‘দিদি ক্ষমা করুন’, তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে মমতাকে খোলা চিঠি সোনালির

Mysepik Webdesk: বাংলার একুশে নির্বাচনের আগে শুভেন্দু, রাজীবের মতোই তিনিও দলবদলুদের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন। নির্বাচনের টিকিট না পাওয়ায় ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন সাতগাছিয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালি গুহ। ইলেকশনে লড়ার টিকিট না পেয়ে কার্যত তিনি মিডিয়ায় সামনে কেঁদে ভাসিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপির ভরাডুবির পর ফের তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে মমতা ববন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি দিলেন সোনালি।

আরও পড়ুন: ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মৃত্যু, খাস কলকাতার বুকে

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে তিনি টুইট করে ক্ষমা চেয়ে নেন। রীতিমতো কাকুতি মিনতি করে তিনি তৃণমূলে ফিরতে চাইলেন। এদিন টুইট করে তিনি লেখেন, “সম্মানিয়া দিদি, আমার প্রণাম নেবেন। আমি সোনালী গুহ। অত্যন্ত ভাগ্য হৃদয়ে বলছি যে আমি আবেগপূর্ণ হয়ে চরম অভিমানে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দলে গিয়েছিলাম, যেটা ছিল আমার চরম ভুল সিদ্ধান্ত। কিন্তু, সেখানে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারিনি। মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনই আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। দিদি, আমি আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমা না করলে আমি বাঁচব না। আপনার আঁচলের তলে আমাকে টেনে নিয়ে বাকি জীবনটা আপনার স্নেহতলে থাকার সুযোগ করে দিন।”

আরও পড়ুন: নারদ মামলায় ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন, শুনানি হবে সোমবার

বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূলের উত্থানের সময় থেকেই তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালী গুহ। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের মুখে লড়াইয়ে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের কাছে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “দিদি অনেক বদলে গেছেন।” যদিও তাঁর দলবদলের ঘটনা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে বাংলার রাজনীতিতে। সে যাই হোক না কেন, নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলার মসনদে তৃতীয়বারের জন্য শাসকদলের আসনে বসেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলবদলুদের ফের দলে ফেরা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “আসুক না। কে বারণ করেছে? এলে স্বাগত!” তবে তিনি সেটা শুধুমাত্র সৌজন্যতার খাতিরেই বলেছিলেন কিনা, সেটা অবশ্য স্পষ্ট হয়নি। যাই হোক এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনালি গুহকে ফের দলে ফিরিয়ে নেন কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *