গঙ্গার জলস্তর ১৪ ফুটেরও বেশি বাড়তে পারে, আশঙ্কার কথা শোনাল আবহাওয়া দপ্তর

Mysepik Webdesk: উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন বিহারে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এছাড়াও পঞ্জাব থেকে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই নিম্নচাপ অক্ষরেখাটি বিহার,ঝাড়খন্ড এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবের কলকাতা-সোহো অন্যান্য জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ঘূর্ণাবর্তের জেরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

আরও পড়ুন: বৈশাখীকে হুমকি রত্নার, নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ কমিশনারকে চিঠি বৈশাখীর

বুধবার বিকেল থেকে একটানা বৃষিটর ফলে কলকাতার একাধিক এলাকা ইতিমধ্যেই জলমগ্ন হয়েছে। এর ওপর আরও একটি আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, একে বৃষ্টি, আর তার ওপর সন্ধ্যের মুখে জোয়ার আসার সময় যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে গঙ্গার জলস্তর ১৪ ফুটেরও বেশি বাড়তে পারে। এর ফলে বৃষ্টির জমা জল কিছুটা নেমে গেলেও ফের কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। কলকাতা পুরসভা বিকেল চারটের পর লকগেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: কোভিড জয় করল মাত্র সাড়ে সাতশো গ্রাম ওজনের সদ্যোজাত

বুধবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে অঝোরে বৃষ্টি। কলকাতার বহু এলাকায় এখনও হাঁটুজল। কোনও কোনও এলাকায় জল কোমর পর্যন্ত উঠে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কলকাতার মানিকতলায় ৭৭ মিলিমিটার, বীরপাড়ায় ৬৩ মিলিমিটার, বেলগাছিয়ায় ৮২ মিলিমিটারে, ধাপায় ১০২ মিলিমিটার, তপসিয়ায় ১৫৩ মিলিমিটার, উল্টোডাঙ্গায় ৮৪ মিলিমিটার, পামারব্রীজে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও ঠনঠনিয়ায় ৯৬ মিলিমিটার, বালিগঞ্জে ১৪৮ মিলিমিটার, মোমিনপুরে ১৭৯ মিলিমিটারে, চেতলায় ১৫০ মিলিমিটারে, কালীঘাটে ১৬৮ মিলিমিটার, কামডহড়িতে ১৪৭ মিলিমিটার, দত্তবাগানে ৫৮ মিলিমিটার, জিন্জিরা বাজারে ১১৭ মিলিমিটার, বেহালায় ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *