Latest News

Popular Posts

চলছে পঞ্চম পশ্চিম বর্ধমান জেলা বইমেলা

চলছে পঞ্চম পশ্চিম বর্ধমান জেলা বইমেলা

Mysepik Webdesk: কোভিদ বিধি মেনে শুরু হয়েছে পঞ্চম পশ্চিম বর্ধমান জেলা বইমেলা ২০ নভেম্বর থেকে, চলবে ২৬ তারিখ অব্দি।আসানসোল এর পোলো গ্রাউন্ড এই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যন্য বিশিষ্ট জনদের সাথে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় আইন মন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়ক শ্রী মলয় ঘটক এবং এরাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী শ্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী মহাশয়।

আরও পড়ুন: ঘুম ভাঙার আগেই প্রবল কম্পনে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ উত্তরবঙ্গ

নূতন জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ এর পরে পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সদর হয় আসানসোল, যা এ রাজ্যের তিনটি মিউনিসিপ্যালিটির অন্যতম। জেলা গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের পরিচালনায়,মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নির্দেশে এই নূতন জেলাসদরে যে উন্নয়ন মূলক কাজ জারী আছে তাঁর অঙ্গ হিসেবেই আসানসোল শহরে জেলা বইমেলা আয়োজন করা হয়ে আসছে। এই বছর এই মেলা পাঁচ বছরে পড়লো। এর আগে সরকারী উদ্যোগে বইমেলা আয়োজিত হত না এই শহরে। জেলা সদর হবার সুবাদে এই শহরের সাংস্কৃতিক আঙিনায় বইমেলার সংযোজনের সূত্রে শহরের বিদ্যার্থী -শিক্ষক মহল যথেষ্ট উৎসাহিত বোধ করছেন। পঞ্চম পশ্চিম বর্ধমান বইমেলা কমিটির পক্ষে দীপক তলাপাত্র ও দিলীপ নায়ক সকল কোভিড রীতি মেনে, বইপ্রেমীদের মাস্ক পরিধান করে মেলায় প্রবেশ করার আবেদন জানিয়েছেন, গণমাধ্যম ও প্রচারপত্রের মাধ্যমে।

আরও পড়ুন: কোভিডে মৃত্যু : পৌঁছে যাচ্ছে এককালীন ক্ষতিপূরণ

প্রতিদিন এই মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত হচ্ছে বক্তৃতা। ২৫তারিখের আলোচনার বিষয়ের কেন্দ্রে ছিল গ্রন্থাগার। মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিল কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক ও বানোয়ারী লাল ভালোটিয়া কলেজের গ্রন্থাগারিক যথা ক্রমে বিশ্বজিৎ সাহা ও রাজর্ষি দাস। সঞ্চালনায় ছিলেন আসানসোল জেলা গ্রন্থাগার এর মাননীয় গ্রন্থাগারিক সুব্রত কুমার দাস। আলোচনা সভায় উঠে আসে বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রন্থাগার এর ব্যবহারের নব প্রকরণের কথা। উঠে আসে ডিজিটাল লাইব্রেরি এর কথা। বিশ্বজিৎ সাহা উল্লেখ করেন যে বর্তমানে ডিজিটাল গুগুল এর প্রতি ছাত্রসমাজের আগ্রহের বিষয়টি। তিনি বলেন গুগুল এর সার্চ ইঞ্জিনকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে শেখাটাও জরুরী।

উপস্থিত অন্য গ্রন্থাগারিক রাজর্ষি দাস উল্লেখ করেন ডিজিটাল স্পেস এর কথা। সঞ্চালক সুব্রত কুমার দাস পাবলিক লাইব্রেরি এর ধারণার উপর আলোকপাত করেন এবং কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক বিশ্বজিৎ সাহাও এই পাবলিক লাইব্রেরীর বিকাশের কথা বলেন। বইপ্রেমীদের মানুষের আগমনে ২৬ তারিখ অব্দি গমগম করবে এই মেলা প্রাঙ্গণ। এসেছেন, কলকাতার সেতু, দেজ, পারুল, দেব সাহিত্য কুটির সহ একাধিক প্রকাশক, সঙ্গে উপস্থিত স্থানীয় লিটিল ম্যাগ এর পরিজন রাও।মেলায় বইয়ের পাশে রয়েছে সামান্য জলযোগের ব্যবস্থাও।রাজ্য সরকারী উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় কোন প্রবেল মূল্য নেই।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *