বিয়ের আগে যে ৪টি মেডিকেল টেস্ট করাতে ভুলবেন না

Mysepik Webdesk: বিয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুটি মানুষের নতুন জীবনের পথ চলা। আর এই পথকে সুগম করতে বিয়ের আগে থেকেই শুরু হয় নানা আয়োজন। পাত্র-পাত্রী দেখা থেকে শুরু করে ঠিকুজী, রাশিফল মেলানো সবকিছু হয়ে থাকে। তবে এগুলো সবটাই মনের মিলনের জন্য। এগুলির সঙ্গে দরকার মেডিক্যাল টেস্টও। কারণ, আধুনিক যুগে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল চাবিকাঠি। তাই আবেগে ভেসে না গিয়ে হবু বর ও বধূর করিয়ে নেওয়া উচিত কিছু মেডিক্যাল টেস্ট। এতে বিবাহিত দম্পতির ভবিষ্যত সুখকর হওয়ার পাশাপাশি সন্তানের ভবিষ্যতও থাকবে সুরক্ষিত।

আরও পড়ুন: আতা ফলের কিছু উপকারিতা

১) রক্ত পরীক্ষা: রক্তবাহিত নানারকম রোগ হয়, যেমন হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি যার প্রভাব পড়তে পারে ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তাই আগেই পাত্র ও পাত্রীর রক্তের পরীক্ষা করা উচিত।

২) এইচআইভি পরীক্ষা: মরণব্যাধি এইডস জন্য দায়ী হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (এইচআইভি)। বিয়ের আগে এইচআইভি বা অন্য কোনরকম সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিসিসেজ, যেমন গনোরিয়া, সিফিলিস, ওয়ার্টস, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস আছে কিনা জানার জন্য এইচআইভি টেস্ট করানো খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ একবার এই রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়া শুরু করলে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিশ্চিত করতে হবে যে সঙ্গীর কেউই এইচআইভি পজিটিভ নন।

আরও পড়ুন: বধির দিবসে হই অঙ্গীকারবদ্ধ, শব্দদূষণকে করি জব্দ

৩) ফার্টিলিটি টেস্ট: আধুনিক সময়ে চিকিৎসা পদ্ধতি যতই আধুনিক হোক না কেন, স্বীকার করতেই হবে বন্ধ্যাত্ব সমস্যা কিন্তু বেড়েই চলেছে। আর আমাদের মতো দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এখনও সন্তান আসতে কোনো সমস্যা হলে দোষ দেওয়া হয় মেয়েদেরই। তবে বন্ধ্যাত্ব কেবল নারীদের নয়, পুরুষদেরও হতে পারে। তাই পাত্র, পাত্রী উভয়েরই বিয়ের আগে বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করা উচিত।

৪) জেনেটিক টেস্ট: জেনেটিক ডিসঅর্ডার কিন্তু এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়ায়। তাই বিয়ের আগে পাত্র, পাত্রী দু’জনকেই জেনেটিক পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে বিয়ের আগে দুই পরিবারেরই মেডিক্যাল হিস্ট্রি জেনে নেওয়া উচিত।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *