ভেসে গেল দিঘা-মন্দারমণি থেকে গঙ্গাসাগর, প্লাবিত বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকা

Mysepik Webdesk: নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘন্টা আগেই ওড়িশার ধামরা ও বালেশ্বরের মাঝে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ওই এলাকায় শুরু হয়েছে ল্যান্ডফল। ইয়াসের প্রভাব সেভাবে বাংলার না পড়লেও ভরা কোটালের কারণে বানভাসি পরিস্থিতির সৃষ্টি হল বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকায়। দিঘা-মন্দারমণি থেকে শুরু করে ভেসে গেল গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমও। গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমের সামনে অন্তত কোমর পর্যন্ত জল জমে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ইয়াসের প্রভাবে বানভাসি কাকদ্বীপ, বাঁধ ভেঙে গোটা এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা

এদিকে ইয়াসের ল্যান্ডফল শুরু হওয়ার আগেই উত্তাল ঢেউ এসে সমুদ্রের গার্ডরেল ভেঙে ‌যায় দিঘায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কখনও কখনও ঢেউয়ের উচ্চতা এতটাই বেশি ছিল যে একেকটি ঢেউয়ের উচ্চতা প্রায় একেকটি নারকেল গাছের উচ্চতার প্রায় সমান। একই রকমের ভয়ঙ্কর চিত্র দেখা গিয়েছে মন্দারমণিতেও। সেখানেও বিরাট বিরাট ঢেউ ভাসিয়ে দিয়েছে গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানাচ্ছেন, তাঁরা এত বড় বড় ঢেউ এর আগে কখনও দেখেন নি। ঢেউয়ের পাশাপাশি দিঘা-মন্দারমণিতে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। হওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় অন্তত ৯০ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন: ইয়াসের প্রভাবে জলে ভাসছে দিঘা, বন্যার আশঙ্কা পশ্চিমবঙ্গে

গতকাল রাত থেকেই সারারাত্রি ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসে ছিলেন কলকাতার কন্ট্রোল রুমে। বুধবার সকালে তিনি জানান, “ভরা কোটালের জন্য বাংলায় বেশি সমস্যা হচ্ছে। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ কেউ প্লাবিত গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরবেন না। প্রশাসন অনুমতি দিলে তবেই বাইরে বার হবেন।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *