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের জিম, পার্ক, রেস্তোরাঁগুলি। তবে জনসাধারণের জন্য এখনও পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতি মিলেছে শুধুমাত্র স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চালানোর। এই বিধিনিষেধ জারি থাকছে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে ১৫ জুলাইয়ের পর কী অনুমতি দেওয়া হবে নিত্যযাত্রীদের জন্য ট্রেন চালানোর। এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে নিত্য ট্রেন যাত্রীদের মনে।

আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে দলীয় কোন্দল, বর্ধমানে দিলীপ ঘোষের সভায় বিক্ষোভ খোদ বিজেপি কর্মীদের

রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, টানা বিধিনিষেধের ফলে করোনা সংক্রমণের ওপর কিছুটা হলেও লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে যদি সবকিছু খুলে দেওয়া হয়, তাহলে ফের বাড়তে পারে সংক্রমণ। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তর এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, এখনও করোনার তৃতীয় ঢেউ নিঃশ্বাস ছাড়ছে ঘাড়ের ওপর। পাশাপাশি ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশেও প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। নবান্ন সূত্রে খবর, গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৫ জুলাইয়ের পর সবকিছু স্বাভাবিক করে দেওয়া হবে কিনা, তা স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেই তিনি স্থির করবেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *