ষষ্ঠ পর্বের ভোটে ২২% প্রার্থী কোটিপতি, ৩০% প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ক্লাস টেন

Mysepik Webdesk: পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণের ৫টি পর্ব শেষ হয়েছে। আজ ষষ্ঠ পর্বে উত্তর দিজনাপুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার ৪৩টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। ৩০৬ জন প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা চলছে এখানে। তবে এর মধ্যে ২২% প্রার্থী কোটিপতি এবং ৩০% প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ক্লাস টেন বা তার চেয়েও কম।

উল্লেখ্য যে, নির্বাচন ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে কাজ করা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্ম (এডিআর) নামক এক সংস্থা বাংলা নির্বাচন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, ষষ্ঠ পর্বে ৬৬ জন প্রার্থী এমন রয়েছেন, যাঁরা কোটিপতি। এর মধ্যে তৃণমূলের ২৮ জন, বিজেপির ১৯ জন, কংগ্রেসের ৩ জন এবং বাম-ফরোয়ার্ড ব্লকের ৭ প্রার্থী এবং বাকি ৯ জন ইন্ডিপেডেন্ট ক্যান্ডিডেট শামিল রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘পাঁচ দফা ভোটে ১৮০ আসনের মধ্যে ১২৫ আসন পাব’, আশাবাদী দিলীপ ঘোষ

এই কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও ধনীদের তালিকায় বিজেপি প্রার্থী শীর্ষে রয়েছেন। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার দমদম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিজেপি প্রার্থী অর্চনা মজুমদারের সম্পদ ২৮.৫ কোটি টাকা। বিনয় কুমার দাস দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছেন। তিনি উত্তর দিজনাপুর জেলার একটি আসন থেকে ইন্ডিপেডেন্ট ক্যান্ডিডেট। তাঁর সম্পদ ২২.৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে, সবচেয়ে দরিদ্রতম প্রার্থী হলেন বিএসপি-র সন্দীপ সরকার। তাঁর সম্পত্তি মাত্র ১১০০ টাকা। তিনি পূর্ব বর্ধমানের প্রার্থী।

অন্যদিকে আমরা যদি শিক্ষার কথা বলি, তবে সেই পরিসংখ্যানগুলি আরও ঝকঝকে। ৩০৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯৯ জন প্রার্থী দশম বা তার চেয়ে কম শ্রেণি অবধি পড়াশোনা করেছেন। এডিআরের প্রতিবেদন অনুসারে, ৩৭ জন পরীক্ষার্থী দশম পাশ, ৩৮ জন পরীক্ষার্থী অষ্টম পাশ করেছেন এবং ১১ জন পরীক্ষার্থী কেবল ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। একইসঙ্গে ৭ জন পরীক্ষার্থী কেবল কীভাবে পড়তে এবং লিখতে হয়, সেটুকুই জানেন। একজন প্রার্থী রয়েছেন, যিনি নিরক্ষর। শিক্ষিত প্রার্থীদের মধ্যে ৮২ জন স্নাতক, ২০ জন স্নাতক পেশাদার এবং ৫৫ জন স্নাতকোত্তর।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *