Latest News

Popular Posts

পাঁচ দিন কেটে গেলেও অধরা ‘বাঘমামা’, আতঙ্কে রয়েছেন কুলতলির বাসিন্দারা

পাঁচ দিন কেটে গেলেও অধরা ‘বাঘমামা’, আতঙ্কে রয়েছেন কুলতলির বাসিন্দারা

Mysepik Webdesk: পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও জঙ্গলের সীমানা ছাড়িয়ে লোকালয়ে চলে আসা বাঘটি এখনও অধরা। বাঘটির খোঁজে দিনরাত এক করে ফেলেছেন বনকর্মীরা। জালের ফাঁদ পেতে, ছাগলের টোপ দিয়েও কাজ হয়নি। তবে, বনদপ্তর জানাচ্ছে, বাঘটি লোকালয়ে থাকলেও সেটিকে একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যেই নজরবন্দি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা জঙ্গলটিকে জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। বন দপ্তরের কর্মীরা জানাচ্ছেন, সেই জালের মধ্যে এখনও আটক রয়েছে ডোরাকাটা। একমকি, একবার বাঘটি ওই জাল কেটে বেরোনোর চেষ্টাও করেছিল।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে প্রাণ গেল পুত্র সন্তানের

পশ্চিমবঙ্গ বন দপ্তরের কর্মী জানিয়েছেন, বাঘটিকে দেখা মাত্রই তাকে ঘুমপাড়ানি গুলি ছুঁড়ে বাগে আনার চেষ্টায় রয়েছেন তাঁরা। সোমবার সকালেও ঘুমপাড়ানি গুলি-বন্দুক নিয়ে মাচার দিকে যান বন দফতরের কর্মীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, বাঘটি ইতিমধ্যেই এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। শনিবার কেল্লার পর রবিবারও ডোংরাজোরা শেখপাড়া জঙ্গলে দেখা গিয়েছে বাঘের থাবার চিহ্ন। একদিকে বাঘের ভয়, অন্যদিকে পর পর পাঁচদিন কাজে যেতে না পারায় উল্টে বন কর্মীদের ওপর ক্ষোভ দেখিয়েছেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, পাঁচদিন কেটে গেলেও এখনও বন দপ্তরের কর্মীরা বাঘটিকে ধরতে সক্ষম হয়নি।

আরও পড়ুন: ২ দফায় বাকি পুরসভার ভোট! পুরভোট নিয়ে আজ সর্বদলীয় বৈঠকে কমিশন

স্থানীয় তৃণমূল নেতা আলাউদ্দিন শেখ রবিবারই বন দপ্তরের কর্মীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এলাকায় জাল পাতা হচ্ছে। এভাবে জাল পাতার অর্থ কী? বাঘ তো বেরিয়ে যাবেই! বন দফতর গাফিলতি করছে। হয় বন দফতর বাঘটিকে ধরুক, নয়ত গ্রামবাসীদের দায়িত্ব দিক। চকোলেট বোমাবাজি করতে-করতে বাঘকে ঝড়খালির জঙ্গলে পাঠিয়ে দেব আমরাই।” যদিও বাঘটি শীঘ্রই ধরা পড়বে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বন দপ্তরের কর্মীরা।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *