কানপুরের কর্ডিওলজি হাসপাতালে আগুন, ২ রোগী নিহত, ১৪৭ রোগীকে উদ্ধার

Mysepik Webdesk: রবিবার সকালে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের লক্ষ্মীপত সিংহনিয়া (এলপিএস) ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিওলজির কার্ডিওলজি বিভাগে ভয়াবহ আগুন লাগে। প্রথম তলায় আগুন লেগেছে। প্রথম ফ্লোরে আইসিইউ এবং জেনারেল ওয়ার্ড রয়েছে। দুর্ঘটনার সময় আইসিইউতে ৯ জন এবং জেনারেল ওয়ার্ডে ১৪০ রোগী চিকিৎসারত ছিলেন। উদ্ধারকাজ চলাকালীন জেনারেল ওয়ার্ডের ২ রোগী মারা যান। উভয় ওয়ার্ডের বাকি ১৪৭ জন রোগীকে অন্য একটি বিল্ডিংয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আগুন লাগার পরে কাচের জানালাগুলি ভেঙে বিছানা সহ রোগীদের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: মৃত প্রভাকরণ ভীষণভাবে জীবিত আছেন তামিলনাড়ু নির্বাচনে

নিহত রোগীদের নাম রসুলান বিবি (৮০) এবং টেকচন্দ্র। রসুলান ঘাটমপুর নওরাঙ্গার এবং টেকচন্দ্র হামিরপুর রথের বাসিন্দা। পরিবারের মতে, টেকচন্দ্র ভেন্টিলেটারে ছিলেন এবং আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তাররা তাঁকে বাইরে নিয়ে যেতে বলেন। এর পরে জানা যায় যে, তিনি মারা গেছেন। একইসঙ্গে রসুলন বিবির পরিবার জানিয়েছে যে, তিনি শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। উদ্ধারকালে অতিরিক্ত ধোঁয়ার কারণে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীতে মহিলা অফিসারদের দিতে হবে স্থায়ী কমিশন, সুপ্রিম ঘোষণা

দুই রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে কানপুর কমিশনার ডাঃ রাজশেখর জানিয়েছেন, এই মৃত্যু দুর্ঘটনার কারণে ছিল না। রাজশেখর বলেছিলেন— “আমি যেমন তথ্য পাচ্ছি, একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ছিল সকাল ৯.২১ মিনিটে। এই রোগীর হার্টের সমস্যা ছিল এবং তাঁকে পেসমেকার দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি এখনও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: ছেঁড়াফাটা নোট নিয়ে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জরুরি ঘোষণায় ভোগান্তি কমবে সাধারণ মানুষের

এসিপি মহেন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, নিচতলার সমস্ত রোগীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রথম তলায় ৯ জন রোগী আটকে পড়েছিলেন বলে জানা গেছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কাচের জানালা ভেঙে রোগীদের জন্য ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ভোর সাড়ে ৫টায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: মহাকাশে ভারত পাঠাবে চার নভোচারী, রাশিয়ায় শেষ হল তাঁদের প্রশিক্ষণ

এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ হাসপাতালে আগুন লাগার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিবেদন চেয়েছেন। এর পাশাপাশি তদন্তের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এতে ডিজি ফায়ার সার্ভিস, কানপুর ডিভিশন অ্যান্ড প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (মেডিক্যাল-হেলথ) রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত হাসপাতালে আগুন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *