তুরস্কের ঈদ কিছুটা ব্যতিক্রমী

Mysepik Webdesk: ইউরোপের এক মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হল তুরস্ক। তবে দেশটিতে এবারের ঈদের আমেজ বেশ কিছুটা ব্যতিক্রমী। কারণ এখানে ঈদের নামাযের জন্য নেই কোনো আলাদা ঈদগাহ। তাই নামায পড়া হয় মসজিদে। সূর্য ওঠার ৪০ মিনিট আগে থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে ঈদের নামায অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এমনটাই সরকারি নিয়ম।

আরও পড়ুন: চিন থেকে ৫ লক্ষ করোনাভাইরাসের টিকা আনল বাংলাদেশ

ঈদের দিনে তুর্কিরা পরিষ্কার পোশাক পরিধান করেন। তবে আশ্চর্য ব্যাপার হল, ঈদের জন্য নতুন জামা কাপড় তুর্কিরা কেনেন না বললেই চলে। জাতীয় বাজারে খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা থাকে অভূতপূর্ব। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ঈদ উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি এখানে হয় না। আর হ্যাঁ, ঈদের নামাযের পর এখানকার অধিবাসী কোলাকুলির চেয়ে হাত মেলাতে বেশি পছন্দ করেন। অনেকে আবার মুখে মুখ কিংবা মাথায় মাথা ঠেকিয়ে একে অপরকে বলেন, ‘বাইরাম মুবারক ওলসুন’ বলে ঈদের মুবারকবাদ জানান।

আরও পড়ুন: সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

এরপর তো আত্মীয় বাড়ি গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়ার রেওয়াজ তাকেই। তাছাড়াও ঈদের দিন তুরস্কে তিন দিন সরকারি যানবাহনে ভাড়া বিনামূল্যে থাকে। এই সুবিধা পান তুরস্কের নাগরিকসহ সে দেশে বসবাসকারী অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও।

আরও পড়ুন: প্রসঙ্গ আল-আকসা: বিশ্বজুড়ে ছি-ছিক্কার আর অভিশাপ কুড়াচ্ছে ইসরাইল

তবে এ বছর করোনার কারণে তুরস্ক সরকার সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে। কেবল অনুমতি সাপেক্ষে একান্ত প্রয়োজন কেউ বাড়িতে যেতে পারবেন অথবা নিকটবর্তী মসজিদে করতে পারবেন। ১৭ মে পর্যন্ত এই করা বিধি-নিষেধ বলবৎ থাকার কথা। তবে ঈদের কারণে লকডাউন সামান্য কিছুটা শিথিল হবে বলে মনে করছেন সে-দেশের বিশেষজ্ঞ মহল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জামাতে অংশগ্রহণ করার কথা ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *