আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে চাষবাস! পৌঁছে গেল বাঁধাকপি, সর্ষের চারা

Mysepik Webdesk: মহাকাশে শুন্য অভিকর্ষে কী চাষাবাদ করা সম্ভব? অনেকদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের মনে এই চিন্তাভাবনায় ঘুরপাক খেয়েছে। সেই কারণে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে চাষাবাদ করা সম্ভব কিনা, তা নিয়েই সম্প্রতি গবেষণায় মেতে উঠেছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছে বাঁধাকপি, সর্ষের চারাগাছ। সেগুলিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পালন করা হবে। বিজ্ঞানীরা দেখতে চান পৃথিবীর মতোই সেগুলি মহাকাশেও স্বাভাবিক বৃদ্ধি পায় কিনা। তাছাড়া ভবিষ্যতে পৃথিবীর মতো মঙ্গলগ্রহে মানুষ যদি কোনওদিন বসবাস করে, তাহলে মঙ্গলের মাটিতেও মানুষ চাষাবাদ করতে পারবে কিনা,সেটাই এখন বিজ্ঞানীদের প্রধান গবেষণার বিষয়।

আরও পড়ুন: তিনদিনের জন্য নিকষ কালো অন্ধকারে ঢেকে যাবে পৃথিবী, চাঞ্চল্যকর দাবি টাইম ট্রাভেলারের+

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা সূত্রে খবর, স্পেশ স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীরা ওই চারা রোপন করবেন। এই মিশন সফল হলে অদূর ভবিষ্যতে ওই চারাগাছ মঙ্গল কিংবা চাঁদের মাটিতেও রোপন করা হবে। অর্থাৎ পৃথিবীর বিকল্প হিসেবে চাঁদে কিংবা মঙ্গলে মানুষ আগামী দিনে বসবাস করতে পারবে কিনা, সেই বিষয়ের ওপর গবেষণা আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। নাসা এদিন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের একটি ছবি শেয়ার করেছে। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মহাকাশবিজ্ঞানী চিনা বাধাকপিতে সোয়া সস ও গার্লিক পেস্ট ছড়িয়ে খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: প্রয়াত মহাকাশচারী মাইকেল কলিন্স

জানা গিয়েছে, স্পেস স্টেশনে থাকা মহাকাশবিজ্ঞানীর জন্য পৃথিবী থেকে বেশ কয়েকরকম শাকসবজির চারাগাছ পাঠানো হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিশেষ পদ্ধতিতে তারা যেন সেই চারাগাছগুলিকে রোপন করার চেষ্টা করেন। স্পেস স্টেশনে চাষাবাসের নতুন এই মিশনের নাম দেওয়া হয়েছে Veg-03K ও Veg-03L। গত ১৩ এপ্রিল বিশেষ এক ধরণের সর্ষে ও চিনা বাধাকপির চারা পোঁতা হয়েছিল স্পেস স্টেশনে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, অন্তত ৬৪ দিন পর তাঁরা আশানুরূপ ফল পাবেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *