নিজের মেয়ের মাথা কেটে খুন করেও নির্বিকার মানসিক ভারসাম্যহীন মা

Mysepik Webdesk: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মেয়েকে মাথা কেটে খুন করার পরেও নিজের অপরাধের জন্য বিন্দুমাত্র বিচলিত নন মৃতের মা। উল্টে জানালেন, ‘যা করেছেন, ঠিক করেছেন’। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বিদ্যাপীঠ মোড় বাজার এলাকায়। ঘটনার পরেই পুলিশ ওই মহিলাকে গ্রেফতার করার পর জানিয়েছে, অভিযুক্ত মাও মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে ঠিক কী কারণে অভিযুক্ত তার মেয়েকে খুন করেছে, তা এখনও পর্যন্ত জানতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমেছে খেজুরির পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা এলাকায়।

আরও পড়ুন: বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মোদি-শাহকে শোকজ করা উচিত: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, বুধবার ঠিক সকাল ৯টা নাগাদ তারা দেখতে পান, বাড়ি থেকে রাস্তার ওপর বেরিয়ে এক মহিলা চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ও বার বার বলছিল, মা রান্না করো, মা রান্না করো। এবার আর জ্বালাতে পারবে না। আমি ওর মাথা কেটে দিয়েছি। বেশ করেছি। আমার মেয়ে, আমি কেটে দিয়েছি।” ওই মহিলার মুখে এই ধরণের কথা শুনে আটকে ওঠেন তারা। উপস্থিত লোকজন বিপদের আঁচ করে ওই মহিলার বাড়ির ভেতরে গিয়ে দেখেন একটি বাছা মেয়ের দেহ ওপর পড়ে রয়েছে। ধড় থেকে মুন্ডু আলাদা হয়ে আছে। মেঝে ভেসে যাচ্ছে রক্তে। তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। গ্রেফতার করা হয় পেশায় মোবাইল মেকানিক বিশ্বজিৎ পাত্রর স্ত্রী এবং মৃতার মা সাগরিকা পাত্রকে।

আরও পড়ুন: চোখ বাদ দিয়েও শেষরক্ষা হল না, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একই দিনে আরও দু’জনের মৃত্যু রাজ্যে

এলাকাবাসী পুলিশকে জানিয়েছে, খেজুরির বিদ্যাপীঠ বাজারে একটি ভাড়া নেওয়া দোকানের পেছনেই স্ত্রী ও মানসিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মেয়েকে নিয়ে থাকতেন বিশ্বজিৎ। ওই দোকানেই তিনি মোবাইল সারানোর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এলাকাবাসী পুলিশকে আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলাও কিঞ্চিৎ মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে কী কারণে সে তার মেয়েকে খুন করেছে, তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *