‘বাবা হয়তো স্বর্গে আনন্দে কাঁদছেন’: নীরজের সোনা জয়ের পর বললেন মিলখা-পুত্র

Mysepik Webdesk: অল্পের জন্য মিলখা সিং কিংবা পি টি ঊষার অলিম্পিকের পদক জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে নীরজ চোপড়ার অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জেতার পর। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে শতাব্দী পুরনো অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। অ্যাথলেটিক্সে সম্মানিত ভারত। অলিম্পিকের আসরে এই বিভাগে প্রথম স্বর্ণপদক এসেছে। ১৩ বছর পর ক্রীড়া জগতের মহাকুম্ভে ভারতের জাতীয় সংগীত বেজে উঠেছে, শীর্ষে উত্তোলিত হয়েছে তেরঙা।

আরও পড়ুন: পরবর্তী লক্ষ্য ৯০ মিটারের রেকর্ড গড়া, জানালেন নীরজ চোপড়া

ভারত শ্যুটিং, বক্সিং, কুস্তি কিংবা হকি থেকে অলিম্পিক থেকে মেডেল এনেছে। কিন্তু কখনোই ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে পদক নিয়ে আসতে পারেনি। অথচ অলিম্পিক গেমসের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের স্বতন্ত্র একটা ঐতিহ্য রয়েছে। পরিচিতিও রয়েছে। মিলখা সিংয়ের ইচ্ছা ছিল, অলিম্পিক অ্যাথলেটিক্স থেকে ভারতকে সোনা জিততে দেখার। সেই অধরা স্বপ্ন মিলখা সিং স্বচক্ষে দেখে যেতে না পারলেও মৃত্যুর পর তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে নীরজ চোপড়ার হাত ধরে।

আরও পড়ুন: জ্যাভলিনে ১০০ বছরের ইতিহাসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিলেন নীরজ চোপড়া

জ্যাভলার নীরজ চোপড়া সোনা জিতে মিলখা সিংয়ের স্বপ্নকে সত্যি করে তুলেছেন। মাত্র কয়েক মাস আগে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া ‘উড়ন্ত শিখ’ স্বপ্ন দেখেছিলেন যে, একজন ভারতীয় ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে অলিম্পিক পদক জিতবেন। ১৯৬০ রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার দৌড়ের ফাইনালে মিলখা সিং সামান্য কিছু সেকেন্ডের জন্য দেশের হয়ে পদক জিততে পারেননি। তবে, নীরজের সাফল্যের পর মিলখা সিংয়ের পুত্র এবং প্রখ্যাত গল্ফার জীব মিলখা সিং বলেছেন যে, “আজ আমার বাবা স্বর্গে হয়তো আনন্দে কাঁদছেন। তাঁর স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। এটি ভারতের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত। নীরজের ত্যাগ এবং পরিশ্রমকে স্যালুট।”

আরও পড়ুন: অদিতি অশোক: মেডেল না জিতেও যিনি ইতিহাসে স্থান করে নিলেন

অন্যদিকে, ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জলেস অলিম্পিকে মহিলাদের ৪০০ মিটার দৌড়ের ফাইনালে মিলখা সিংয়ের মতোই মাত্র সামান্য কিছু সেকেন্ডের ব্যবধানে পদক ফসকে গিয়েছিল ‘উড়ান পরী’ নামে পরিচিত পি টি ঊষার। নীরজের সোনার পদক জয়ে এহেন পি টি ঊষাও গর্বিত বোধ করেছেন। তিনি নীরজ চোপড়াকে ‘পুত্র’ বলে সম্বোধন করে টুইট করেছেন, “৩৭ বছর পর আজ আমার অসমাপ্ত স্বপ্নের বাস্তবায়ন হল।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *