পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ! স্বীকার করে নিল কেন্দ্র

Mysepik Webdesk: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন রবিবার দেশে করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণের (Community Transmission) কথা স্বীকার করে নিলেন। তবে তিনি জানালেন, গোটা দেশে নয়, কয়েকটি রাজ্যের নির্দিষ্ট কিছু জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নামও। তিনি জানান, গত জুলাই মাস থেকেই এ রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ।

আরও পড়ুন: বসিরহাটের বনেদি বাড়ির পুজো: কিছু জনশ্রুতি, কিছু প্রথা

সাপ্তাহিক ওয়েবিনার সানডে সংবাদে রবিবার তিনি জানান, যেসব অঞ্চলে ঘন জনবসতি রয়েছে, সেখানেই এই ধরণের গোষ্ঠী সংক্রমণ লক্ষ করা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি এলাকাও রয়েছে সেই তালিকায়। তবে গোটা দেশে অবশ্য গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটেনি বলে জানান তিনি। মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে করোনা সংক্রমণকে। প্রথম পর্যায় হল, বিদেশ থেকে বয়ে নিয়ে আসা সংক্রমণ এবং দ্বিতীয় পর্যায় হল স্থানীয় ভাবে তা ছড়িয়ে পড়া। তৃতীয় ধাপের অর্থ গোষ্ঠী সংক্রমণ, যা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় শুরু হয়ে গিয়েছে। আর চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে মহামারী।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় বন্ধ হয়ে গেল পান মশলা, গুটখার বিক্রি

মূলত গোষ্ঠী সংক্রমণ বলতে যা বোঝায়, তা হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া। এক্ষেত্রে সংক্রমণের উৎস (Index Person)-কে সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। খুঁজে পাওয়া যায়না সংক্রমণের শৃঙ্খলের বিস্তারকেও। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই পুজোর মুখে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি দেয় ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে বেড ফাঁকা নেই। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রীতিমতো প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। এর ওপর যদি ব্যাপক হারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *