অমিত শাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল কৃষক সংগঠনগুলি

Farmer

Mysepik Webdesk: পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ‘দিল্লি চলো’ অভিযানে ব্যাপক সাড়া মিলছে। এই আন্দোলন এখন আর পঞ্জাব বা হরিয়ানার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। অন্যান্য রাজ্যের কৃষকরাও ধীরে ধীরে এই আন্দোলনের শরিক হচ্ছেন। ফলে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন বিরোধী জনমত জোরদার হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশে এই আন্দোলনের আঁচ লেগেছে। এই রাজ্যগুলির কৃষকরা ট্রাক্টরে চেপে দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সোনা পাওয়া যাচ্ছে নদীর তীরে! ভিড় স্থানীয়দের

Farmers Protest Live: Farmers refuse to move from Gzb-Delhi border, say  won't go to private facility in Burari - India Today

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষক সংগঠনগুলিকে শর্তসাপেক্ষে আলোচনা বসার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সেই প্রস্তাবে প্রথম থেকেই অসন্তুষ্ট ছিলেন বিক্ষোভরা কৃষকরা। কেন্দ্রের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে হরিয়ানা-দিল্লির সিংঘু সীমান্তে বৈঠকে বসে কৃষক সংগঠনগুলি। এই বৈঠকের পরই সরকারিভাবে সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল ৩০টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ।

পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষকরা ‘দিল্লি চলো’ বিক্ষোভের জন্য আপাতত হরিয়ানা-দিল্লির সিংঘু সীমান্তে জমায়েত করেছেন। সেখানে কৃষক সংগঠনগুলির বৈঠকের পর ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (সিংঘুপুর) সভাপতি জগজিৎ সিং জানান, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লি বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্তে কেন্দ্র যে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছে, তা সর্বসম্মতভাবে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফের বন্ধ আহমদাবাদ-কেভাদিয়ার মধ্যে সমুদ্র-বিমান পরিষেবা

Farmers' Protest HIGHLIGHTS: Amarinder urges farmers to accept Shah's  appeal | India News,The Indian Express

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিছুটা সুর নরম করে জানান, কৃষকরা যাতে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে শামিল হতে পারেন এবং তাঁদের কোনও রকম সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য উত্তর দিল্লির মাঠে জল, শৌচাগার এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা উত্তর দিল্লির মাঠে সরে গেলেই তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি নরেন্দ্র মোদি সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং দেশের কয়েকটি অংশের কৃষকরা দিল্লির সীমান্তে এসেছেন। শুক্রবার থেকে কৃষকরা পঞ্জাবের দুটি গুরুত্বপূর্ণ হাইওয়ের কাছে জমায়েত করে আছেন। প্রবল ঠান্ডার কারণে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা। সেইসঙ্গে অন্যান্য মানুষও সমস্যার মুখে পড়ছেন।’

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *